Father of Bengali Nation

A blog of Moktel Hossain Mukthi


Leave a comment

ঐতিহাসিক৭মার্চওআমি: শামসুন নাহার,মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ সেবিকা

nahar

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২০ শেষ হলো। বাংলা ও বাঙালীর দুর্জয় আনন্দের দিন, অনন্য সাধারণ অর্জনের একটি দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গর্জে উঠেছিলেন বাংলার শার্দূল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী আপামর জনসাধারণের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। ১০ লক্ষ জনতার সমুদ্রে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ” আর যদি একটা গুলি চলে তবে বাংলার মানুষ রুখে দাঁড়াবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, বাংলার মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনসাআল্লাহ্।” সেদিনকার সেই বজ্রকঠিন ঘোষণাটি ছিল অলিখিত একটি ভাষণ। ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করলো আওয়ামী লীগ। সেই নির্বাচনে যুব থেকে বৃদ্ধ সাধারণ থেকে প্রতিবন্ধি প্রতিটি ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচন কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বকে সম্মান জানিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের গভীর আস্থা জ্ঞাপন করেছিল। কিন্তু পাকিস্তানী জান্তা জনতার এ স্বতঃস্ফূর্ত রায় মেনে নিতে পারে নি। তারা ক্ষমতা বাংলার রাখাল রাজার হাতে ছেড়ে দিতে চায় নি। তাই মিটিং-এর নামে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করে যাচ্ছিল। পুর্ব পাকিস্তান তখন ছাই চাপা আগুনের মতো গনগন করছে। শেখ মুজিবের একটি নির্দেশের অপেক্ষায় অধীর আগ্রহী জনগণ। অপরদিকে প্রতিপক্ষ আছে শেখ মুজিব একটি ভুল করবে, একটি ভুল নির্দেশনা দেবে প্রতীক্ষায়। তাহলেই দেশদ্রোহিতার অপরাধে জেল জুলুম নির্যাতন ও ফাঁসি দেয়ার রাস্তা অবারিত হয়ে যাবে। শেখ মুজিব তাঁর চিরদিনের সুখ দুঃখের সাথী বেগম মুজিবকে জিজ্ঞেস করলেন,” কি করবো আমি?” বেগম মুজিব বললেন,” তুমি সাহসী, বুদ্ধিমান। তোমার বিবেচনা বোধ জাগ্রত। তাই তুমি তোমার বুদ্ধিমত্তা দিয়েই কথা বলবে, নির্দেশনা দেবে।” সেদিনের সেই অলিখিত তাৎক্ষণিক ভাষণটি হয়ে গেল একটি কবিতা, একটি জাতির মুক্তির বারতা, একটি ঐতিহাসিক দলিল যা স্বীকৃতি পেলো ইউনেস্কোর প্রামাণিক দলিল হিসাবে।

১৯৭১ সালের এই দিনে আমি ছিলাম যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজী পাড়ায় আমার আব্বার মামা কাজি আয়নাল হকের বাড়ি। এই বাড়িতে থেকেই লেখাপড়া করি। আমি যশোর সেবা সংঘ গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলাম। আমি তখন এস এস সি পরীক্ষার্থী। ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে পরীক্ষা। স্কুল আয়োজিত বিশেষ কোচিং ক্লাশ শেষ হয়েছে।

আমার জন্ম এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে। অল্প বয়সে পিতৃহারা বাবা ২য় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। আমার দাদা যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন আমার আব্বা মাত্র ১৪ বছরের। আমার আব্বা সবার বড়। তার ছোট আরও ৫টা ভাই বোন। তাদের দায়িত্ব এসে পড়লো আমার আব্বার ওপর। তিনি পড়ালেখা ছেড়ে চাকরি করতে গেলেন। যোগ দিলেন বৃটিশ সেনাবাহিনীতে। বৃটিশ সেনা হিসাবে তিনি ২য় বিশ্বযুদ্ধে তৎকালীন বার্মা মুলুকের রাজধানী রেঙ্গুনে অংশ নিলেন। যুদ্ধ শেষে ফিরে এসে যোগ দিয়েছিলেন সিভিল সাপ্লাইতে। এই সময় আমার মার সাথে তাঁর বিয়ে হয়।

আমার মাতৃহারা মা ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিলেন। দুজনেই সাহিত্যিক ছিলেন। দু’জনে দু’জনের কাছে সে কি লম্বা লম্বা চিঠি লিখতেন। লেখার ভাষা ছিল প্রাঞ্জল সুপাঠ্য সরল। মনে হয় সেদিন যদি চিঠিগুলো সংরক্ষণ করতাম, তাহলে হয়তো বা আজ সেগুলো সাহিত্যের মর্যাদা পেত। যাহোক বিয়ের ৫ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও আমার মার সন্তান হচ্ছিল না। ফলে একটা সন্তানের জন্য তাঁরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

১৯৫৪ সালে আমার আব্বা তখন কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে চাকরি করছেন। মাও আব্বার সাথে আছেন। যে বাসায় থাকতেন তার সামনেই ছিল মিশনারী হাসপাতাল। আমার মাকে পরীক্ষা করতে নিয়ে যাওয়া হলো। ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখলেন তিনি সন্তান সম্ভবা, অর্থাৎ মায়ের গর্ভে আমার আগমন ঘটেছে। ১০ মাস ১০ দিন পর আমি ভুমিষ্ঠ হলাম।

আমি মেয়ে। সে সময় বাবা-মা মেয়ে সন্তানকে খুশি মনে গ্রহণ করতে পারত না। আমার সৌভাগ্য যে আমার মা বাবা আমাকে মেয়ে হিসাবে নয় সন্তান হিসাবে গ্রহণ করলেন। একজন ছেলেকে যে ভাবে আদর করা হয়, যত্ন করা হয়, ভালবাসা হয়, তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা হয় ঠিক তেমনি ভাবেই আমার মুক্তচিন্তার আলোকিত বাবা-মা আমাকে আদর করলেন, যত্ন করলেন, ভালবাসলেন, আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলেন যে আমাকে লেখাপড়া শেখাবেন, ডাক্তার বানাবেন, সম্পদ ব্যক্তিতে পরিণত করবেন। আমি বড় হতে লাগলাম। আর দশটা সাধারণ মেয়ে যেমন পরিবার এবং সমাজের নিয়ম কানুনের বেড়াজালে বড় হয়, আমার আলোকিত পরিবার আমাকে তেমন কোন নিয়ম কানুন নিষেধের বেড়াজালে বদ্ধ করেননি। তাই আমি সত্যিই সৌভাগ্যবতী যে ছোট্টবেলা থেকে স্বাধীন ভাবে বেড়ে উঠেছি।

আমি আমার জীবনের এই ছোট্ট গল্পটি বললাম পাঠককে আমার বড় হওয়া, চিন্তার স্বাধীনতা, কাজের স্বাধীনতা কেমন ছিল তা জানাতে। এই জন্য সেই ছোট্ট বেলায় কিশোরী বয়সে রাজনীতিতে আমার প্রবেশ খুব সহজ ছিল। যদিও আমার আব্বার মামা অর্থাৎ আমার দাদা আমার রাজনীতিতে অংশগ্রহণ পছন্দ করতেন না, তারপরেও আমি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করি। যখন আমি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন যশোর জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক জনাব রবিউল আলম আমাকে ছাত্রলীগের সদস্য করে নিলেন। আমি তখন পাকিস্তানীদের শোষণ বঞ্চনার কথা অত শত বুঝিনা। তবে নতুন কোন কাজ, মানুষকে সংগঠিত করা, সমাজসেবা এগুলো আমাকে খুব টানতো। রবিউল ভাই এবং সালেহা আপার সস্নেহ আচরণ আমার ভাল লাগতো, তাই তাদের সাথে বিভিন্ন মিছিল মিটিং-এ অংশ নিতাম। এভাবে কাজ করতে করতে কখন যেন একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে গেলাম বুঝতে পারিনি। ১৯৬৯ এর গণ আন্দোলন, ৭০-এর উড়িরচরে ঝড়ে ভুক্তভোগীদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহ, নির্বাচনে প্রচারণা, নির্বাচনের দিন আমাদের আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জনাব আতর আলীর পোলিং এজেন্ট হিসাবে কাজ করা, নির্বাচন পরবর্তী বিজয়ী প্রার্থী পক্ষে বিজয় মিছিলে অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজগুলো স্বতঃস্ফুর্তভাবে করতাম।

সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে। আমাদের সকলের সে কি উচ্ছাস। আমরা জিতেছি। এবার পাকিস্তানের সামরিক শাসক পূর্ব পাকিস্তানকে স্বায়ত্ব শাসন দেবে। সারা দেশের মতো যশোর শহরেও মিটিং মিছিল পিকেটিং চলছে। আমিও সেসব মিটিং মিছিল পিকেটিং-এ অংশ নিচ্ছি। পাকিস্তান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমসি করছে। আর পূর্ব পাকিস্তানের সাড়ে সাত কোটি জনগণ ফুঁসে উঠছে। শেখ মুজিব অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলেন। তিনি হয়ে গেলেন পূর্ব পাকিস্তানের অঘোষিত রাজা। তিনি বলছেন গাড়ির চাকা ঘুরবে না, গাড়ির চাকা ঘুরছে না। তিনি বলছেন অফিস আদালত খুলবে না। অফিস আদালত খুলছে না। রাজপথ জনপথ চায়ের দোকানে, ঘরে ঘরে, হাটে বাজারে সব জায়গায় একই আলোচনা, একই উৎকণ্ঠা, কি হবে দেশের! ইয়াহিয়া কি ক্ষমতা হস্তান্তর করবে! ইয়াহিয়া যদি ক্ষমতা হস্তান্তর না করে তাহলে সশস্ত্র যুদ্ধের বিকল্প নেই। ছাত্রলীগের কর্মীরা সিদ্ধান্ত নিলো সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার। তার জন্য প্রয়োজন বন্দুক চালনা শেখা। যশোরে চিরুণী কল চত্ত্বরে খুবই গোপনে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ শুরু হলো। সেই প্রশিক্ষণে মমতাজ আপা, সালেহা আপা, সাথী আপা সহ অন্যদের সাথে আমিও অংশ নিলাম। আমার দাদা অর্থাৎ আব্বার মামা কাজি আয়নাল হক আমার প্রতিদিনের মিটিং মিছিল হরতাল অবরোধে অংশ নেয়া একদম পছন্দ করছেন না। আমার ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন গ্রামের বাড়ি যেয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে। আমিও গ্রামের বাড়িতে যাব যাব করছি, কিন্তু যেতে মন চাইছে না।

ইতোমধ্যে ৩রা মার্চ সকাল থেকে মিছিল হচ্ছে। একটা মিছিল যশোর চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে রেল রোড হয়ে টেলিফোন ভবনের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করছিল। অপর একটি মিছিল এম এম কলেজ থেকে বের হয়ে এসপি অফিস পুলিশ ব্যারাকের সামনে দিয়ে গরীব পীর সাহেবের মাজার হয়ে কালেক্টরেট ভবনের সামনে দিয়ে দড়াটানার দিকে যাচ্ছিল। অন্য আর একটি রাস্তায় অপর একটি মিছিল বের হয়েছে। যশোর শহর যেন মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে সংবাদ এলো টেলিফোন ভবনের সামনে গুলি হয়েছে। একজন নারী মারা গেছেন। এ খবরে সকলে আরও বেশি মারমুখি হয়ে উঠলো। জোরেসোরে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি শুরু হলো। এর মধ্যে ঘোষণা হলো ৭ই মার্চ রমনা রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেবেন।

আমাদের অনেকেই এই ভাষণ শুনতে ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু আমি ছোট মানুষ। আমার ঢাকা যাওয়ার সাহস নেই, সঙ্গীও নেই। বাড়ি থেকে অনুমতি দেবে না। অগত্যা যশোর বসেই ভাষণ শুনবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। তখন তো এখনকার মতো এত টেলিভিশন চ্যানেল ছিল না। বাড়ি বাড়ি টেলিভিশনও ছিল না। রেডিও-র ওপরেই বেশি ভরসা। ৭ তারিখ সকালে শোনা গেল, মুজিবের ভাষণ রেডিও টিলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে না। আমরা সকলে হতাশ হয়ে পড়লাম। সেদিন আমরা সরাসরি শেখ মুজিবের ভাষণ শুনতে পাইনি। বাংলাদেশের মানুষের চাপে নতি শিকার করে পরদিন অর্থাৎ ৮ই মার্চ সেই ভাষণ রেডিও এবং টেলিভিশনে সম্প্রচার হলো। তখন আমরা সেই ভাষণ শুনলাম। ভাষণ শোনা শেষে আমার দাদা আমাকে আর যশোর শহরে থাকতে দিলেন না। আমি গ্রামের বাড়িতে আমার মা বাবার কাছে চলে গেলাম।

Advertisement


Leave a comment

ভারতীয় রেলওয়ের বিরুদ্ধে এক পয়সার জন্য মামলা অতঃপর বিজয়

ভারতীয় রেলওয়ের বিরুদ্ধে এক পয়সার জন্য মামলা অতঃপর বিজয়0001053XqVb
কোলকাতা হাওড়ার এক ট্রেনযাত্রী টিকেট ক্রয় করলে রেলওয়ের সেলসম্যান এক পয়সা ফেরত দিতে পারেনি ভাংতি ছিলনা বিধায়;
যাত্রী বলল লিখিত দিন; কাউন্টার থেকে লিখিত দেয়া হলঃ
“ভাংতি ছিলনা বিধায় এক পয়সা ফেরত দেয়া গেল না”। এক পয়সা না দেবার কারনে ঐ যাত্রী কোর্টে মামলা করলেন খোদ কোলকাতা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এবং মামলা চলেছিল যুগের পর যুগ । গত কয়েক বছর আগে সে মামলার রায় হয়েছে এবং ঐ যাত্রী আদালতের রায়ে জয়ী হয়। অতঃপর ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ উল্লেখিত “এক পয়সা” জরিমানা প্রদান করে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করে যারা গ্রিনিজ বুকে লিপিবদ্ধ হয়;
ঐ যাত্রীকে সাংবাদিকগণ প্রশ্ন করেছিলঃ এক পয়সার জন্য আপনি এত বছর মামলা চালিয়ে গেলেন কেন?
যাত্রী বলেছিলঃ আমার মামলা ও লড়াই এক পয়সার জন্য রেলওয়ের বিরুদ্ধে নয়; আমার লড়াই ছিল একটি সিস্টেমের বিরুদ্ধে; সরকারী বিধি রীতি নীতি ও কর্মচারী কর্মকর্তাদের অহেতুক হয়রানি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে। এর পর থেকে রেলওয়ে আর কোন যাত্রীকে বলবে না, এক টাকা কম নিন ভাংতি নেই।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। সে সোনালী লোমহর্ষক গণহত্যা স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করা সোনার ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার এ সংগ্রাম।
আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারী সাহায্য পাবো, সে আশায় আমি এ যুদ্ধ করছি না এবং সে লোভে মুক্তিযোদ্ধা হতে চাইনা;
আমার দাবী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে যেনো কোন ভুল না হয়; যেনো কাউকে প্রতারণা করা না হয়; কারো ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ধরা না পরে এবং একটি মুক্তিযোদ্ধাও যেনো জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ না হ’ন।
সে লক্ষ্যেই বর্তমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অযোগ্যতার কারনে বদল করা একান্ত অপরিহার্য ;
মোকতেল হোসেন মুক্তি
মুক্তিযোদ্ধা কন্ঠশিল্পী
সভাপতি
মালদ্বিপ আওয়ামী লীগ
সময় ৭১


Leave a comment

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তির আবেদন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তির আবেদন_-.jpg2
Read more: https://muktishena71.webnode.com/ ইতিহাসের ঘৃণ্য কালো অধ্যায় ১৫ঈ আগস্টের মধ্যযূগীয় বর্বর হত্যাকান্ডের লাশ দেখে আমি পাগল হয়ে যাই। পিজি হাসপাতালে আমার ৩ মাস চিকিতসা চলে এবং সে তিন মাসের বেতন ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তন করে। এ কথা সকলেই জানেন।আমি ভারতের প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আমার ঘরের সব কাগজপত্র আমার ভাইদের শিক্ষার সনদ, জমির দলিল দস্তাফেজ সমূহ সব মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ছিড়ে ফেলি। আমার পরিবারের সব আমি ধংস করে ফেলেছিলাম। ভুমি মন্ত্রনালয় তার প্রমান।
আমি মন্ত্রীকে এসব কথা বলাতে আমাকে অপমান করতে পারেন না। আমি প্রবাসে থাকি। আমাকে আবেদনের সুযোগ না দিয়ে অপমান করার অধিকার মন্ত্রীর নাই। তিনি আমার দরখাস্ত গ্রহন করা ও না করার অধিকার রাখেন কিন্তু মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর নির্দেশে আমাকে অপমান করতে পারেন না। তিনি আমার আবেদনে লিখেছেন
“যেহেতু আবেদনকারী বহুবার দেশে এসেছিলেন এবং আবেদন করেন নি তাই তার আবেদন গ্রহন করা গেল না”
তিনি মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর শিখানো কথা মত বললেনঃ ৪৫ বছর পরে মুক্তিযোদ্ধা হতে এসেছে। বের করে দেন”।
আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই, একজন সক্রিয় আওয়ামি যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া আমার জীবনে অন্য কোন বিষয় কাজ করেনি এবং এ মুক্তিযুদ্ধ বংগবন্ধ ও আওয়ামী লীগই আমার ধ্যান ধারনা চিন্তা চেতনা আদর্শ এ কথা প্রমান করে আমার ৬০ হাজার প্রায় লীফলেটস, ব্যানার ও পোষ্টার এশিয়ায় ইন্টারনেট চালু হবার পর থেকেই কার বিনা প্ররোচনায় করে এসেছি। শুধু তাই নয় আমি ২০০ ওয়েব সাইট ও ব্লগ মেইনটেইন করি যা’শুধু যুদ্ধাপরাধী মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ সংক্রান্ত। এ সকল ছবি ও ব্লগ/ওয়েবসাইটগুলোই প্রমান করে যে আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রীতিমত একজন বদ্ধ উন্মাদসম গবেষক।
Just write my name on the google search engine where you’ll get real Identity of mine “write Moktel Hossain Mukthi or muktimusician.
এ ছাড়াও আমি একজন একনিষ্ঠ অনলাইন আওয়ামী যোদ্ধা। মালদ্বীপের বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, মালদ্বীপের মাটিতে আমিই সর্ব প্রথম মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু এবং পাকিস্তানের ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা প্রদান করে পাকিস্তান হাই কমিশনের মামলা খাওয়া একজন মালদ্বীপ সরকারের শিক্ষক।
মন্ত্রী মহোদয় এ সব পরিচয় জানার পরেও বলেন নি যে আপনি বসেন বা কিছু বরং তাঁর আচার ব্যবহার এতই রুঢ় ছিল যা’ শিবির বা জামাতের কারো সাথে করছেন বলে অনুমেয়। আমার সাথে ভদ্র ভাষায় কথাও বলেন নি। এক পর্যায়ে জেনারেল সুবিদ আলীর কথায় তিনি আমাকে ঘাড় ধরে তাঁর কক্ষ থেকে বেড় করে দেয়ার কথা বলেন এবং অতঃপর………।।
তিনি মন্ত্রী না হলে হয়তো সেখানেই কোন দুর্ঘটনা ঘটে যেতো। আমি আমার নিজেকে নিয়ন্ত্রন করে চলে আসি। আমার সহযোদ্ধারা এখনো অনেকেই বেচে আছেন। ড: গোলাপ আমার সাথের একই ক্যাম্পের যোদ্ধা। আওয়ামি যোদ্ধা।
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সব সময় প্রচন্ড মিথ্যা কথা বলেন। যা’ মিডিয়া ও বক্তৃতায় বলেন, বাস্তবের সাথে তার কোন মিল নেই; তিনি যা বলেন সব মিথ্যা কথা মিথ্যা তথ্য। এখনো বহু আসল মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভুক্ত করতে পারেনি অথচ তিনি বক্তৃতায় ঘোষনা করলেন সকল জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড করা হবে। আসল অনেক মুক্তিযোদ্ধার নামই সংগ্রহ করতে পারেন নি-তিনি কিভাবে এ ঘোষনা প্রদান করেন? --.jpg11
তার দেয়া সব তথ্য জাতিকে বিভক্ত করছে; মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কলঙ্কিত হচ্ছে। নতুন তালিকা প্রণয়নের নামে এগুলো প্রতারণা। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন। মিডিয়া, দেশবাসী এমন কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রতারণা করছেন । দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উপজেলা ও জেলাসমূহে যে দুর্নীতি চলছে, যে সনদ ও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের নামে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের বিগত বছরগুলোর সকল সফলতা এমন কি মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের যে অবদান সব মলিন হয়ে যাবে এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীদের মত স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি গ্রস্থ নেতা/কমান্ডারদের কারনে।
কারন আপনি আদর্শিক কারনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করছেন। সমস্ত মন্ত্রী এম পি দের তৃনমূলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ক্ষমতা ও অর্থ সম্পদ শালী মধ্য শ্রেণীর নেতা যার মধ্যে অর্ধেকই প্রায় জামাত শিবির ও বি এন পি, তাদের সাথে তাল মিলিয়ে, হাত মিলিয়ে আমার মত পাগল ছাগল নিবেদিত ত্যাগি সৎ নিষ্ঠাবান অভিজ্ঞ উচিত কথাবলার প্রকৃত মুক্তিসেনাদের এভাবেই তারা অপমান তাচ্ছিল্য করে দূরে সরিয়ে রাখে। যে কারনে ছাত্রলীগের ছেলেদের সেনাবাহিনী নৌ বাহিনী বিমান বাহিনী পুলিশ বিজিবি ও অন্যান্য সরকারী ভালো পদে চাকুরী হয় না।
কারন ওরা ত টাকা দিতে পারবে না। দলীয় ছাত্র লীগের ছেলেদের নিকট টাকা চাইতেও পারে না; যদি আবার নেত্রীকে বলে দেয় বা জানিয়ে দেয়। তাই গোপনে আওয়ামী লীগের নেত্রীর বিশ্বাসী নেতাগন গোপনে চাকুরী প্রদান করে, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তির সুপারিশ ও তদবীর করে জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েদের । কারন টাকা পাওয়া যাবে।000-----01
উত্তরা ও এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় আমার বাস। আমার জানা মতে ঠিক আমারই মত ত্যাগি জীবনবাজী রেখে নৌকার জন্য ভোট সংগ্রহ কারীর একটি মেয়েকে বঙ্গ মাতা স্কুলে ভর্তির জন্য কি না করেছে? মায়া ভাই পর্যন্ত বিষয়টি জানতেন। সে মেয়েটি সুযোগ পায়নি; দেখা গেছে-ঢাকা এয়ারপোর্ট ও বিমানে চাকুরীরত জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েরা অজানা রহস্যের কারনে সবাই সুযোগ পেয়ে গিয়েছে।
এর নাম স্বাধীনতা ? মুক্তিযুদ্ধ ? আওয়ামী লীগ ? এত সে বঙ্গবন্ধুর নৌকা ডুবানোর দুরদন্ত শয়তানী মাঝি খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, চাষী মাহবুবুল আলম, নূরুল ইসলাম, কে এম ওবায়দুর রহমান তাহের উদ্দিন ঠাকুরদের চেয়ে একটূ কম নয়। আমিই হলাম বাঙ্গালী জাতির মধ্যে সবচেয়ে কুলাঙ্গার। ধিক্রিত অবহেলিত লাঞ্ছিত মূর্খ বেয়াকুপ বেয়াক্কেল আহাম্মদ বোকা গাধা । না পারলাম প্রাণ খুলে হাসতে না পারলাম দুটি কন্যা সন্তানকে প্রাণ খুলে হাসতে। কি লাভ হল? এ স্বাধীনতায়? যে স্বাধীনতা আমার অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না; সে স্বাধীনতাকে আমি কেন স্বীকৃতি দেব? রাষ্ট্রই যদি আমাকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়, আমি কেন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবো? কেউ দেবে না। এটাই নিয়ম, এটাই লজিক। জানি আমি এতে হবো রাষ্ট্রদ্রোহী। তাও মন্দ কী? একটা কিছু ত হবো? আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ঘাড় ধরে বেড় করে দেয়?? এ স্বাধীনতার অর্থ কী? কেন পেলাম? কি আশায় স্বাধীন হলাম? কিসের নেশায় নৌকা নৌকা মুজিব মুজিব করে জীবনের শেষ অবস্থানটুকুকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে নির্বাসিত হলাম এই দ্বীপ রাজ্য মালদ্বীপে । ভুল কোথায়? ভুল তো আছেই হয়তো জানিনা জীবনের কোথায় কোন সিদ্ধান্তে বড় রকমের ভুল ছিল। তাই ভুলের মাশুল দিয়ে গেলাম ৬৫ বছর বয়সের মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি।
📷ভুল তথ্য দিচ্ছেন। এর সমাধান চাই। এর একটি পরিস্কার ব্যাখ্যা চাই; সত্যের জয় হবে; তাই চাই; জাতিরজনকের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ ক্ষমতায় থেকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের নিয়ে রঙ তামাশা করবে; মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণের নামে ব্যবসা করবে, এর জন্য যুদ্ধে যাইনি, এর জন্য ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী শহীদ হয়নি; এর জন্য ২ লক্ষ ৪০ হাজার মা বোনের ইজ্জত হারায়নি। আসল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাই করতে ব্যর্থ মোজাম্মেল হক।---
এই মিথ্যাচারের জন্য আল্লাহ্‌ বিচার করবেন রোজ হাসরের দিন। মহান আল্লাহর বিচারে কারো হাত নেই। আল্লাহর উপরে কোন মন্ত্রী নেই; আল্লাহর উপরে বিচারক নেই; রোজ হাসরের থেকে শক্তিশালী ক্ষমতাবান কোন আদালত নেই। বহু আসল মুক্তিযোদ্ধা এখনো তালিকার বাইরে এবং এ সমস্যা আগামী ১০০ বছরেও কোন সরকার সমাধান করতে পারবে না। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড হবে ।
মন্ত্রী নিজেও জানে না যে উপজেলা জেলা গুলোতে এই তালিকা নিয়ে কি পরিমান টাকার ছাড়াছড়ি চলছে? কি পরিমান ব্যবসা করছে নব্য থানা কমান্ডারগণ। এমন কোন উপজেলা নেই যেখানে সত্যকারের মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ে নাই এবং ভূয়া মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী মন্ত্রীর ক্ষমতা বলে নয়তো এম পির ক্ষমতা বলে অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষমতা বলে নতুন তালিকায় নাম লিখিয়েছে। এমন প্রমান আমার গ্রামে আমার ইউনিয়নে রয়েছে। আমি ত অন্যের ক্কথা শূনে এ সব লিখিনি ভাই।ফুরিয়ে যাচ্ছে ৭১ এর সোনার ছেলে মেয়েরা, বেচে থাকবে শুধু ৭১ এ জন্ম নেয়া নব্য মুক্তিযোদ্ধারা, যারা লক্ষ টাকায় মুক্তিযুদ্ধের সনদ কিনে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে। আমরা মুজিবনগরে (ভারতে) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এর চেয়ে বড় পরিচয়ের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপ ভারতের চাদপাড়া এবং পরবর্তীতে ব্যারাকপুর মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং আমরাও একই সময়ে একই শিবিরে একই কমান্ডারের অধীন প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা। ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপের নাম যদি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তালিকায় থাকতে পারে, তবে আমাদের নাম থাকবে না কেন? শুধু আমরা নই, সারা বাংলাদেশে বহু অখ্যাত অপরিচিত অশিক্ষিত অজো পাড়া গায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি। বহু মুক্তিযোদ্ধা ইতোমধ্যেই পরলোকগমন করেছেন, কোন স্বীকৃতি ও সুযোগ সুবিধা ভোগ না করেই তারা চলে গেছেন বাঙ্গালী জাতিকে মহান স্বাধীনতা প্রদান করে। তাদের নাম কে তালিকাভুক্ত করবে? কেন একটি সঠিক তদন্ত কমিটি কর্তৃক সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা হয়নি? এ প্রশ্ন সরকার ও দেশবাসীর কাছে। আমরা মনে করি মহান মুক্তিযুদ্ধের নেত্রিত্বদানকারী দল হিসেবে জাতিরজনক বংগবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের এ মহান দায়িত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের জীবদ্ধশায় সম্পন্ন করা উচিত। সবাই শেয়ার করুন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সত্যিকারে শ্রদ্ধা থাকে।
আমার সার্টিফিকেট দরকার নাই। কোন ভাতার দরকার নাই। আপনি মুসলমান দাবী করলে আমি কেন করবো না? আমিও তো নামাজ পড়ি? মন্ত্রী আমাকে অপমান করতে পারে না। তার চেয়ে আওয়ামী লীগের জন্য আমার অবদান সেই ৬৯ থেকে অদ্যাবধি তিল পরিমান কম নয়; বঙ্গবন্ধু আমাকে চাকুরী দিয়েছিলেন সচিবালয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। অমুক্তিযোদ্ধা ভাতা পায় এবং তা আওয়ামী লীগের আমলে এবং আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর স্বাক্ষরে কেন? আমার কি ইচ্ছে করে না যে আমার সন্তান মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হোক। আমার সন্তানের কি ইচ্ছে করে না, তার বাবা মুক্কতিযোদ্ধা এ কথা অন্য দশজনের নিকট বলে গৌরব বোধ করতে? মন্ত্রীর ইচ্ছে মত চলতে পারে না; এ সব তথ্য নেত্রীর জানা দরকার।----.jpg00
নিবেদক – মোকতেল হোসেন মুক্তি, কন্ঠশিল্পী মুক্তিযোদ্ধা,
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সময়৭১।
মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা
সাধারণ সম্পাদক
মালদ্বীপস্থ প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন
সুরকার গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক
সঙ্গীত শিক্ষক
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।


Leave a comment

ইসলামের দৃষ্টিতে জঙ্গিবাদ : ড. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ

ইসলামের দৃষ্টিতে জঙ্গিবাদ লেখকঃ ড. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ
সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের কতিপয় দেশে জঙ্গিবাদ একটি বার্নিং ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ইসলামের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্য ষড়যন্ত্রের কারণেই এই নব্য জঙ্গিবাদের উত্থান। তারা ইসলামকে কলঙ্কিত করতে, সত্যিকার ইসলামপন্থি, ইসলাম প্রচারক ও ইসলামী আন্দোলনকারীদের বিতর্কিত করতে জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের কতিপয় দেশে জঙ্গিবাদ একটি বার্নিং ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ইসলামের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্য ষড়যন্ত্রের কারণেই এই নব্য জঙ্গিবাদের উত্থান। তারা ইসলামকে কলঙ্কিত করতে, সত্যিকার ইসলামপন্থি, ইসলাম প্রচারক ও ইসলামী আন্দোলনকারীদের বিতর্কিত করতে জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে ইসলামী দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নতির পথ রোধ করতে এবং এসব দেশে তাদের সামরিক আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে একে কাজে লাগাচ্ছে। তারা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কিছু বিভ্রান্ত মুসলিমকে বেছে নিয়েছে। তাদেরকে দিয়ে জঙ্গিবাদের বিভিন্ন কর্মকান্ড ঘটাচ্ছে, এ সকল মুসলিম বুঝে হোক না বুঝে হোক তাদের ফাঁদে পা দিয়েছে। অথচ এদের অনুধাবন করা উচিত ছিল ইসলাম কখনো বোমাবাজি, হত্যা, গুপ্তহত্যা, আত্মঘাতী হামলাসহ কোন ধরনের অরাজকতা সমর্থন করে না। পাশ্চাত্য ষড়যন্ত্রের কারণে হোক কিংবা অন্য কোন কারণে হোক যারাই এই পথে পা বাড়িয়েছে তারা জঘন্যতম অপরাধে জড়িত হয়েছে এবং ফিতনা-ফাসাদে লিপ্ত হয়েছে।
বক্ষমান প্রবন্ধে জঙ্গিবাদ সম্পর্কে ইসলাম তথা পবিত্র আলকুরআন ও আল হাদীসের দৃষ্টিভঙ্গি কী তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রবন্ধটিতে যেসব অনুচ্ছেদ রয়েছে তা নিম্নরূপ :
1. জঙ্গিবাদের সংজ্ঞা
2. জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ
3. জঙ্গিবাদের উত্থান
4. বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান
5. জঙ্গিবাদ বিড়ম্বনা ও জঙ্গিফোবিয়া
6. জঙ্গিবাদ বনাম জিহাদ
7. ইসলামের দৃষ্টিতে জঙ্গিবাদ
8. জঙ্গিবাদ দমনে করণীয়
9. উপসংহার
জঙ্গিবাদের সংজ্ঞা
জঙ্গি, জঙ্গিবাদ ও জঙ্গিবাদী শব্দগুলোর মূল হল জঙ্গ। এটি (جنگ ـ ج ن گ) ফার্সী ও উর্দু ভাষার শব্দ। পাকিস্তানের বহুল প্রচারিত ও প্রসিদ্ধ একটি পত্রিকার নাম দৈনিক জঙ্গ। জঙ্গ অর্থ যুদ্ধ, তুমুল কলহ, লড়াই, প্রচন্ড ঝগড়া। জঙ্গি অর্থ যোদ্ধা। সেভাবে জঙ্গিবাদ অর্থ জঙ্গিদের মতবাদ, দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মকান্ড। ইংরেজীতে বলা হয় Militant, Militancy কিংবা Military activities. Oxford Advanced Learner’s Dictionary-তে বলা হয়েছে : Militant adj, Favouring the use of force or strong pressure to achieve one’s aim. অর্থাৎ কারো উদ্দেশ্যে সাধনের জন্য শক্তি প্রয়োগ বা প্রবল চাপ প্রয়োগ। Chamber’s Twentieth Century Dictionary-তে বলা হয়েছে : Militant adj, fighting, engaged in warfare অর্থাৎ সংগ্রামরত বা যুদ্ধরত। আরেক জায়গায় বলা হয়েছে : using violence, অর্থাৎ সহিংসতা অবলম্বন করা। জঙ্গিবাদ যেহেতু নতুন শব্দ তাই এর আরবী প্রতিশব্দ আরবী অভিধানসমূহে পরিলক্ষিত হয় না। তবে এর কাছাকাছি যে শব্দটির ব্যবহার আমরা দেখতে পাই তা হল (الإرهاب) অর্থাৎ কাউকে ভয় দেখানো, সন্ত্রস্ত করে তোলা, ভীতি প্রদর্শন করা।
পবিত্র আলকুরআনে বলা হয়েছে :
وَأَعِدُّوْا لَهُمْ مَّا اسْتَطَعْتُمْ مِن قُوَّةٍ وَمِنْ رِّبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُوْنَ بِهِ عَدْوَّ اللّهِ وَعَدُوَّكُمْ وَآخَرِيْنَ مِنْ دُوْنِهِمْ لاَ تَعْلَمُوْنَهُمُ اللّهُ يَعْلَمُهُمْ ـ
‘‘আর তোমরা যতদূর সম্ভব নিজেদের শক্তি-সামর্থ্য ও পালিত ঘোড়া তাদের সাথে মুকাবিলা করার জন্য প্রস্ত্তত করে রাখ যেন তার সাহায্যে আল্লাহ এবং নিজেদের দুশমনদের আর অন্যান্য এমন সব শত্রুদের ভীত শংকিত করতে পার যাদেরকে তোমরা জান না। কিন্তু আল্লাহ জানেন।’’
পারিভাষিক অর্থে ধর্মীয় কারণে রাজনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে চোরা গোপ্তা হামলা, অতর্কিত আক্রমণ, হত্যা করা, আত্মঘাতী হামলা কিংবা কোন নির্দিষ্ট মতবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জনগণের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করাকে জঙ্গিবাদ বলে।
জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ
পূর্বের অনুচ্ছেদে জঙ্গিবাদের সংজ্ঞা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের পার্থক্য তুলে ধরা হচ্ছে। সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসবাদ ত্রাস শব্দ হতে উদ্ভূত। এর অর্থ হল ভয়, ভীতি, শংকা। সন্ত্রাস হল আতংকগ্রস্ত করা, অতিশয় ত্রাস বা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর সন্ত্রাসবাদ হল, রাজনৈতিক ক্ষমতালাভের জন্য হত্যা, অত্যাচার ইত্যাদি কার্য অনুষ্ঠান নীতি। যার ইংরেজী হল ঞবৎৎড়ৎরংস. এর অর্থ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকায় বলা হয়েছে :
The systematic use of violance to create a general climate of fear in a population and thereby to bring about a particular political objective.
অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে কোন জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রণালীবদ্ধ সহিংসতার মাধ্যমে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা। আরবী বিশ্বকোষে বলা হয়েছে :
‘‘অর্থাৎ ভয়ভীতি সঞ্চারের লক্ষ্যে শক্তি প্রয়োগ করা অথবা বল প্রয়োগের মাধ্যমে হুমকি প্রদর্শন করা।
‘বিশ্ব মুসলিম সংস্থার’ অধীন ‘ইসলামী ফিক্হ্ কাউন্সিল’ ১৪২২ হিজরীতে পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ১৬তম অধিবেশনে সন্ত্রাসের যে সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তা হচ্ছে,
অর্থাৎ ‘কোন ব্যক্তি, সংগঠন বা রাষ্ট্র কোন মানুষের ধর্ম, বিবেক বুদ্ধি, ধন-সম্পদ ও সম্মান-মর্যাদার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে যে শত্রুতার চর্চা করে তাকে সন্ত্রাস বলে।’
উপরোক্ত আলোচনায় আমরা যে জিনিসটি উপলব্ধি করেছি তা হল সাধারণত অন্যায়ভাবে যে কোন ভীতি প্রদর্শন, ক্ষতি-সাধন, হুমকি সৃষ্টি ইত্যাদি অপরাধমূলক আচরণকে সন্ত্রাস বলে, এটা ধর্মীয় কারণে হতে পারে অথবা অন্য কোন কারণে হতে পারে। অন্যদিকে শুধু ধর্মীয় কারণে ন্যায় হোক অন্যায় হোক উপরোল্লিখিত কর্মকান্ডকে জঙ্গিবাদ বলে অভিহিত করা হয়েছে। যেমন আমরা লক্ষ্য করেছি কিছুদিন আগেও যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইসলাম ও মুসলিম নামের সাথে টেরোরিষ্ট্র, ফান্ডামেন্টালিষ্ট, মুসলিম এক্সট্রিমিস্ট ইত্যাদি বিশেষণ ব্যবহার করে তারা এটাকে ইসলাম ধর্মের সাথে যুক্ত করেছে। তাদের এদেশীয় ও অন্যান্য বিদেশী বন্ধুরা এটাকে জঙ্গিবাদ হিসাবে নামকরণ করেছে। কিছুদিন আগে ভোলা জিলার এক অঞ্চলে ‘‘গ্রীন ক্রিসেন্ট’’ নামের এক ইসলাম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কিছু অস্ত্র পাওয়াকে কেন্দ্র করে জঙ্গিবাদ নামে তুমুল হৈ চৈ শুরু হয়। একে কেন্দ্র করে ভোলা জিলার অসংখ্য কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়, যদিও কোন একটি মাদ্রাসায় কোন অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। অথচ প্রতিনিয়ত সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী মেডিকেল কলেজ, সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্ত্র প্রতিযোগিতা, অস্ত্রব্যবহার, বোমাবাজিসহ নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংগঠিত হচ্ছে। তারা কেউ এটাকে জঙ্গিবাদ বলে আখ্যায়িত করছে না। এগুলোকে জঙ্গিবাদ বলে প্রতিরোধের ব্যবস্থা করছে না। পক্ষান্তরে এর হাজারো ভাগের এক ভাগও যদি কোন ইসলামী প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায় তখনই জঙ্গি, জঙ্গিবাদ, জঙ্গিবাদী বলে প্রচন্ড হৈ চৈ শুরু করা হয়। কয়েকদিন পূর্বে বাংলাদেশের প্রভাবশালী আইন মন্ত্রী বলেছেন, ‘এক শ্রেণীর কওমী মাদ্রাসা জঙ্গিবাদের প্রজনন কেন্দ্র। ধর্মের নামে সন্ত্রাস রোধ করতে মাদ্রাসা শিক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘কওমি মাদ্রসায় ভাল হওয়ার কোন শিক্ষা না দিয়ে সরাসরি বেহেস্তে যাওয়ার শিক্ষা দেয়া হয়। অন্যের জমি দখল যে খারাপ কাজ এ কথাটি এসব মাদ্রাসায় বলা হয়্ না।’
আইনমন্ত্রী আরো বলেন, বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে ধর্মের নামে সন্ত্রাসের সৃষ্টি হতো না। ৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন সংশোধনী এনে বাহাত্তরের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনাকে নস্যাৎ করা হয়েছে। তারই ফলে দেশে ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ধর্মের নামে সন্ত্রাস দূর করতে হলে তিনি ধর্মীয় নেতা সহ সবার গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহবান জানান।’ সম্প্রতি এক গোল টেবিল আলোচনা সভায় সাবেক সেনা প্রধান ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম নেতা লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশীদ বলেন, ‘জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে এদেশের মসজিদগুলোর কর্মকান্ডের ওপর নজরদারি করা উচিত। মসজিদে কারা আসছে কারা যাচ্ছে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তা করতে হবে।’
উপরোল্লেখিত আইন মন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে আরো কিছু মন্তব্য উল্লেখ করে আমরা বুঝাতে চাচ্ছি যে, কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ইসলাম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অস্ত্র-সস্ত্র পাওয়া গেলে অথবা এ সকল প্রতিষ্ঠানের ছেলেরা কোন অস্ত্রবাজি কিংবা হাঙ্গামা বা মারামারি করলে তাকে জঙ্গিবাদ বলে আখ্যায়িত করা হয়, তাদেরকে জঙ্গি বলে দোষারোপ করা হয়, অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছেলেরা এ সকল কর্মকান্ড করলে তাদেরকে বলা হয় সন্ত্রাসী। এর দ্বারা আরো একটি বিষয় আমাদের নিকট পরিষ্কার হলো, প্রতিটি জঙ্গিবাদকে সন্ত্রাসবাদ বলা যাবে কিন্তু প্রতিটি সন্ত্রাসবাদকে জঙ্গিবাদ বলা যাবে না।
জঙ্গিবাদের উত্থান
বর্তমানে মুসলিম অমুসলিম প্রায় সকলে ইসলাম ধর্মের নামে যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করা হচ্ছে তাকে সন্ত্রাসবাদ না বলে জঙ্গিবাদ বলেই আখ্যায়িত করছে। জঙ্গি বা জঙ্গিবাদ নামে কোন খবর প্রকাশিত হলে ধরে নিচ্ছে এটা মুসলিমদের কান্ড। শুধু তাই নয়, ধরে নেয়া হয় যারা সুন্নতি লিবাস পরিধান করে, দাড়ি রাখে, টুপি পরে তারাই সাধারণত এই কাজের সাথে জড়িত।
সে যাই হোক ধর্মের নামে যে সন্ত্রাস এটি কিন্তু নতুন বিষয় নয়। প্রাচীন কাল থেকে তা চলে আসছে। ইয়াহুদী উগ্রবাদী ধার্মিকগণ ধর্মীয় আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছেন। মানব ইতিহাসে প্রাচীন যুগের প্রসিদ্ধতম সন্ত্রাসী কর্ম ছিল ইয়াহুদী যীলটদের (তবধষড়ঃং) সন্ত্রাস। খৃস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী ও তার পরবর্তী সময়ে রোমান সাম্রাজ্যের অধীনে বসবাসকারী উগ্রবাদী এ সকল ইয়াহুদী নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক স্বাতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আপোসহীন ছিল। যে সকল ইয়াহুদী রোমান রাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা করত বা সহ অবস্থানের চিন্তা করত এরা তাদেরকে গুপ্ত হত্যা করত। প্রয়োজনে এরা আত্মহত্যা করত, কিন্তু প্রতিপক্ষের হাতে ধরা দিত না।
মধ্যযুগে খৃস্টানদের মধ্যে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কারণে সন্ত্রাসের অগণিত ঘটনা দেখা যায়। বিশেষতঃ ধর্মীয় সংস্কার, পাল্টা সংস্কার (জবভড়ৎসধঃরড়হ ধহফ ঈড়ঁহঃবৎ-জবভড়ৎসধঃরড়হ) এর যুগে ক্যাথলিক ও প্রটেস্টান্টদের মধ্যে অগণিত যুদ্ধ ছাড়াও সন্ত্রাসের অনেক ঘটনা দেখা যায়। ইসলাম ধর্মের প্রথম যুগে জঙ্গিবাদের কিছু ঘটনা উল্লেখ করার মত। ৩৫ হিজরী সালে (৬৫৬ খৃ.) ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান উসমান (রা) কতিপয় বিদ্রোহীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। এক পর্যায়ে আলী (রা) খিলাফাতের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। অধিকাংশ সাহাবী আলী (রা)-এর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। কিন্তু তৎকালীন সিরিয়ার গবর্ণর মুয়াবিয়া (রা)সহ কিছু সাহাবী আলী (রা)-এর আনুগত্য অস্বীকার করেন। মুয়াবিয়া (রা) দাবি করেন যে, আগে উসমান (রা)-এর হত্যাকারীদের বিচার করতে হবে। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আলী (রা) বলেন যে, রাষ্ট্রিয় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পূর্বে হত্যাকারীদের বিচার শুরু করলে বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পেতে পারে। মুয়াবিয়া (রা) এই মত প্রত্যাখান করার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হয়। এটাই ছিফ্ফিন যুদ্ধ নামে পরিচিত। যুদ্ধে উভয় পক্ষের বহু লোক হতাহত হতে থাকে। এক পর্যায়ে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আলী (রা) ও মুয়াবিয়া (রা)-এর মাঝে আপোস-মীমাংসার পর একটি সালিসী কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু আলী (রা)-এর অনুসারীদের একদল লোক তাঁর পক্ষ ত্যাগ করে মানুষের বিচার মানতে অস্বীকার করে। ইতিহাসে এ দল ‘খারেজী’ নামে পরিচিত। তারা আওয়াজ তোলে (إنِِ الْحُكْمُ إلاَّ للهِ) আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য আইন নেই। তারা আরো দাবী করে যে, একমাত্র আল্লাহর আইন ও আল্লাহর হুকুম ছাড়া কিছু চলবে না। তারা বলে, আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন অবাধ্যদের সাথে লড়তে হবে। মহান আল্লাহ বলেন :
وَإِنْ طَائِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ اقْتَتَلُوْا فَأَصْلِحُوْا بَيْنَهُمَا فَإِنْ بَغَتْ إِحْدَاهُمَا عَلَى الأخْرَى فَقَاتِلُوْا الَّتِىْ تَبْغِىْ حَتَّى تَفِئَ إِلَى أَمْرِ اللَّهِ فَإِنْ فَاءَتْ فَأَصْلِحُوْا بَيْنَهُمَا بِالْعَدْلِ وَأَقْسِطُوْا إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِيْنَــ
‘‘মু’মিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেবে। অতঃপর তাদের একদল অপর দলের উপর অত্যাচার বা সীমালঙ্ঘন করলে তোমরা অত্যাচারী দলের সাথে যুদ্ধ কর যতক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দেবে এবং সুবিচার করবে। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিচারকারীদেরকে পছন্দ করেন। তারা উল্লেখ করে, আল্লাহ এখানে নির্দেশ দিয়েছেন যে, সীমালঙ্ঘনকারী দলের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, যতক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। তারা বলে মুয়াবিয়ার (রা) দল সীমালঙ্ঘনকারী, কাজেই এদের আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে মানুষকে সালিস করার ক্ষমতা প্রদান অবৈধ। অতঃপর তারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করল। বসরা ও কুফা হতে এসে সারা দেশে গোলযোগ শুরু করল। প্রথমে তারা মাদায়েন শহর অবরোধের চেষ্টা করে। এ চেষ্টা ব্যর্থ হলে তারা নাহরাওয়ান নামক স্থানে সমবেত হয় আলী (রা)-এর সাথে যুদ্ধ করতে। তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০০০। আলী (রা) তাদেরকে বুঝালেন অস্ত্র সংবরণ করতে। কিন্তু তাদের মধ্যে প্রায় ১৮০০ খারেজি কিছুতেই আলীর (রা) বিরুদ্ধে অস্ত্র সংবরণ করতে রাজী হলো না। ৬৫৯ খৃস্টাব্দে তারা আলী (রা) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পরাজিত হয়। যাকে নাহরাওয়ানের যুদ্ধ বলা হয়। কিন্তু তাদেরকে সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। নাহরাওয়ান যুদ্ধের পর খারেজীরা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং নিজেদের মতবাদ প্রচার করতে থাকে। আলী (রা)-এর বিরুদ্ধে তারা মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করেছিল। এই খারেজীরা পরবর্তিতে আলী (রা), মুয়াবিয়া (রা) ও আমর ইবনুল আস (রা) কে একই দিনে ভিন্ন ভিন্ন স্থানের মসজিদে হত্যার পরিকল্পনা করে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমর ইবনুল আস (রা) সেদিন মসজিদে আসেননি, তাই তাঁর জীবন রক্ষা পেল। মুয়াবিয়া (রা) বেঁচে যান, তবে তিনি সামান্য আঘাত পান। অন্যদিকে আলী (রা) মসজিদে নামায পড়তে যাওয়ার সময় আততায়ী আবদুর রহমান ইবনে মুলজাম খারেজীর তরবারির আঘাতে ১৭ই রমাদান ৪০ হিজরী তারিখে শাহাদাত বরণ করেন। এথেকেই মুসলিদের মধ্যে জঙ্গিবাদ, ইসলামের নামে গুপ্ত হত্যা শুরু হয়। এই খারেজীদের সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া যায় তা হলো, এদের প্রায় সকলেই ছিলো যুবক, অত্যন্ত ধার্মিক, সৎ ও নিষ্ঠাবান, সারারাত তাহাজ্জুদ আদায় করতো। সারাদিন যিকর ও কুরআন পাঠে রত থাকতো। তাদের ক্যাম্পের পাশ দিয়ে গেলে শুধু কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজই শুনা যেত। কুরআন পাঠ করলে বা শুনলে তারা আল্লাহর ভয়ে ও আবেগে কাঁদতে কাঁদতে বেহুশ হয়ে যেত। এজন্য তাদেরকে কুররা বা কুরআন পাঠকারী দল বলে অভিহিত করা হতো। পাশাপাশি এরা অত্যন্ত হিংস্র ও সন্ত্রাসী ছিল। অনেক নিরপরাধ মুসলিম তাদের হাতে প্রাণ হারায়। এরা মনে করত যে, ইসলামী বিধিবিধানের লঙ্ঘন হলেই মুসলিম ব্যক্তি কাফিরে পরিণত হয়। এমন ব্যক্তি দেরকে গুপ্ত হত্যা করা বৈধ। শুধু তাই নয় যারা আলী (রা) কে কাফির মনে করতো না এরূপ সাধারণ অযোদ্ধা, পুরুষ, নারী ও শিশুদেরও এরা হত্যা করত। ইসলামের ইতিহাসে আরেকটি সংগঠনের অস্তিত্ব দেখা যায় যারা খারেজী ফিরকার মত ভিন্নমতালম্বীদের গুপ্ত হত্যা করত, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করত, নিজেদেরকে সত্যিকার মুসলিম মনে করত, এদেরকে ‘বাতেনী হাশাশীন’ নামে অভিহিত করা হত।
এভাবে যুগে যুগে বিভিন্ন জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অসংখ্য ঘটনা লক্ষ্য করা যায়। যার মধ্যে আরো উল্লেখযোগ্য হল ১৭৪৯ সাল থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত ফরাসী বিপ্লবের সময় ক্ষমতা দখলকারী কিছু বিপ্লবীর তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হিংসাত্মক আচরণ। ১৮৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের সময় এবং উনিশ শতকে কুক্ল্যাকস ক্ল্যান নামক শ্বেতাঙ্গ গ্রুপ কৃষ্ণাঙ্গ ও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীলদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
তবে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে যাইয়নবাদী ইয়াহুদীরা ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো ফিলিস্তিন থেকে ফিলিস্তিনীদের তাড়িয়ে দেয়া। তাদের মুকাবিলায় ফিলিস্তিনিরাও নিজেদের ভূখন্ড রক্ষার লড়াই শুরু করে।
কিন্তু বিশ্বে বর্তমান জঙ্গিবাদের উত্থান হয় ১১ই সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস করে দেয়ার পর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টুইন টাওয়ার ধ্বংসের জন্য সৌদী নাগরিক ওসামা বিন লাদেন ও তাঁর সংগঠন আল কায়েদাকে দায়ী করে। কিন্তু তারা আজ পর্যন্ত এর কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি। অথচ একটি মিথ্যা অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল মুসলিম রাষ্ট্র আফগানিস্তানে হামলা চালায়। হাজার হাজার টন বোমা ফেলে আফগানিস্তানের হাজার হাজার মুসলিম নাগরিককে হত্যা করে দেশটির অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করেছে। অনুরূপভাবে ইরাকের কাছে গণ-বিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে বলে মিথ্যা অভিযোগে ২০০৩ সালের ২০ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য হামলা চালায় ইরাকের উপর। সেখানেও তারা অজস্র টন বোমা নিক্ষেপ করে হাজার হাজার মুসলিমকে হত্যা করেছে। আর তারা এটাকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আমরা এ বিষয়ে তাদের সাথে একমত হতে পারছি না। কারণ নিজ জন্ম ভূমিকে বিদেশী দখল মুক্ত করার জন্য সংগ্রাম করা, অস্ত্র দিয়ে লড়াই করা কিছুতেই জঙ্গিবাদ হতে পারে না। এটা জাতীয় কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। নিজ জন্মভূমি বা স্বদেশ রক্ষার সংগ্রাম কোনক্রমেই জঙ্গিবাদ কিংবা সন্ত্রাসবাদের আওতায় পড়ে না। এখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ নেই।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান
আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দেশটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বিশ্বে একটি উদার মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। ধর্মপ্রীতি এদেশের ঐতিহ্য। আমাদের সমাজ কাঠামোর ভেতর কোন সাম্প্রদায়িকতা নেই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য এদেশে কোন ব্যবস্থা নিতে হয় না। কিন্তু একটি কুচক্রিমহল বাংলাদেশের এ ঐতিহ্যকে মোটেই সহ্য করতে পারছে না। তাই তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সাংবিধানিক ধারা বিনষ্ট করে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাস কবলিত মৌলবাদী রাষ্ট্র হিসাবে চি‎‎হ্নত করার মাধ্যমে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের অজুহাত সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। এজন্য তারা ইসলামের নামধারী কয়েকটি সংগঠন বিশেষ করে ‘‘জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ বা জেএমবিকে ব্যবহার করে গত ১৭ আগস্ট ২০০৫ গাজীপুর ও চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এক নজিরবিহীন সন্ত্রাসী ঘটনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে অনেক নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে। শুধু তাই নয় এ সকল জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ইসলামের নাম ব্যবহার করে তারা ইসলামের ভাবমর্যাদা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালায়। মূলতঃ তখন থেকেই বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়। যদিও এসকল বোমা হামলা ও বোমা বিস্ফোরণ ইসলামের নাম ব্যবহার করে কিছু বিপথগামী মুসলিম ঘটিয়েছে, কিন্তু এসবের পেছনে কয়েকটি বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার হাত রয়েছে। প্রখ্যাত প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবি ‘‘ফরহাদ মজহার’’ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার এক কলামে উল্লেখ করেন যে, ‘‘ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং আরেকটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বেশ কিছু তথাকথিত ইসলামী জঙ্গি সংগঠন গড়ে তুলেছে। যাইয়নবাদী হোক, ব্রাহ্মণ্যবাদী হোক, মুসলিমদের শত্রুরা ইসলাম ও মুসলিমদের স্বার্থের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে, এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে। কিন্তু আমরা মুসলিমরা কেন তাদের হাতের ক্রীড়নক হব? তাদের দ্বারা ব্যবহৃত হব?
জঙ্গিবাদ বিড়ম্বনা ও জঙ্গিফোবিয়া
বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জঙ্গিবাদ একটি যন্ত্রনাদায়ক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। সন্ত্রাসের ন্যায় জঙ্গিবাদের সর্বসম্মত সংজ্ঞা এখনো নিরূপিত হয়নি। যত তাড়াতাড়ি এই শব্দদ্বয়ের সংজ্ঞা নিরূপণ করা যাবে বিশ্বের জন্য ততই মঙ্গল হবে। কোনটি জঙ্গিবাদ আর কোন্টি জঙ্গিবাদ নয় এনিয়ে ব্যাপক মতভেদ রয়েছে। বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দেখা যায় কেউ অস্ত্রধারণ করে নিজেকে রক্ষার জন্য, স্বাধিকার আদায়ের জন্য, কারো কাছে এটি জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদ, আবার কারো কাছে এটি দাবী আদায়ের পন্থা কিংবা স্বাধীনতা সংগ্রাম। বর্তমানে ইসলাম বিরোধী শক্তি বিশেষ করে পশ্চিমারা ইসলামকে জঙ্গিবাদের সমার্থক হিসেবে প্রচার করে চলেছে। অনুরূপভাবে দেশীয় মুসলিম বিদ্বেষী গোষ্ঠী পশ্চিমাদের ন্যায় জঙ্গিবাদের ধুয়া তুলে ইসলাম ও মুসলিমদের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা নিজেদের ব্যর্থতা আর বিদেশী প্রভুদের স্বার্থ হাসিলের গভীর চক্রান্ত আড়াল করতে জাতিকে জঙ্গিবাদের জুজুর ভয় দেখাচ্ছে। তারা দেশের ভেতরে গৃহযুদ্ধের পাঁয়তারা করছে। জঙ্গি জঙ্গি করে মানুষের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে। বিদেশীরা এ জঙ্গিবাদের জিগির তুলে আমাদের প্রিয় জন্মভূমিকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিতে চায়। তারা এদেশকে আফগানিস্তান বা ইরাক কিংবা পাকিস্তানের মত অস্থির দেশে পরিণত করতে চায়। সেই উদ্দেশ্য সাধনে আমাদের দেশের মিডিয়াগুলো পশ্চিমা মিডিয়াগুলোর অন্ধানুকরণে ইসলাম ও জঙ্গিবাদকে একাকার করে ফেলেছে। মাদ্রাসাগুলোকে জঙ্গি উৎপাদনের কেন্দ্র বলা হচ্ছে। অথচ সন্ত্রাস বোমাবাজি ও খুনখারাবির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে থাকলেও তাকে জঙ্গিবাদ বলা হচ্ছে না। সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকারীরা কি মাদ্রাসার ছাত্র? এরা কি মাদ্রাসায় পড়ে? হত্যা, খুন, রাহাজানি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ইত্যাদি অভিযোগে কতজন মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক বা মসজিদের ইমাম-মুয়াযি্যন গ্রেফতার হয়েছেন? যদি মাদ্রাসা, ইয়াতিমখানায় অস্ত্র পাওয়া গেলে জঙ্গিপনা হয় তাহলে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের মত সাধারণ ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্র-সস্ত্র পাওয়া গেলে তা জঙ্গিপনা হবে না কেন? এসব বিষয়ে জাতি আজ বিভ্রান্তিতে রয়েছে। এগুলোর সমাধান হওয়া উচিত।
জঙ্গিবাদ বনাম জিহাদ
মুসলিম জঙ্গিবাদী বিপথগামীরা সাধারণত তাদের কর্মকান্ডের জন্য ইসলামের পবিত্র পরিভাষা জিহাদ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে। তারা জিহাদের নামেই তাদের অধিকাংশ কর্মকান্ড পরিচালনা করছে, কোন কোন ক্ষেত্রে কিতালের প্রসঙ্গ তুলে ধরছে। অথচ এই জিহাদ ও কিতাল বৈধ কোন কর্তৃপক্ষ ছাড়া অর্থাৎ রাষ্ট্র বা সরকার ছাড়া কেউ ঘোষণা দিতে পারে না। এ বিষয় আলোচনা করতে হলে প্রথমে আমাদেরকে জিহাদ ও কিতালের তাৎপর্য বুঝতে হবে।
জিহাদের মূল শব্দ হলো (جُهْدٌ) জুহদুন। যার শাব্দিক অর্থ চেষ্টা করা, প্রচেষ্টা চালানো। পারিভাষিক অর্থ হলো চূড়ান্ত বা প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালানো। আর ইসলামিক পরিভাষায় ও ইসলামী ফিক্হে জিহাদ বলতে মুসলিম রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় যুদ্ধকেই বুঝানো হয়। জিহাদ একটি সাধারণ ও ব্যাপকার্থক শব্দ। আলকুরআন ও আল হাদীসে জিহাদকে বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থ তুলে ধরা হলো। যেমন আলকুরআনে বলা হয়েছে-
(وَجَاهِدُوْا فِى اللَّهِ حَقَّ جِهَادِه )
‘‘তোমরা আল্লাহর জন্যে জিহাদ কর যেভাবে জিহাদ করা উচিত।’’
আবদুল্লাহ ইবন আববাস (রা) বলেন : এখানে ‘‘হাক্কা জিহাদিহি’’ অর্থ হল- জিহাদে পূর্ণ শক্তি ব্যয় কর এবং তিরস্কারীর তিরস্কারে কর্ণপাত কর না। দাহ্কাক ও মুকাতিল (রহ) বলেন : আল্লাহর জন্য কাজ কর যেমন করা উচিত। এবং আল্লাহর ইবাদাত কর যেমন করা উচিত। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক বলেন : এখানে জিহাদ নিজ প্রবৃত্তি ও অন্যায় কামনা-বাসনার বিরুদ্ধে কাজ করাকে বুঝানো হয়েছে।
আরেক জায়গায় কাফির ও মুনাফিকদের সাথে যুদ্ধ করাকে জিহাদ বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন :
ياَ اَيُّهَا النَّبِىُُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِيْنَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْــ
‘হে নবী, কাফির ও মুনাফিকদের সাথে যুদ্ধ করুন এবং তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন।’
কষ্ট স্বীকার ও ধৈর্য ধারণের অর্থে জিহাদ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেন :
وَمَنْ جَاهَدَ فَإِنَّمَا يُجَاهِدُ لِنَفْسِهِ إِنَّ اللَّهَ لَغَنِىُّ عَنِ الْعَالَمِيْنَ ــ
‘যে কষ্ট স্বীকার করে, সে তো নিজের জন্যই কষ্ট স্বীকার করে। আল্লাহ বিশ্ববাসী থেকে অমুখাপেক্ষী।’
وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِيْنَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِيْنَــ
‘‘আর যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎ কর্মপরায়ণদের সাথে আছেন।’’
فَلاَ تُطِعِ الْكَافِرِيْنَ وَجَاهِدْهُمْ بِهِ جِهَادًا كَبِيْرًاــ
‘‘অতএব আপনি কাফিরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে এর সাহায্যে কঠোর সংগ্রাম করুন।
উপরোক্ত তিনটি আয়াতে মুসলিমদেরকে যুল্ম নির্যাতনের সময় ধৈর্যধারণ করতে বলা হয়েছে। অনুরূপ ভাবে অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য ন্যায়ের কথা বলাকে সর্বশ্রেষ্ঠ জিহাদ বলা হয়েছে-
‘‘একজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাস করলেন : সর্বোত্তম জিহাদ কোনটি? তিনি বললেন : অত্যাচারী শাসকের নিকট সত্য ও ন্যায়ের কথা বলা।’’
হজকে সর্বশ্রেষ্ঠ জিহাদ বলা হয়েছে-
‘পুণ্যময় হজ্জ হলো সর্বোত্তম জিহাদ।’
জিহাদের আরেকটি সমার্থক শব্দ হচ্ছে قتال (কিতাল)। কিতাল অর্থ পরস্পর যুদ্ধ করা, লড়াই করা। আলকুরআন ও আল হাদীসে বিভিন্ন জায়গায় কিতালের কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেন :
وَقَاتِلُوْا فِىْ سَبِيْلِ اللّهِ الَّذِيْنَ يُقَاتِلُوْنَكُمْ وَلاَ تَعْتَدُوْا إِنَّ اللّهَ لاَ يُحِبُّ الْمُعْتَدِيْنَــ
‘‘আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।’’ অন্য জায়গায় আল্লাহ বলেছেন :
وَقَاتِلُوْا الْمُشْرِكِيْنَ كَآفَّةً كَمَا يُقَاتِلُوْنَكُمْ كَآفَّةًــ
‘‘আর তোমরা মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে।’’
উপরোক্ত আলোচনায় জিহাদ শব্দটি যে ব্যাপক অর্থবোধক তা আমাদের সামনে স্পষ্ট। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অর্থে এটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
বস্ত্ততঃ জিহাদের কাজ শুরু হয় মানুষের ব্যক্তি জীবনের আত্মশুদ্ধির প্রচেষ্টার মাধ্যমে। তারপর নিজের আত্মীয় স্বজন ও অন্যান্য মানুষের নিকট দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছানোর মাধ্যমে। এটি একটি নিয়মতান্ত্রিক অব্যাহত প্রচেষ্টা ও প্রক্রিয়া। সর্বশেষ প্রয়োজনে যুদ্ধের মাধ্যমে জিহাদের অর্থ প্রকাশ পেয়ে থাকে। আর সেটি হবে সামনা সামনি যুদ্ধ যা কিতাল এবং তা হবে রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের আদেশে এবং তাঁর নেতৃত্বে। সেজন্য ইসলাম জিহাদ ও কিতালের ক্ষেত্রে অনেক শর্ত আরোপ করেছে। যার অন্যতম শর্ত হলো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব। রাষ্ট্রের প্রধান বা নেতাই জিহাদের বা কিতালের ঘোষণা দিতে পারেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
‘‘রাষ্ট্রপ্রধান হলো ঢাল, তাঁর পেছনে থেকেই যুদ্ধ করতে হবে।’
অন্য এক হাদীসে বলা হয়েছে :
‘‘রাষ্ট্র প্রধান ধার্মিক হোক অথবা অধার্মিক হোক উভয় ক্ষেত্রে তাঁর আনুগত্যে জিহাদ করা তোমাদের উপর কর্তব্য।’’ যদি কোন দল বা গোষ্ঠীকে অথবা কোন দল বা আমীরকে জিহাদ বা কিতালের ঘোষণা দেয়ার অধিকার দেয়া হয় তাহলে সমাজে বিশৃঙ্খলা, হানাহানি, মারামারি ও গোলযোগ শুরু হয়ে যাবে। এভাবে গৃহযুদ্ধ বেধে যাবে যার পরিণতিতে দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে। আলী (রা) ও মুয়াবিয়া (রা)-এর মাঝে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তা ছিল রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ। বৈধ চতুর্থ খলিফা আলী (রা)-এর আনুগত্য না করার কারণেই আলী (রা) মুয়াবিয়া (রা)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তদরূপ উমাইয়া শাসকদের বিরুদ্ধে আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রা)-এর যুদ্ধও রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ ছিল। আত্মঘাতী হত্যার মাধ্যমে মানুষদেরকে হত্যা করা, নিরীহ জনগণকে হত্যা করা, কিংবা গুপ্ত হত্যা করা, পেছন থেকে হত্যা করা, বোমাবাজি করে মানুষ হত্যা করা, জান-মাল ধ্বংস করা কিছুতেই জিহাদ হতে পারে না। বিগত দেড় হাজার বৎসর ধরে মুসলিম উম্মাহর মাঝে ‘জিহাদ’ নামে এরূপ অপকর্ম কখনোই দেখা যায়নি। রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত যুদ্ধের ময়দান ছাড়া কোথাও কোন নিষ্ঠাবান মুসলিম ব্যক্তিগতভাবে বা দলগতভাবে কাউকে গুপ্ত হত্যা করেছে, আত্মহত্যার মাধ্যমে মানুষ হত্যা করেছে, কারো বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করেছে, কোন জনপদে বোমাবাজি ও অরাজকতা করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, ইত্যাদির কোন নজির দেখা যায় না। সুতরাং জঙ্গিবাদী কর্মকান্ডকে জিহাদের নামে চালিয়ে দেয়া মোটেও বৈধ নয়। আলকুরআনে জিহাদ ও তৎসম্পর্কিত শব্দ ৩৬বার এসেছে এবং প্রতিবারই ন্যায়নীতির সংগ্রামের কথা বর্ণিত হয়েছে। পক্ষান্তরে জঙ্গিবাদ হলো অন্যায়ভাবে মানুষদেরকে আক্রমণ করা, তাদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং নিরীহ লোকজনকে হত্যা করা ইত্যাদি।
ইসলামের দৃষ্টিতে জঙ্গিবাদ
বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে জঙ্গিবাদের যে উত্থান ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়, তার সাথে শুধু গুটি কতেক মুসলিম জড়িত। বিশ্বের সকল বরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদগণ এবং মূলধারার সকল ইসলামী সংগঠন ও সংস্থা এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, এধরনের ব্যক্তিরা বিভ্রান্ত, বিপথগামী। এরা ইসলামের শত্রুদের হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে। ইসলামের শত্রুরা এদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। ওরা এদেরকে ইসলামের ভাব-মর্যাদা ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করছে। এসকল ব্যক্তি কোনভাবেই ইসলামের জন্য কল্যাণকর হতে পারেনা। তারা ইসলামকে বিশ্ববাসীর সামনে বিকৃত ও কুৎসিতভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়।
জঙ্গিবাদীরা সাধারণত সে সকল জঘন্য কর্মকান্ড ঘটিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে হাসিল করতে চায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- (ক) বোমাবাজি করে অরাজকতা সৃষ্টি করা। (খ) মানুষ হত্যা ও (গ) আত্মঘাতী হামলা।
বোমাবাজি ও অরাজকতা সৃষ্টি করা :
জঙ্গিবাদীরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভিন্ন ধরনের জঘন্য কর্মকান্ড সংগঠিত করে থাকে, তার মধ্যে একটি হল বোমাবাজি করে অরাজকতা সৃষ্টি করা, সমাজে বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ করা, দাংগা-হাংগামা করা। পবিত্র কুরআনে এগুলোকে ‘ফিতনা’ ও ‘ফাসাদ’ শব্দদয় দ্বারা অভিহিত করা হয়েছে। ফিতনা-ফাসাদ মহান আল্লাহর কাছে অতীব ঘৃণিত একটি মহাপাপ, কবীরা গুনাহ। পবিত্র কুরআন ও হাদীসে এ সমস্ত কাজকে সুস্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এগুলোর জন্যে ভয়াবহ শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন :
‘পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের পর বিপর্যয় ঘটাবে না।’
وَلاَ تَعْثَوْْا فِى الأَرْضِ مُفْسِدِيْنَــ
‘তোমরা পৃথিবীতে ফাসাদ তথা দাংগা হাংগামা করে বেড়িও না।’
‘তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়িও না।’
وَأَحْسِنْ كَمَا أَحْسَنَ اللَّهُ إِلَيْكَ وَلاَ تَبْغِ الْفَسَادَ فِىْ الأَرْضِ إِنَّ اللَّهَ لاَ يُحِبُّ الْمُفْسِدِيْنَ
‘তুমি অনুগ্রহ কর, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি অুনগ্রহ করেছেন এবং পৃথিবীতে অনর্থ, বিপর্যয় সৃষ্টি করতে প্রয়াসী হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ অনর্থ, বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।’
‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ অশান্তি সৃষ্টিকারী, দুষ্কর্মীদের কর্ম সার্থক করেন না।’
মহান আল্লাহ ফিত্না সম্পর্কে ইরশাদ করেন :
وَصَدٌّ عَنْ سَبِيْلِ اللّهِ وَكُفْرٌ بِهِ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَإِخْرَاجُ أَهْلِهِ مِنْهُ أَكْبَرُ عِنْدَ اللّهِ وَالْفِتْنَةُ أَكْبَرُ مِنَ الْقَِتْلِــ
‘আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিষ্কার করা, আল্লাহর নিকট বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফিতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহাপাপ।
وَالْفِتْنَةُ أَشَدُّ مِنَ الْقَتْلِ ـ
‘আর ফিতনা-ফাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ।’
উপরোক্ত আয়াতসমূহে ফিতনা-ফাসাদ তথা অরাজকতা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, বিশৃঙ্খলা, বোমাবাজি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা ইত্যাদি সুস্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে। ফিতনা-ফাসাদ, দাঙ্গা-হাঙ্গামা কিংবা জঙ্গিবাদকে হত্যার চেয়েও কঠিন ও গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। সুতরাং এ ধরনের অপরাধ হত্যার সমতুল্য। এ প্রসঙ্গে তাফসীর তাফহীমুল কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘‘নর হত্যা নিঃসন্দেহে একটি জঘন্য কাজ কিন্তু কোনো মানবগোষ্ঠী বা দল যখন জোরপূর্বক নিজের স্বৈরতান্ত্রিক ও যুল্মতান্ত্রিক চিন্তাধারা অন্যদের ওপর চাপিয়ে দেয়, সত্য গ্রহণ থেকে লোকদেরকে জোরপূর্বক বিরত রাখে এবং যুক্তির পরিবর্তে পাশবিক শক্তি প্রয়োগে জীবন গঠন ও সংশোধনের বৈধ ও ন্যায়সঙ্গত প্রচেষ্টার মুকাবিলা করতে শুরু করে তখন সে নরহত্যার চাইতেও জঘন্যতম অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়।
এছাড়া পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা আল্লাহ ঘোষণা করেন :
إِنَّمَا جَزَاء الَّذِيْنَ يُحَارِبُوْنَ اللّهَ وَرَسُوْلَهُ وَيَسْعَوْنَ فِى الأَرْضِ فَسَادًا أَنْ يُقَتَّلُوْا أَوْ يُصَلَّبُوْا أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيْهِمْ وَأَرْجُلُهُمْ مِّنْ خِلافٍ أَوْ يُنْفَوْا فِى الأَرْضِ ذَلِكَ لَهُمْ خِزْىٌ فِى الدُّنْيَا وَلَهُمْ فِى الآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيْمٌــ
‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং দেশে হাঙ্গামা করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলা হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা। আর আখিরাতে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।’
মানব হত্যা
জঙ্গিবাদীরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আরেকটি জঘন্য অপরাধ করে থাকে তা হলো মানব হত্যা। এটা বিভিন্নভাবে করে থাকে, গুপ্তভাবে, পেছন থেকে, বোমা মেরে কিংবা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দিয়ে। অথচ মানব জীবন মহান আল্লাহর নিকট অত্যন্ত সম্মানিত ও পবিত্র। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন :
وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِىْ آدَمَ وَحَمَلْنهُمْ فِىْ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ وَرَزَقْنهُمْ مِّنَ الطَّيِّبتِ وَفَضَّلْنهُمْ عَلَى كَثِيْرٍ مِّمَّنْ خَلَقْنَا تَفْضِيلاً
নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদেরকে স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি, তাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদেরকে অনেক সৃষ্ট বস্ত্তর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি
সেজন্য মহান আল্লাহ একজন মানবের জীবন সংহারকে সমগ্র মানবগোষ্ঠীর হত্যার সমতুল্য সাব্যস্ত করেছেন। মানব জীবনের নিরাপত্তার প্রতি ইসলাম যতটা গুরুত্ব দিয়েছে অন্য কোন ধর্মে বা মতাদর্শে এর নযির নেই। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন :
مِنْ أَجْلِ ذَلِكَ كَتَبْنَا عَلَى بَنِىْ إِسْرَائِيلَ أَنَّهُ مَنْ قَتَلَ نَفْسًا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِى الأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ النَّاسَ جَمِيْعًا وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيْعًاــ
‘এ কারণে আমি বনী ইসরাইলকে এরূপ লিখে দিয়ে ছিলাম যে, যে ব্যক্তি বিনা অপরাধে কিংবা ভূ-পৃষ্ঠে কোন গোলযোগ সৃষ্টি করা ছাড়াই কাউকে হত্যা করলো সে যেন সমগ্র মানবজাতিকেই হত্যা করলো আর যে ব্যক্তি কোন একজন মানুষের প্রাণ রক্ষা করলো, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকেই রক্ষা করলো।’
যে ব্যক্তি সংগত কারণ ছাড়া একজন মানুষকে হত্যা করে সে কেবল একজন মানুষকেই হত্যা করে না, বরং সে সমগ্র মানবতাকে হত্যা করে, অর্থাৎ সে একজন মানুষকে হত্যা করে এ কথাই প্রমাণ করলো যে তার মন-মানসিকতায়, চিন্তা-চেতনায় অন্য মানুষের প্রতি সামান্যতম সম্মান, মর্যাদাবোধ ও সহানুভূতির চিহ্ন নেই। সেজন্য মহান আল্লাহ সংগত কারণ ছাড়া মানব হত্যা যেভাবেই হোক না কেন নিষিদ্ধ করেছেন। নিম্নে এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন ও হাদীস হতে কয়েকটি উদ্ধৃতি দেয়া হলো। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন :
‘আল্লাহ যে প্রাণকে হারাম করেছেন তাকে ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া হত্যা করো না।’
ন্যায়সংগত কারণ তিনটি যা ইমাম আল বুখারী (র) ও ইমাম মুসলিম (র) আবদুল্লাহ ইবন মাসউদের (রা) রিওয়ায়াতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :
‘যে মুসলিম আল্লাহ এক এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল বলে সাক্ষ্য দেয়, তার রক্ত হালাল নয়, কিন্তু তিনটি কারণে তা হালাল হয়ে যায়।
(১) বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও সে যদি যিনা করে, তবে প্রস্তর বর্ষণে হত্যা করাই তার শরীয়তসম্মত শাস্তি।
(২) সে যদি অন্যায়ভাবে কোন মানুষকে হত্যা করে, তবে তার শাস্তি এই যে, কিসাস হিসেবে তাকে হত্যা করা হবে।
(৩) যে ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে, তার শাস্তিও হত্যা।’ (আলোচ্য হাদীসে এবং তৎসম্পর্কিত কুরআনের আয়াতে কিসাস নেয়ার অধিকার নিহত ব্যক্তির অভিভাবককে দেয়া হয়েছে। যদি তার রক্ত সম্পর্কিত কোন অভিভাবক না থাকে তাহলে ইসলামী রাষ্ট্রের সরকার প্রধান এ অধিকার পাবে। কারণ সরকারও একদিক দিয়ে সকল মুসলিমের অভিভাবক।)
কেউ কেউ ন্যায় সংগত হত্যার কারণ উপরোক্ত তিনটির সাথে আরো তিনটি বর্ণনা করেন : তাহলো-
(৪) জিহাদের ময়দানে সত্যদ্বীনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের হত্যা করা।
(৫) ডাকাতি অথবা রাজপথে রাহাজানি ইত্যাদি অপরাধের শাস্তি স্বরূপ হত্যা করা।
(৬) কোন ব্যক্তি যদি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে জঙ্গিপন্থা অবলম্বন, সন্ত্রাস ও অরাজকতা সৃষ্টি, জনজীবনে আতঙ্ক-অশান্তি সৃষ্টি করে এবং ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার পতন ঘটানোর চেষ্টা করে তাকে হত্যা করা।
তবে উপরোক্ত ছয়টি কারণ ছাড়া অন্য কোন কারণে মানুষকে হত্যা করা যায় না। কিন্তু এ সকল অবস্থায় মৃত্যু দন্ড কার্যকর করার অধিকার শুধু রাষ্ট্রীয় সরকার বা কর্তৃপক্ষের জন্য নির্ধারিত, অর্থাৎ আদালত রায় দেবে আর সরকার কর্তৃক নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারীরা তা বাস্তবায়ন করবে। জনগণকে কোন অবস্থাতেই আইন নিজ হাতে তুলে নেয়ার অধিকার দেয়া হয়নি। মহান আল্লাহ ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া মানব হত্যা নিষিদ্ধ সম্পর্কে আরো ঘোষণা করেন :
وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيْهَا وَغَضِبَ اللّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَه عَذَابًا عَظِيْمًاــ
‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুমিনকে হত্যা করবে, তার শাস্তি জাহান্নাম। সেখানেই সে স্থায়ীভাবে অবস্থান করবে। আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তার উপর অভিসম্পাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্ত্তত করে রাখবেন।’
وَالَّذِيْنَ لاَ يَدْعُوْنَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا اخَرَ وَلاَ يَقْتُلُوْنَ النَّفْسَ الَّتِىْ حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُوْنَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًاـــيُضعَفْ لَه الْعَذَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيْهِ مُهَانًا
‘এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের ইবাদাত করে না, আল্লাহ যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সংগত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করবে তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে। কিয়ামাতের দিন তাদের শাস্তি দ্বিগুণ হবে এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে।’
নিম্নে কয়েকটি হাদীস উল্লেখ করা হলো, যা সুস্পষ্টভাবে ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া মানব হত্যাকে সম্পূর্ণ নিষেধ করে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষণে ঘোষণা করেন :
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘হে লোক সকল! তোমাদের জান-মাল ও ইজ্জত-আবরুর উপর তোমাদের হস্তক্ষেপ হারাম করা হলো, তোমাদের আজকের এই দিন, এই (যিলহজ্জ) মাস এবং এই (মক্কা) নগরী যেমন পবিত্র ও সম্মানিত, অনুরূপভাবে উপরোক্ত জিনিসগুলোও সম্মানিত ও পবিত্র। সাবধান! আমার পর তোমরা পরস্পরের হন্তা হয়ে কাফিরদের দলভুক্ত হয়ে যেও না’
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘তোমরা সাতটি সর্বনাশা গুনাহ থেকে বিরত থাক। আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, যাদু করা, শরীয়াতের বিধিবর্হিভূত কোন অবৈধ হত্যাকান্ড ঘটানো, ইয়াতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, সুদ খাওয়া, যুদ্ধের ময়দান থেকে পালানো এবং সরলমতি সতী মু’মিন মহিলাদের ওপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া।’
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘যার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি : আল্লাহর নিকট (বিনা অপরাধে) কোন মু’মিনের হত্যাকান্ড সমগ্র পৃথিবীর ধ্বংস হয়ে যাওয়ার চেয়েও মারাত্মক ঘটনা।’
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘কোন মুসলিম ব্যক্তির নিহত হওয়ার তুলনায় সমগ্র পৃথিবীর পতন আল্লাহর দৃষ্টিতে অতি তুচ্ছ ব্যাপার।
ـــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘মুমিন যে পর্যন্ত অবৈধভাবে কাউকে হত্যা না করে, সে পর্যন্ত সে ইসলামের উদারতার সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে।’
আল কুরআনের উপরোক্ত আয়াত ও হাদীসমূহ ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া মানুষ হত্যাকে কোনভাবেই সমর্থন করে না, বরং সুস্পষ্টভাবে নিষেধ করে, অধিকন্তু ন্যায় সংগত হত্যার বিধান রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে, কোন দল বা গোষ্ঠীকে এই অধিকার দেয়া হয়নি। যারা এ ধরনের কাজ করবে তাদের পরিণাম হবে জাহান্নাম।
আত্মঘাতী হামলা বা সুইসাইড স্কোয়াড
জঙ্গিবাদীরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য অপর যে জঘন্য কর্মটি করে থাকে সেটা হলো আত্মঘাতী হামলা। আর এটি করে সাধারণতঃ সুই সাইড স্কোয়াড বা আত্মঘাতী দল গঠনের মাধ্যমে। কিছু সহজ-সরল সাদাসিধে মুসলিমকে জান্নাত পাবার লোভ, কিংবা অন্যান্য পুরস্কারের কথা বলে এ কাজে নিয়োজিত করে থাকে। অথচ মহান আল্লাহ যে ভাবে অপরকে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন, সেভাবে নিজের জীবনকেও ধ্বংস করতে নিষেধ করেছেন। আত্মহত্যা করতে বারণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনের কয়েকটি আয়াত ও হাদীস উদ্ধৃত করা হলো। মহান আল্লাহ ইরশাদ
করেন :
وَلاَ تُلْقُوْا بِأَيْدِيْكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِــ
‘তোমরা নিজেদের জীবনকে ধ্বংসের সম্মুখীন করো না।’
وَلاَ تَقْتُلُوْا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيْمًاــ
‘তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর দয়ালু।’
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘যে ব্যক্তি নিজেকে শ্বাসরুদ্ধ করবে (আত্মহত্যা করবে) সে জাহান্নামে নিজেকে শ্বাসরুদ্ধ করবে। আর যে নিজেকে আঘাত করবে (আত্মহত্যা করবে), সে জাহান্নামেও নিজেকে আঘাত করবে।’
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘যে ব্যক্তি পাহাড়ের ওপর থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামে বসেও সে অনবরত উচ্চ স্থান থেকে লাফিয়ে পড়তে থাকবে। আর যে ব্যক্তি বিষ পানে আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের মধ্যে বসেও সে অনন্তকাল ধরে বিষ পান করতে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কোন লোহার অস্ত্র দিয়ে নিজেকে হত্যা করবে, সে জাহান্নামের আগুনে বসে অনন্তকাল ধরে সেই অস্ত্র দিয়েই নিজেকে কোপাতে থাকবে।
ـ ‘তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি আহত হয়ে কষ্ট পাচ্ছিল। তাই সে এক খানা ছুরি দ্বারা নিজের দেহে আঘাত করলো। ফলে রক্তপাত হয়ে সে মারা গেল, তখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, আমার বান্দা আমাকে ডিংগিয়ে নিজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম।
مَنْ قَتَلَ ـــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‘যে ব্যক্তি কোন জিনিস দিয়ে নিজেকে হত্যা করবে, কিয়ামাতের দিনও তাকে সে জিনিস দ্বারা শাস্তি দেয়া হবে। কোন মু’মিনকে অভিশাপ দেয়া তাকে হত্যা করার শামিল, আর কোন মু’মিনকে কাফির বলা তাকে হত্যা করার শামিল।’
পবিত্র কুরআনের উপরোক্ত কয়েকটি আয়াত ও কয়েকটি হাদীসের আলোকে আমাদের কাছে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন অবস্থায় আত্মহত্যা করা যাবে না। আত্মঘাতী হামলা করে মানুষ হত্যা তো দূরের কথা, উপরোক্ত আলোচনায় আরো স্পষ্ট হয়, যারা এই অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হবে তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত।
জঙ্গিবাদ দমনে করণীয়
আমরা মনে করি জঙ্গিবাদ কোন বড় ধরনের সমস্যা নয়। গুটি কতেক ব্যক্তি এর সাথে জড়িত। এরা অসংগঠিত ও অপরিকল্পিত। যদি সদিচ্ছার সাথে কিছু সুষ্ঠু পরিকল্পনা নেয়া যায় তাহলে এ সমস্যাটি সহজে দূর করা যাবে বলে বিশ্বাস করি, নিম্নে এ লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাব পেশ করা হলো।
১. যে সকল মুসলিম দেশে জঙ্গিবাদ সমস্যা দেখা দিয়েছে তাদের শাসকদের বুঝতে হবে এটা ইসলাম বিদ্বেষী-পশ্চিমা শক্তি, ইয়াহুদী গোষ্ঠী ও তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র, মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি ও মুসলিমদের শক্তিকে দুর্বল করার জন্য তারা এ সমস্যা সৃষ্টি করেছে। অতএব, তাদের পাতা ফাঁদে পা দেয়া যাবে না।
২. পূর্বে আমরা উল্লেখ করেছি, এই জঙ্গিবাদের সাথে গুটি কয়েক বিভ্রান্ত মুসলিম জড়িত। এদেরকে হিদায়াতের জন্য আলিম-ওলামা, পীর-মাশায়েখদের সম্পৃক্ত করতে হবে। অর্থাৎ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে যে, জঙ্গিবাদ কোনক্রমেই ইসলামের পথ নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে জাহান্নামের পথ।
৩. যেহেতু জঙ্গিবাদের সাথে সত্যিকার ইসলাম পন্থিরা জড়িত নয়, তাই জঙ্গিবাদ দমনের জন্য মূলধারার ইসলামী শক্তি, ইসলামী দলগুলোর সহযোগিতা নিতে হবে, এবং তাদের সাথে পরামর্শ করে কর্মপন্থা ঠিক করতে হবে।
৪. দেশের লক্ষ লক্ষ মসজিদের ইমাম খতিবদের সহযোগিতা নিতে হবে, তারা যেন জুমার খুতবায় ও অন্যান্য সময়ে মসজিদগুলোতে জঙ্গিবাদের অশুভ পরিণতি সম্পর্কে সাধারণ মুসলিমদেরকে অবহিত করতে পারেন।
৫. মূলধারার ইসলামী শক্তি ও দলগুলোকে রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা করার উদ্দেশ্যে ইসলামী আদর্শ, মাদ্রাসা-মক্তবকে ঢালাওভাবে জঙ্গি আখড়া, জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র, তালেবান দুর্গ, মৌলবাদী অভয়ারণ্য বলার মত উসকানিমূলক বক্তব্য বন্ধ করতে হবে।
৬. জনগণকে সাথে নিয়ে এই জঙ্গিবাদ দমন করতে হবে। তাই জনগনের বিশ্বাস, ধর্ম-বিশ্বাস, তাদের লালিত মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যকে সম্মান করতে হবে। এ সবের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭. মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের শাসকদেরকে ইসলাম ও মুসলিমদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কোনক্রমে ইয়াহুদীবাদ, খৃস্টবাদ ও ব্রাহ্মণ্যবাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়া যাবে না। সে লক্ষ্যে এদের পরিবর্তে মুসলিম বিশ্ব ও সত্যিকার ইসলামপন্থিদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
8. ব্যক্তিগতভাবে আলিম-ওলামা, পীর-মাশায়েখরা জঙ্গীবাদ দমনে এগিয়ে আসতে পারেন। তাঁরা আলাপ-আলোচনা, ওয়াজ নসীহতের মাধ্যমে এর ক্ষতিকর ও ভয়াবহতা সম্পর্কে সর্ব সাধারণকে সতর্ক করতে পারেন।
9. তদরূপ বিভিন্ন ইসলামী ও অ-ইসলামী দল সংস্থা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করে এর ভয়াবহতা ও অনিষ্টকর দিকগুলো সম্পর্কে জন-সাধারণকে অভিহিত করতে পারেন।
উপসংহার
আমরা সকলে জানি, ইসলাম অর্থ শান্তি, নিরাপত্তা ও মহান আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পন করা। মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন মানবকুলের শান্তি, নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি, প্রগতি ও উন্নতির জন্য মনোনিত করেছেন ইসলাম ধর্মকে, অতএব একজন মুসলিম অপর মুসলিমের অশান্তি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ হতে পারে না। তাইতো একজন আরেক জনের সাথে দেখা হতেই ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে সম্বোধন করে। যার অর্থ ‘‘আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।’’ তাহলে কিভাবে সে অন্যকে অশান্তিতে ফেলে দেবে? অন্যের নিরাপত্তায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে? সুতরাং ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই। বিশ্বের এমনকি বাংলাদেশেরও কোন প্রতিষ্ঠিত ও স্বীকৃত ইসলামী দল বা প্রতিষ্ঠান কোন ধরনের জঙ্গিবাদী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নেই। শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিকভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় হাজার বছর অপেক্ষা করতে হলেও তা করা উচিত। জঙ্গিবাদী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দিয়ে একে তো দ্রুত ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা যাবে না, আর করা গেলেও তার কোন শুভ ফল আশা করা যায় না। এ কথা সর্বমহলে স্বীকৃত যে, ইসলাম তার অন্তর্নিহিত স্বকীয় বৈশিষ্ট্য, সম্প্রীতি, উদারতা ও পরমতসহিষ্ণুতার মাধ্যমে পৃথিবীময় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল, তরবারি, জঙ্গিবাদ কিংবা সন্ত্রাসের মাধ্যমে নয়। তবে নতুন গজিয়ে ওঠা কিছু গ্রুপ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দিচ্ছে। তারা জিহাদের নামে ইসলামের নামে বিভিন্ন অরাজকতামূলক কর্মকান্ড সংগঠিত করছে। অথচ এগুলোর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই, যা আমরা ইতিপূর্বে পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে বুঝতে পেরেছি। ইসলামের দৃষ্টিতে জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণ হারাম। বোমাবাজি, মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস, ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি ও আত্মঘাতী তৎপরতা ইত্যাদি ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যারা এগুলো করছে তারা বিভ্রান্ত, ইসলাম বিরোধীদের ক্রীড়নক। এদের চিহ্নিত করে প্রতিহত করা প্রয়োজন।


1 Comment

মুক্তির কথা

“গ্যাস নেই পানি নেই বিদ্যুৎ নেই, আওয়ামী লীগ ক্কমতায় গেলে দেশকে প্রভূ ভারতের পায়ে সপে দিবে” ইত্যাদি ইত্যাদি বলে বেজি ঘসেটি বেগম গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে করে বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। বিগত ৪ বছর আহা বেচারার উপর অনেক ধকল গিয়েছে। একদিকে স্বামীকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দেশবাসীকে প্রতারণা করার অপবাদ আর গ্লানি, অন্যদিকে দুটি ছেলে আর্মির ঠ্যাংগানি খেয়ে পঙ্গু প্রায় মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়েছে। দু’দিন আগে ভাইটাও মারা

sheikh hasina

sheikh hasina

গেলো। ফালুর সাথেও ইদানিং সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ওই দিকে পি আই এস আই’র শর্ত অনুযায়ী ৭২ এর সংবিধান পরিবরতন/পরিবর্ধন করে বাংলাদেশকে ইসলামিক রেপাবলিক অফ বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ব্যর্থ প্রয়াসও এখন কার্যকর হবার আর কোনই সম্ভাবনা রইলো না। তাঁর উপর হাটুতে বড় ছেলে তারেকের খাওয়া গুলি বলতে গেলে বেচারাকে পঙ্গুই করে দিয়েছে। প্রেসার তো আছেই তাঁর উপর স্কীন এলারজী, কতো কষ্টে আছে বেজি ঘসেটি বেগম ফালুদা জিয়া? বেচারা চিল্লাতে চিল্লাতে গলা ফাটিয়ে এখন চুপসে গেছেন। আর গলাবাজি চলেনা। দলের ছেলেগুলোও কেমন যেনো বেয়াদপ প্রকৃতির হয়ে গেছে। এইতো সেদিন জন্মভূমি ফেনিতে কি ন্যাক্ক্যারজনক ঘটনাটাইনা ঘটলো। দলীয় কোন্দল বেচারার নিজের সীটটাও বোধ করি আর রাখা সম্ভব হবেনা। কারন ওখানে আবার বাঘা বাঙ্গালী জয়নাল হাজারীকে আগামীতে আওয়ামী লীগ থেকে টিকেট দেবার একটা আভাসও ইদানিং সারা দেশ থেকে ভেসে আসছে। এবারে সেই ১২তম স্বামী জিয়ার দেশের বাড়ী বগুড়ার সীটটাই একমাত্র ভরসা। বাঙ্গালী আসলে বোকা, তারা ঘসেটি বেগমের ফিন ফিওনে শাড়ীর ফাকে ফাকে এখন আর মাংসপিণ্ড বা নাভি দেখে নেত্রীদের ভালোবাসেনা। ভালোবাসে দেশ ও জাতির মঙ্গল এবং উন্নয়ন দেখে। দেশের মানুষগুলো উপলব্ধি করতে পেরেছে সত্যিকারের দেশের উন্নয়ন কোন সরকারের আমলে হয়? বেচারার দলের সবই লুটপাট করে সেই ডঃ ফখরুদ্দীনের সময়কাল থেকেই জেলের বদ্ধ সেলে আর পালিয়ে দিন কাটাচ্ছে। বেজি ফালুদা জিয়া বুঝলেন অনেক দেরী করে “চির সত্যকে কখনোই মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায়না”।


Leave a comment

HUJI wants to Kill Hasina

It was 5.23 pm on 21st august 2004 when Awami League chief Sheikh Hasina was wrapping up a rally protesting Sylhet blasts. A wave of grenade attacks on her left at least 16 people killed and left around 200 persons critically injured including top Awami League leaders Abdur Razzak, Amir Hossain Amu, Suranjit Sengupta, Ivy Rahman and Kazi Zafarullah.
The party secretary on Women affairs Ivy Rahman died in the Hospital later in the day. The unknown assailants fired seven bullets at the bulletproof SUV that Hasina boarded immediately after the blast.
The unusually poor deployment of police at the rally and the absence of forces on nearby building rooftops are a remarkable deviation from the usual practice.
Motaher Hossain, general secretary of AL Krishak League said some people on the roof of Ramna hotel and adjacent building were throwing bombs. At least 13 grenades exploded one after another, and also who were present on the spot told a white Microbus carried of some injured person who were among the assailant and were wounded by their own bomb.
Blame game started at the very moment Hasina spoke out loud about government’s conspiracy to kill the remaining member of Bangabandhu Sheikh Mujiber Rahman’s remaining family members, BNP leaders hold back and Abdul Mannan Bhuiyan commented that they have blamed the government out of emotion. But soon BNP leaders changed their tone and started to blame AL for attacking their own rally, they argued AL had done it to destabilize the country and discredit the government only to grab the power.
Fiction and conspiracy theories were put forward by various columnists in the media. Pro Awami columnists blamed the fundamentalist forces and the right wing coalition government for this attack while pro BNP columnists blamed AL and pointed finger towards the country’s biggest neighbor India.
However most columnists inclined towards Awami league and left parties and leaders and activists of these parties discovered a pattern in the bomb blasts. In most cases secular forces and those who believe in culture, tradition and democratic values had been the target. The same group was behind the attack on Hasina’s rally.
Those pro BNP columnists pick up the same incident and argued Hasina was not the target of those assailants, if she were their target then why none of those grenades fall on the truck and also wrote thousand pages about AL’s possible motive behind this?
Some suspected it as a plot by international Muslim extremist groups; some pointed towards the association of ISI (Inter Services Intelligence); while Jamaat leader Matiur Rahman Nizami believes it is the work of “well known enemies of Islam” who masterminded, through various covert organizations, to carry out such brutal murders.
It became increasingly hard to dig out the truth from these fictions. With conspiracy theories you can use any piece of evidence to either prove or disprove your opinion and you can pick up any particular incident to strengthen your position. Truth has many faces but with conspiracy theory all you can achieve is a thousand shade of the truth and all these are equally probable and could be equally false.
In this present regime we have finally a charge sheet that clearly indicates Awami Leagues position is correct in this issue, RAB and other government intelligence agency finally concluded that Islamic militants are behind this attack and also a small fraction of BNP activists patronized this attack.
But is it the whole truth or only a facade? Lets look at the proceedings of the investigations.
To investigate 21st August 2004 bomb blast then BNP government first employed metropolitan police’s detective branch to investigate this incident, then this case was handed over to the criminal investigation department of Bangladesh Police. Five investigating officer under 3 officers in charge investigated this incident for over 4 years and they had submitted two charge sheet contradicting each other.
What is the progress in this case? When ever you ask this question to a law enforcement officer, a certain reply will be that “we are still investigating this matter. We had some lead but for the sake of this on going investigation we can not tell you anything.” Even after submitting charge sheet against 22 person in June 11, 2008 and acquitting all other person found guilty (on the first charge sheet presented by the CID), still the investigation has not been closed. So far we have 2 persons who claimed that they had actively participated in this failed assassination. On 26th June, 2005 Joj Miah from Noakhali confessed to police that for 5000 taka he carried out this attack under the order of Subrata Bain, a top terrorist. Subrata Bain and his group had close ties with some notorious AL leaders and they fled to India after alliance government took over the state in October 2001. He confessed to a magistrate that he had never seen any grenade before but Subrata Bain, Joy, Molla Masud ordered him to participate in this assassination. ASP of Police [CID] Abdur Rashid was the investigation officer then.
But the government were not satisfied with this finding so led by Munsi Atikur Rahman the investigation continued. The investigation found a paved path established by the coalition government.
So far we have two investigation reports, one of them was by Justice Jaynul Abedin, chairman of the one man investigation committee formed by the government to investigate 21st august grenade attack on Awami leagues rally. Awami League has rejected this report claiming it lacks neutrality. And another one was submitted by the Supreme Court Bar Association. According to Moudud Ahmed, who was Law minister at that time, claimed that this inquiry committee is illegal.
Jaynul Abedin’s investigation report:
Justice Jaynul Abedin had submitted his 162 pages manuscript of coalition governments collective story on 2nd October 2004. He was the member and chairman of one man inquiry committee formed by the government to investigate the grenade attack on Awami League rally on 21st august. On the eve of this submission those authorities in concern had invited journalist to give some insight of the report.
After scrutiny, critical and painstaking analysis, Jaynul Abedin did omit the possibility that coalition government and his ally, some extremist religious group and a part of Awami League was behind this heinous attack on Awami League activists.
But he did claim with certainty that a foreign intelligence agency actively participated in this event. They trained those assailants and equipped them with necessary ammunitions. He described this event on that informal press conference, “this incident is a naked attack on the independence and sovereignty of the country.”
Because Jaynul Abedin was a BNP activist in the past, Awami League questioned the neutrality of the investigation committee. Even though 123 people given their statement to this committee but that does not include Sheikh Hasina, who was the prime target of this massacre. Sheikh Hasina rejected the call for her statement.
In that one and half hour informal briefing on the report prior to its submission Jaynul concluded “the commission may not have received cooperation from all, which may have somewhat hindered the investigation, but the inquiry is in no way incomplete.”
Like any other investigation report submitted by any government formed investigation committee it also embraced the fate to remain unpublished till-to-date.
The Supreme Court Bar Association (SCBA) inquiry committee report:
On 22nd august, 2004, immediately after the grenade attack, The Supreme Court Bar Association formed an inquiry committee. Barrister Kamal Hossain was elected as the chairman of that committee and the other members of this committee were Rokonuddin Mahmud, Abdul Malek, Amir-ul-Islam, M Zahir and Muhammad Ayenuddin.
While Hasina wrapped up the rally, at that very moment a grenade went off loud and it was followed by at least 10 such explosions. Awami League leaders formed a human shield to cover Hasina from the splinter, they were injured in this process and soon after they escorted Hasina to her bullet proof SUV and Hasina left for Sudha Sadan, while on the move that SUV was attacked by bullets. Witnesses on their statement confirmed the SCBA inquiry committee that they had not seen any member of the law enforcing agency in action there.

After inspecting the place of occurrence on 27th august 2004 they went to Sudha Sadan, where Hasina assured the committee her full cooperation to find out the truth. Hasina’s security personal and her driver gave their statement to this committee and this committee also inspected the SUV.

Driver on his statement told the committee that he drove towards the east, then took a left turn and then he drove towards Sudha Sadan through zero point. But police officers deployed at the rally on 21st August on their statement said to inquiry committee, SUV carrying Sheikh Hasina away from that place drove westward, took a right turn, and then went to Sudha Sadan through zero point.

On 16th, 17th, 18th September the committee watched the video tape recorded by ATN, Channel I and NTV. On ATN video tape they saw a young man purposefully looking towards the multi storied Dhaka City Bhaban. Apart from this, on Channel I and NTV footage some suspicious incidents were seen by the committee members.

The inquiry committee sent two letters to Prime Minister Khaleda Zia, requesting her to extend cooperation for the inquiry and to direct the law enforcing agency to cooperate with them in interest of its work.

A letter was sent from the inquiry committee to IGP Shahudul Huq on 29 August 2004 requesting him to direct the police authorities to inform the inquiry committee of the number of persons who were deployed for maintaining the law and order in the public meeting on 21st August 2004 with the descriptions of their duties and locations.

After 3 weeks another letter was sent to him, requesting for his interview. The inquiry committee requested state minister of home affairs, but all of them turned down their request further more the law minister Moudud Ahmed on several occasion said that this inquiry committee had no legal basis and any report of any such illegal committee should not be recognized.

But the government did inform the SCBA inquiry committee that they had done every thing that is possible for them and sent a copy of the statement made by the State Minister for Home Affairs in the Parliament. In that speech the State Minister mentioned that the police made all out efforts to identify the culprits immediately after the incident and within 24 hours a Judicial Inquiry Commission was constituted with a judge of the Supreme Court as the sole Member. He also mentioned that the Government also arranged for an “international” inquiry into the 21st August incident side by side with Bangladesh police investigation and in response to the Government invitation 3 (three) teams from Interpol visited Bangladesh and helped the inquiry. Besides this, the government had also taken cooperation of FBI of USA.

The SCBA inquiry committee made repeated requests at the highest levels of the government for obtaining copies of reports of earlier bomb-blasts, the report of the ‘judicial inquiry’ into the 21 August, 2004 constituted by the Government, and other documents and information, but such requests have till-to-date were turned down.

The Supreme Court Bar Association (SCBA) inquiry committee concluded it was a pre-planned attack, carried out on the basis of a carefully prepared plan, targeting Sheikh Hasina and other leaders and persons attending the rally. The firing of the bullets and grenades on the vehicle by which she was leaving the place of occurrence, confirms that she was the target.

The committee urged government to publish all reports of investigation within one month or else public may lead to believe attempt on Sheikh Hasina’s life was to some extent was patronized by this government.

The alleged HUJI rage against Awami League:

Some columnists claimed in the media that the AL government, after assuming power in 1996 barred Islamic scholars from issuing fatwa’s through a High Court order. The government also came on strong against the right wing protesters and arrested hundreds across the country. This had angered HUJI.

Mufti Abdul Hannan, the operative commander of the banned Harkatul Jihad-al-Islami revealed on 19th November 2006.

“I masterminded all grenade attacks across the country excepting the August 21, 2004 gruesome attack on the AL rally, and three people financed the outfit for carrying out the attacks”

Hannan gave another detailed statement on 1st November 2007:

“Kajol was given the responsibility to collect funds and grenades for the attack. They decided that 12 persons would carry out the attack and Kajol and Abu Jandal would select the commanders of the operation. It was decided that Kajol and Jandal brief the attackers about their positions and Jandal would throw the first grenade after getting instruction from Sayeed. The others would throw their grenades at around the same time. Hannan said the attackers targeted the truck and left the spot individually after the operation.”

However question remains as why HUJI chose to attack Hasina after all those years and during the period when there was a row of political killings of Awami League leaders (Kibria, Ahsan Master etc.) were happening. HUJI members were used but who masterminded the attack?

The BNP connection:

In January 2008, former deputy minister for information of the BNP government Abdus Salam Pintu was arrested for his involvement with the grenade attacks on Awami League rally on August 21 in 2004. He was arrested on the basis of confessional statement made earlier by detained Mufti Hannan who claimed that the attack on the AL rally was planned at the official residence of the former Deputy Minister. Hannan said that Pintu was present at the meeting and later supplied the grenades.

He made startling disclosure to interrogators about the involvement of former State Minister of Home Lutfuzzaman Babar and ‘Hawa Bhaban’ in the grenade attacks. From The New Nation:

“The CID officer said they were certain after the arrest of Mufti Hannan and Pintu that the attack on the AL rally had been aided and abetted by Lutfuzzaman Babar and the Hawa Bhaban.

“To hide the truth, former investigation officer Ruhul Amin, a CID officer, had gone to Pintu’s house several times,” he said, and added, “former State Minister of Home Babar was involved in the entire process and Pintu would regularly inquire with him about the progress.”

Pintu’s counsel Advocate Sanaullah Mia, however, told : “He was implicated only because his cousin Maulana Tajul Islam, a militant leader and an accused in the grenade attack case, had visited his house when Pintu was a Minister,”

HUJI is the culprit but who used them and why?

On June 11, 2008 charges were finally made against 22 persons including top Harkat-ul-Jihad (Huji) leader Mufti Abdul Hannan and BNP leader and former deputy minister Abdus Salam Pintu. Newspaper reports say:

“CID Chief Additional Inspector General Jabed Patwari said HUJI top leaders planned and carried out the attacks to kill Hasina as a few arrested attackers said in their confessional statements that Hasina would harm Islam if she was alive and came to power again.

BNP leader Pintu is not involved with Huji but he has been charged since the attackers had held two meetings at his residence to take decision about the attack.”

But the question remains whether HUJI tried to kill Hasina on their own or it was a political assassination plot linked by BNP to take out the opposition. Like every other political massacre the 21st August grenade attack on Hasina has no clear motive whatsoever and after 4 years of investigation we are not certain whether those who were behind this ghastly attack have finally been exposed. Will we be able to know the trut

Rasel Pervez, prominent blogger in Bangla blog sphere who is famous for his political analysis. Mr, Rasel Pervez completed his MS on Physics from the US and awaiting PHD.

One Response to HUJI tried to kill Sheikh Hasina: Conspiracy Theory Or Truth?

Khondkar Abdus Saleque on November 20, 2008 at 6:45 pm

Why always Sheikh Hasina an progressive force like Kazi Aref,Udichi,Ramna Batomul,Progressive Journalists of Khulna( Humayun Kabir,an Others),Poet Shasur Rahman ,Dr Humayun Azad and others were target of terrorists?Why no one of so called nationalist or self styled Islamic force came under attacks of terrorists? What does this mean? These terrorists act as agents of identified beneficiaries to make the politics clean of progressive patriotic democratic forces to serve the interest of the so called nationalists.Bangla Bhai wanted to talk with Journalists before execution to tell the truth but was not allowed.If he could talk he woul definitely have exposed many involve in making him big.In Bangladesh politics of killings will never be over until all killings are fairly an openly tried.
The trial of 21 August grenade attack must be held properlyto punish the real criminals, sponsors and mastermind.Such organised crime can not happen in the heart of the capital city in the broa day light without knowledge and active support of the party in power.People say Ziaur Rahman ha moral support to August 15,1975 mid night massacare .No one shoul be surprised if Babar, Hawa Bhaban and intelligence agencies were actively behind August 21 carnage on Hasina meeting.History will reveal someday.


Leave a comment

Sheikh Hasina has urged new generations

Prime minister Sheikh Hasina has urged new generations to excel in the use of information and communication technology to help build Bangladesh free of poverty and unemployment.
“Our aim is to get our new generations used to tapping technology,” Sheikh Hasina said, inaugurating a convention of ICT-related experts of Asia, ‘E-Asia 2011’ at Bangabandhu International Convention Centre in Dhaka on Thursday.

She added that if the young generation receives proper education on information technology, it will play a role in creating jobs at home and abroad.

Hasina said ‘Digital Bangladesh’ is part of the electoral manifesto of her Awami League party, which aims to fully digitalise the nation by 2021 through application of information and communication technology. “We are working tirelessly to ensure technologies for all.”

She said that as a step towards digitalising Bangladesh, her government has made mobile phones available and established 1,600 multimedia classrooms and almost 3,000 IT labs across the country.

“We have digitalised the primary and secondary textbooks and are planning to establish multimedia classrooms in another 20,000 educational institutions.” The prime minister referred to the establishment of mobile IT labs in the remote areas and introduction of solar energy in areas without electricity. “The government has taken initiatives towards introducing 3G mobile services.”

Citing digital services like e-information centres in upazilas and mobile banking, she said, “”I believe that we will not have to wait until 2021. We can make our Bangladesh digital before that.”
State minister for ICT Yeafesh Osman said, “If only we work together under the leadership of the daughter of the Father of the Nation, it will be possible for us to build a digital Bangladesh.
Advisor to the state minister for ICT, Sajeeb Ahmed Wazed said, “Like India, we can transform Bangladesh into an information technology hub. We believe we can do much in a short time.”
“Every ministry of the government will be brought under E-governance,” added Sajeeb, the son of Hasina.
“There will be no shortage of electricity in Bangladesh within 2013,” he added.

Indian research organisation Centre for Development and Media Studies (CSDMS) is the key organizer of the event. Bangladesh Computer Council and the Ministry for Science and Information and Communication Technology are sponsoring the event.

It has been possible to host the fair in Bangladesh thanks to the leadership of Sheikh Hasina, the CSDMS representative M P Narayan said.

The slogan for this year’s convention is ‘Realizing digital nation’.

The state minister for ICT had announced on Nov 30 that 30 seminars and workshops would be held during the event. Malaysia, Sri Lanka, Japan, Thailand and Holland’s pavilions would also be set up, besides Bangladeshi pavilions, at the venue as part of the exhibition.

The best IT contributions from Asia will be awarded on the second day of the event, it was announced.
Besides the convention, an IT fair will run from 10am to 8pm every day through to Saturday. The entry fee is Tk 10 but students can get in for free, the organizers’ said.

The first E- Asia convention was held in Bangkok in 2006, twice in Malaysia and once in Sri Lanka. The event was scheduled to be held last year in the Philippines but was postponed due to political uncertainty.


2 Comments

The Formation of an Independent Bangladesh

The Formation of an Independent Bangladesh--.jpg3

What is now called Bangladesh is part of the historic region of Bengal, the northeast portion of the Indian subcontinent. Bangladesh consists primarily of East Bengal (West Bengal is part of India and its people are primarily Hindu) plus the Sylhet district of the Indian state of Assam.

West Pakistan and East Pakistan were united by religion (Islam), but their peoples were separated by culture, physical features, and 1,000 miles of Indian Territory.

The Formation of an Independent Bangladesh

Tension between East and West Pakistan existed from the outset because of their vast geographic, economic, and cultural differences. East Pakistan’s Awami League, a political party founded by the Bengali nationalist Sheik Mujibur Rahman in 1949, sought independence from West Pakistan. Although 56% of the population resided in East Pakistan, the West held the lion’s share of political and economic power. In 1970, East Pakistanis secured a majority of the seats in the national assembly. President Yahya Khan postponed the opening of the national assembly in an attempt to circumvent East Pakistan’s demand for greater autonomy. As a consequence, East Pakistan seceded and the independent state of Bangladesh, or Bengali nation, was proclaimed on March 26, 1971. Civil war broke out, and with the help of Indian troops in the last few weeks of the war, East Pakistan defeated West Pakistan on Dec. 16, 1971. An estimated one million Bengalis were killed in the fighting or later slaughtered. Ten million more took refuge in India. In Feb. 1974, Pakistan agreed to recognize the independent state of Bangladesh.

Founding president Sheikh Mujibur Rahman was assassinated in 1975, as was the next president, Zia ur-Rahman. On March 24, 1982, Gen. Hossain Mohammad Ershad, army chief of staff, took control in a bloodless coup but was forced to resign on Dec. 6, 1990, amid violent protests and numerous allegations of corruption. A succession of prime ministers governed in the 1990s, including Khaleda Zia, wife of the assassinated president Zia ur-Rahman, and Sheikh Hasina Wazed, the daughter of Sheik Mujibur.

Prime Minister Sheikh Hasina completed her five-year term as prime minister in July 2000—the first leader to do so since the country gained independence from Pakistan in 1974. In Oct. 2001 elections, Khaleda Zia again won the prime ministership and finally after seven years Sk. Hasina Wajed won the Prime Ministership once again in December, 2008.---

West Pakistan and East Pakistan were united by religion (Islam), but their peoples were separated by culture, physical features, and 1,000 miles of Indian Territory. East Pakistan’s Awami League, a political party founded by the Bengali nationalist Sheik Mujibur Rahman in 1949, sought independence from West Pakistan. Although 56% of the population resided in East Pakistan, the West held the lion’s share of political and economic power. In 1970, East Pakistanis secured a majority of the seats in the national assembly. President Yahya Khan postponed the opening of the national assembly in an attempt to circumvent East Pakistan’s demand for greater autonomy. As a consequence, East Pakistan seceded and the independent state of Bangladesh, or Bengali nation, was proclaimed on March 26, 1971.  An estimated 3 million Bengalis were killed in the fighting or later slaughtered & ten thousands of women were raped by the Pakistani Army & their corroborators. Ten million more took refuge in India. In Feb. 1974, Pakistan agreed to recognize the independent state of Bangladesh._-


Leave a comment

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সকল বির্তকের উর্ধ্বে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সকল বির্তকের উর্ধ্বে ।আসুন এই অবিনাশী চেতনায় সকলে ঐক্যবদ্ধ হই, রুখে দাড়াই সকল অপকর্ম, দুর্নীতি, কুটকৌশল, কুসংস্কার, হীন ও দৈন্যতার বিরুদ্ধে, ঐক্যবদ্ধভাবে গড়ে তুলি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ। যেখানে থাকবেনা দারিদ্র্যতার হিংস্র থাবা, থাকবে না মানুষে মানুষে ভেদাভেদ, হিংসা বিদ্বেষ,ভাইয়ে ভাইয়ে হানাহানি, পরনিন্দা, পরচর্চার হীন মনোবৃত্তি । থাকবে না ক্ষমতা দখলের জন্যে সেনাবাহিনীর কামানের হুংকার, থাকবে না অস্ত্রের ঝনঝনানি, থাকবে না ক্ষমতার লোভ লালসা, থাকবে না স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে প্রভূর হাতে সমর্পণের হীন চক্রান্ত। থাকবে না ধর্মের নামে জঙ্গিবাদের অবাধ লীলা খেলা।


Leave a comment

15 August, The Mourning day of Bangladesh

Bangabondhu, Bangladesh and our independence have very closed relation. Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman had one of the great nationalizes leader in the world. Bangabondhu (http://www.humanrightstoday.info/?p=714) was the pioneer and architect of independent Bangladesh and its sovereignty. His political prudence, indomitable courage, eloquence and powerful leadership motivated the countrymen to join in the war of liberation. 

Bangabondhu proclaimed independence on March 26 in 1971 and the people dived into nine months long bloody battle and achieved the long desired sweetest freedom, He also gave restless effort to represent an esteemed Bangalee nation on the world stage. His golden-etched name will remain in the history of Bangalees and Bangladesh forever. But our nation has been waiting from 34 years for justice his brutal murders.

August 15 in 1975 is a black-chapter in the history of Bangalee nation. Bangabondhu and his family members were ruthlessly murdered by anti liberation force and with the help of army member in this day. And the nation incurred an irretrievable loss. The nation is deeply shocked and full with grief for this shameful incident. Now, Prime Minister Sheikh Hasina, the daughter of Bangabondhu is the main target by killer’s group especially Islamic militant group.

The country today observes National Mourning Day on the 34th death anniversary of Father of the Nation Bangabondhu, with a vow to implement the longstanding High Court verdict in the case in connection with his murder. The day is a public holiday. The government chalked out nationwide programmes to observe the day at the state level. Prime Minister Sheikh Hasina (she is a daughter of Bangabondhu), will visit her father’s grave at Tungipara under Gopalgonj district today. Along with ruling Awami League (AL), different political parties, and student and socio-cultural organizations also planned programmes to mourn the killings of Bangabondhu and most of his family members on this day in 1975. Three separate attacks on this day 34 years ago left 24 people killed. Bangabandhu’s two daughters — Sheikh Hasina and Sheikh Rehana — could escape the bloodbath as they were abroad at the time. The victims also including wife of Bangabondhu Begum Fazilatunnesa Mujib, sons Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and nine-year-old Sheikh Russell, daughters-in-law Sultana Kamal and Parveen Jamal, brother Sheikh Naser, nephew Sheikh Fazlul Huq Moni and his wife Begum Arju Moni, brother-in-law Abdur Rab Serniabat, 13-year-old Baby Serniabat, Serniabat’s son Arif and four-year-old grandson Babu, three guests, Bangabondhu’s four domestic helps, and his security chief Col Jamil Uddin Ahmed.

Bangabondhu united the Bangalees to throw off the shackles of Pakistani oppression and steered them towards independence. His stirring speech on March 7, 1971, before a crowd of lakhs ready to stake everything for freedom, left an indelible imprint on the nation’s memory. For 21 long years, his killers had been immune from prosecution due to the Indemnity Ordinance, which was finally repealed in 1996, paving the way for trials of the killers. A murder case was filed on October 2, 1996. In November 1998, a trial court awarded death penalty to 15 former army officers for killing Bangabondhu and his family members. The High Court (HC) upheld the death sentences of 12. Five of the condemned — dismissed army personnel Lt Col Syed Farooq-ur Rahman, Lt Col Sultan Shahriar Rashid Khan, Lt Col Muhiuddin Ahmed, Maj AKM Mahiuddin Ahmed, and Maj Bazlul Huda — are behind bars while six are hiding abroad. Another condemned Aziz Pasha died. The five condemned convicts filed separate appeals with the Appellate Division of Supreme Court in the last week of October 2007 against their death sentences pronounced by the HC.Law Minister Shafique Ahmed recently told journalists that hearings of the appeals will start soon as there is no shortage of judges in the Supreme Court now. The condemned six still at large are Shariful Haque Dalim, AKM Mahiuddin, Rashed Chowdhury, Nur Chowdhury, Abdul Mazed, and Moslemuddin.

In the daily Star published a special report on 15 August of 1975. The report says. Islamic radicalism, menacing the nation for years now, was something India and the United States learnt to dread soon after the assassination of Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman. Documents lately declassified by the US Office of the Historian show the apprehension had its roots in the perception that Bangabondhu’s killers–all military officers–were “pro-US, anti-Soviet Union, Islamic, and less pro-Indian than the past leadership”.

The August 15 bloodbath in 1975 left Mujib and most of his family butchered and his party in total disarray. It led to the assumption that Pakistan would regain its sway on the nation it sought to subdue only a few years back. In the context of the cold war dynamics, India and the US were also concerned that China, which recognized Bangladesh only after August 1975, might help radical communist elements thrive in the delta sliding into militocracy. All these worries were reflected in a conversation between the then US secretary of state Henry Kissinger and Indian external minister YB Chavan.

The US Office of the Historian, which is responsible for preparation and publication of the official historical documentary record of American foreign policy, has transcript of the conversation that took place at the US Department of State on October 6, 1975. There, the discussion related to the developments in Bangladesh goes like this:

YB Chavan: The new president [Khandaker Mushtaque Ahmed] has sent us assurances that he was standing by the same policy but we are concerned, in particular, whether the new government will take an extreme Islamic posture. This would create problems for the minority in Bangladesh. If the Hindus again feel insecure, there might be a new wave of refugees. Kissinger: Is there a large minority group in Bangladesh? Chavan: About 15%. It is a major factor. So far the new government (after Mujib killing) has given assurances it would follow the same policy as Mujib, but we are naturally worried about the influence of Pakistan on Bangladesh. Kissinger: What is your impression? Chavan: They have just announced diplomatic relations. This is a good thing. Even under Mujib we recommended this. We never wanted an exclusive relationship with Bangladesh. Our worry is only this: That they might try to give a different connotation to the situation by giving an Islamic twist to things. Also the Chinese recognized [Bangladesh] only after the coup. Frankly, we are worried. There are radical communist elements in Bangladesh which the Chinese might try to help. Here we hope the US and India will have a common approach.

After a while, Kissinger asked his Indian counterpart, “What is the tendency of the [Bangladesh] military? Is it anti-Indian?” Chavan replied, “Frankly, there is some anti-Indian tendency, I am sorry to say.” At this point, Kewal Singh, the then secretary of Indian external affairs ministry, chipped in, “Some people hostile to Mujib were brought back. We don’t want to give the impression we are concerned but pro-Islamic and pro-radical groups have some strength.”

Chavan and Kissinger met the following day as well and talked about Bangladesh. Almost immediately they got down to serious talking about political ramifications of the August 15 coup d’état. Yet again, the Indian minister said, “We are worried about Bangladesh. Radical movements are already there. If Pakistan and China converse their efforts, this could pose a problem. This would be a new factor in South Asia which needs assessment.” The secretary of state said, “Previously, the Chinese were opposed to Bangladesh. They were not among Mujib’s admirers.” As he asked if India had any advance indication of the coup, his opposite number replied, “None.”

Kissinger then observed, “People are always complaining that we don’t know about things in advance…They should realize that any coup that succeeds must have fooled someone. Mujib just couldn’t have imagined that anyone would organize a coup against him. As I understand it, your relations with Bangladesh are now good. What you are concerned about is a future possibility.”

TN Kaul, the then Indian ambassador to the US, added, “The danger is Pan Islamism.” At one point, Kissinger said, “The real worry would be if countries with resources like Saudi Arabia get radical leaders. Then there would be trouble.” Kaul said, “One reason why we banned the Jamaat Islami and RSS is that these parties were getting money from the outside.” The Kissinger-Chavan meeting gives an impression that none of the two countries had prior knowledge of the military takeover.

But the US state department’s documents suggest quite the contrary. They show that like India, the US had gathered that something sinister was brewing, and it had even informed Bangabondhu about it. Minutes of a staff meeting headed by Kissinger after August 15, show that the US was well aware of the plot. There, Kissinger was heard enquiring Alfred Atherton Jr., assistant secretary of state for Near Eastern and South Asian affairs in 1974-1978, about the assassination. Atherton said the US had lots of indications in March that some quarters were scheming to kill Mujib. Kissinger asked, “Didn’t we tell him [Mujib] about it?” The assistant secretary of state said, “We told him at the time.” As his boss pressed to know if Bangabondhu was told who it was going to be, Atherton answered, “I will have to check whether we gave him the names.” At that point, Hyland of Bureau of Intelligence and Research said, “We were a little imprecise on that.”

Referring to the US alerting Bangabondhu to the danger of an attack on him, Atherton said, “He [Mujib] brushed it off, scoffed at it, and said nobody would do a thing like that to him.” Kissinger remarked, “He was one of the world’s prize fools.” Talking about the coup leaders, Atherton said, “They are military officers, middle and senior officers, who are generally considered less pro-Indian than the past leadership; pro-US, anti-Soviet.” The secretary of state responded, “Absolutely inevitable.” And Atherton went on, “Islamic. They have changed the name to the Islamic Republic” Kissinger said, “That they would be pro-US was not inevitable. In fact, I would have thought at some turn of the wheel they were going to become pro-Chinese, and anti-Indian I firmly expected. I always knew India would rue the day that they made Bangladesh independent. I predicted that since ’71.”

Major Dalim, one of the on-the-run convicted killers of Bangabondhu, in a radio announcement soon after the killings declared the country would now be named “Islamic Republic of Bangladesh”. The declaration which eventually did not materialise was a complete contrast to the secular ideals that stirred Bangalees to fight for independence from “Islamic Republic of Pakistan” in 1971.

Though the republic’s name was spared a change, its constitution soon lost secular character. The original charter saw secularism dropped as one of its four fundamental principles. It also had ‘Bismillahir Rahmanir Rahim’ in the preamble.

Even more alarming was the scrapping of the ban on religion-based political parties. During the rule of Ziaur Rahman, five parties including Jamaat-e-Islami, which collaborated with the Pakistani occupation forces and committed genocide and numerous atrocities during the Liberation War, were allowed to be in politics again. The government of independent Bangladesh in its first decision banned these parties that always oppose the nation’s independence and thrive on communal disturbances. In the early 80s, the country’s second military ruler HM Ershad introduced Islam as state religion, dealing a death blow to secularism.

The rise of Islamist militancy, once a fear, is a reality now, 34 years after the August 15 carnage. During the BNP-Jamaat-led rule in 2001-2006, Islamist outfits spread tentacles across the country thanks to patronage from some influential leaders of the ruling alliance. Though the BNP government woke up to the dangers of militancy towards the end of its tenure, it was too little too late. Now the task lies with Awami League-led grand alliance that came to power on promises that include the one to root out militancy. And at the centre stage in the combat against militancy is Prime Minister Sheikh Hasina, who herself had been the target of several attacks.

Now the peoples of Bangladesh have don’t want to bother any late to execute the killers of Bangabondhu. In the same time we want to see immediately the constitution of 1972 which was made after our independence. We want to see to our loving country Bangladesh as an actual democratic country, there will have rule of law, good governance, enough food for our poor peoples, nutrition for all children’s, there have no discrimination. Source: the daily Star & BD You can agree or disagree with his political philosophy, but even his enemies have no doubt about the patriotism of this man: Sheikh Mujibur Rahman, the founding father of Bangladesh. He spent most of his life fighting against the injustice bestowed upon Bangalees, first by the British, and then by the Pakistani Panjabi military/civil junta. After the mass uprising of 1969, he was given the title “Bangabandhu”, means “Friend of Bengal”. He is largely known as Bangabandhu among the millions of Bangalees.History of Bangladesh is largely interconnected with the life of Bangabandhu. He was a young political activist during the British rule. He was active in every political event of then East Bengal/East Pakistan: the Language Movement of 1952, Jukta Front election of 1954, Student Movement of 1962, 6-Point Demand of 1966, Mass Uprising of 1969, and finally Bangladesh Liberation War of 1971 against the Pakistanis. He was imprisoned more than a decade during the 24-years of Pakistani rule.What the Pakistanis could not do, some corrupt military officers were able to do so in our own soil. They killed Bangabandhu along with most of his extended family in August 15, 1975, just after 3 and 1/2 years of independence. Two of his daughters, Shiekh Hasina and Sheikh Rehana, survived. In November 4, 1975, they killed 4 national leaders, cornerstone of our Liberation War: Syed Nazrul Islam, Taz Uddin Ahmed, Captain Mansoor Ali, and Kamrujjaman. Without a doubt, Bangabandhu is the greatest Bangalee of our known history. He gave us a nation, a new country, a new identity. Even today, he is more powerful as dead than anyone of us alive. Credits:All of the pictures and information in this book is contained in the book JATIR JANAK Father of the Nation, publised by Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Memorial Trust, Road 32, Dhanmondhi R/A, Dhaka-1209. This book was published in August 1, 1997 and available in Muktizuddha Jadughar, Dhaka

The murderers of Bangabandhu should be bringing back.

Bangabandhu” Sheikh Mujibur Rahman: A Political Profile

1920

Sheikh Mujibur Rahman was born in a respectable Muslim family on 17 March 1920, in Tungipara village under the then Gopalganj subdivision (at present district) of Faridpur district .He was the third child among the four daughters and two sons of Sheikh Luthfur Rahman and Sheikh Sahara Khatun. His parents called him Khoka out of affection. Bangabandhu spent his childhood in Tungipara.

1927
At the age of seven, Bangabandhu began his shooling at Gimadanga Primary school. At nine, he was admitted to class three at Gopalganj Public School. Subsequently, he was transferred to a local Missionary School.

1934
Bangabandhu was forced to go for a break of study when, at the age of fourteen, one of his eyes had to be operated on.

1937
Bangabandhu returned to school after break of four years caused by the severity of an eye operation.

1938
At eighteen Mujib married Begum Fazilatunnesa.They later became the parents of two daughters, Sheikh Hasina and Sheikh Rehana and three sons, Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and Sheikh Rassel. All the sons were to be killed along with their parents on 15 August, 1975.

1939
Bangabandhu’s political career was effectively inaugurated while he was a student of Gopalganj Missionary School. He led a group of students to demand that cracked roof of the school be repaired when ‘Sher-e-Bangla’ A.K. Fazlul Haque, Chief Minister of undivided Bengal, came to visit the school along with Huseyn Shaheed Suhrawardy.
1940
Sheikh Mujib joined the Nikhil Bharat Muslim Chathra Federation (All India Muslim Students Federation). He was elected councillor for a one year term.

1942
Sheikh mujibur Rahman passed the Entrance (Corrently Secondary School Certificate) examination. He then took admission as an intermidiate student in the Humanities faculty of Calcutta Islamia College, where he had lodgins at Baker Hostel. The same year Bangabandhu got actively involved with the movement for the creation of Pakistan.
1943
Sheikh Mujib’s busy and active political career took off in the literal sense with his election as a Councillor of the Muslim League.

1944
Bangabandhu took part in the conference of All Bengal Muslim Students League held in Kushtia, where he played an important role. He was also elected Secretary of Faridpur District Association, a Calcutta-based organisation of the residents of Faridpur.

1946
Sheikh Mujib was elected General Secretary of Islamia College Students Union.

1947
Bangbandhu obtained Bachelor of Arts degree from Islamia College under Calcutta Universiy. When communal riots broke out in the wake of the partition of India and the birth of Pakistan, Bangabandhu played a pioneering role in protecting Muslims and trying to contain the violence.

1949
Bangabandhu took admission in the Law department of Dhaka University. He founded Muslim Students League on 4 January. He rose in spontaneous protest on 23 February when Prime Minister Khwaja Najimuddin in his speech at the Legislative Assembly declared: “The people of East Pakistan will accept Urdhu as their state language.” Khwaja Najimuddin’s remarks touched off a storm of protest across the country. Sheikh Mujib immediately plunged into hectic activities to build a strong movement against the Muslim League’s premediated, heinous design to make Urdhu the only state language of Pakistan. He established contacts with students and political leaders. On 2 March, a meeting of the workers of different political parties was held to chart the course of the movement against the Muslim League on the language issue. The meeting held at Fazlul Haq Hall approved a resolution placed by Bangabandhu to form an All-party State League Action Council. The Action Council called for a general strike on 11 March to register its protest against the conspiracy of Muslim League against Bangla. On 11 March, Bangabandhu was arrested along with some colleagues while they were holding a demonstration in front of the Secretariat building. The student community of the country rose in protest folloing the arrest of Bangabandhu. In the face of strong student movement, Muslim League government was forced to release Bangabandhu and other students leaders on 15 March. Following his release, the All-party State Language Action Council held a public rally at Dhaka University Amtala on 16 March. Bangabandhu presided over the rally, which was soon set upon by the police. To protest the police action Bangabandhu announced a countrywide student strike for 17 March. Later, on 19 May, Bangabandhu led a movement in support of Dhaka University Class Four employees struggling to redress the injustice done to them by their employers. Mujib was arrested again on 11 September.
1948
Sheikh Mujib was released from jail on 21 January. Bangabandhu extended his support to a strike called by the Class Four employees of Dhaka University to press home their various demands. The university authorities illogically imposed a fine on him for leading the movement of the employees. He rejected the unjust order. Eventually, the Anti-Muslim League candidate Shamsul Huq won by-election in Tangailon 26 April . Mujib was arrested for staging a sit-in strike before the Vice-Chancellor’s residence. When the East Pakistan Awami Muslim League was formed on 23 June, Bangabandhu was elected its Joint Secretary despite his incarceration. He was released in late June. Immediately after his release, he began organising an agitation against the prevailing food crisis.In September he was detained for violating Section 144. Later, however, he was freed. He raised the demand for Chief Minister Nurul Amin’s resignation at a meeting of the Awami Muslim League in October. The Awami Muslim League brought out an anti-famine procession in Dhaka on the occasion of Pakistan’s Prime Minister Liaquat Ali Khan’s visit to the province. Once again Bangabandhu was arrested and jailed, this time for two years and five months for leading the demonstration.
1952
On 26 January, Khwaja Najimuddin declare that Urdhu would be the state language of Pakistan. Though still in jail, Bangabandhu managed to play a leading role in organizing a protest against this announcement. From prison he sent out a call to the State Language Action Council to observe 21 February as Demand Day for releasing political prisoners and making Bangla the state language. He began a hunger strike on 14 February. On 21 February the student community violated Section 144 and brought out procession in Dhaka to demand the recognition of Bangla as the state language. Police opened fire, killing in the process Salam, Barkat, Rafiq, Jabbar, and Shafiur, who thus became martyrs of the Language Movement. In a statement from jail, Bangabandhu condemned the police firing and registered his strong protest. He was on hunger strike for 13 consecutive days. He was moved from Dhaka Central Jail to Faridpur Jail to prevent him from making contact with the organizers of the movement. He was released from jail on 26 February.

1953
On 9 July, Mujib was elected General Secretary of East Pakistan Awami League at its council session. Efforts were made to forge unity among Moulana Bhashani, A.K.Fazlul Huq and Shaheed Suhrawardy with the objective of taking on the Muslim League at the general elections. To achieve this goal, a special council session of the party was called on 14 November, when a resolution to form the Juktha Front(United Front) was approved.
1954
The first general election were held on 10 March. The United Front won 223 seats out of a total of 237, including 143 captured by the Awami League. Bangabandhu swept the Gopalganj constituencey, defeating the powerful Muslim League leader Wahiduzzaman by a magin of 13,00 votes. On 15 May, Bangabandhu was given charge of the Ministry of Agriculture and Forests when the new provincial government was formed. On 29 May the Central Government arbitrarily dismissed the United Front Ministry. Bangabandhu was again arrested once he landed at Dhaka airport after a flight from Karachi on 30 May. He was freed on 23 December.

1955
Bangabandhu was elected a member of the legislative Assembly on June. The Awami League held a public meeting at Paltan Maidan on 17 June where it put forward a 21-point programme demanding autonomy for East Pakistan. On 23 June, the Working Council of the Awami League decided that its members would resign from the Legislative Assembly if autonomy was not granted to East Pakistan. On 25 August, Bangabandhu told Pakistan’s Assembly in Karachi: “SIR, YOU WILL SEE THAT THEY WANT TO PLACE THE WORD ‘EAST PAKISTAN’ INSTEAD OF ‘EAST BENGAL’. WE HAVE DEMANDED SO MANY TIMES THAT YOU SHOULD USE BENGAL INSTEAD OF PAKISTAN. THE WORD ‘BENGAL’ HAS A HISTORY, HAS A TRADITION OF ITS OWN. YOU CAN CHANGE ONLY AFTER THE PEOPLE HAVE BEEN CONSULTED. IF YOU WANT TO CHANGE IT THEN WE HAVE TO GO BACK IN BENGAL AND ASK THEM WHETHER THEY ACCEPT IT. SO FAR AS THE QUESTION OF ONE-UNIT IS CONCERNED IT CAN COME IN THE CONSTITUTION. WHY DO YOU WANT IT TO BE TAKEN UP JUST NOW ? WHAT ABOOUT THE STATE LANGUAGE, BENGALI? WE WILL BE PREPERED TO CONSIDER ONE-UNIT WITH ALL THESE THINGS. SO, I APPEAL TO MY FRIENDS ON THAT SIDE TO ALLOW THE PEOPLE TO GIVE THEIR VERDICT IN ANY WAY, IN THE FORM OF REFERENDUM OR IN THE FORM OF PLEBISCITE.” On 21 October, the party dropped the word Muslim from its name at a spacial council of the Bangladesh Awami League, making the party a truly modern and secular one. Bangabandhu was re-elected General Secretary of the Party.
1956
On 3 February, Awami League leaders, during a meeting with the Chief Minister, demanded that the subject of provincial autonomy be included in the draft constitution. On 14 July, the Awami League at a meeting adopted resolution opposing the representation of the military in the administration . The resolution was moved by Bangabandhu. On 4 September, an anti-famine procession was brought out under the leadership of Bangabandhu defying Section 144. At least 3 people were killed when police opened fire in hte procession in Chawkbazar area. On 16 September, Bangabandhu joined the coalition government, assuming the charge of Industries, Commerce, Labour, Anti-Corruption and Village Aid Ministry.
1957
On 30 May, Bangabandhu resigned from the cabinet in response to a resolution of the Party to strengthen the organization by working for it full-time. On 7 August, he went on an official tour of China and the Soviet Union.

1958
Pakistan’s President, Major General Iskandar Mirja, and the chief of Pakistan’s Army, General ayub Khan, imposed martial law on 7 October and banned politics. Bangabandhu was arrested on 11 October. Thereafter he was continiously harassed through one false case after another. Released from prison after 14 months, he was arrested again at the jail gate.

1958
Bangabandhu was released from jail after he won a writ petition in the High Court. Then he started underground political activities against the marital law regime and dictator Ayub Khan. During this period he set up an underground organization called “Swadhin Bangla Biplobi Porishad”, or Independent Bangla Revolutionary Council, comprising outstanding student leaders in order to work for the independence of Bangladesh.
1962
Once again Bangabandhu was arrested under the Public Security Act on 6 February. He was freed on 18 June, following the withdrawal of the four-year-long martial law on 2 June. On 25 June, Bangabandhu joined other national leaders to protest the measures introduced by Ayub Khan. On 5 July, he addressed a public rally at Paltan Maidan where he bitterly criticised Ayub Khan. He went to Lahore on 24 September and joined forces with Shaheed Suhrawardy to form the National Democratic Front, an alliance of the opposition parties. He spent the entire month of October travelling across the whole of Bengal along with Shaheed Suhrawardy to drum up public support for the front.

1963
Sheikh Mujib went to London for consultations with Suhrawardy, who was there for medical treatment. On 5 December, Suhrawardy died in Beirut.

1964
The Awami League was revitalized on 25 January at a meeting held at Bangabandhu’s residence. The meeting adopted a resolution to demand the introduction of parliamentary democracy on the basis of adult franchise in response to public sentiment. The meeting elected Maulana Abdur Rashid Tarkabagish as party President and Bangabandhu Sheikh Mujib as General Secretary. On 11 March, an All-party Action Council was formed. Bangabandhu led a committee to resist communal riots. Following the riots he took the initiative to start a vigorous anti-Ayub movement. Bangabandhu was arrested 14 days before the presidential election.
1965
The government charged Sheikh Mujib with sedition and making objectionable statements. He was sentenced to a one year jail term. He was later released on an order of the High Court.

1966
On 5 February, a national conference of the opposition parties was held in Lahore. Bangabandhu placed his historic 6-point demand before the select committee of the conference. The 6-point demand was a palpable charter of freedom of the Bengali nation. On the first day of March, Bangabandhu was elected President of the Awami League. Following his election, he launched a campaign to obtain enthusiastic support for the 6-point demand. He toured the entire country . During his tour he was arrested by the police and detained variously at Sylhet, Mymensing and Dhaka several times, During the first quarter of the year he was arrested eight times. On 8 May, he was arrested again after his speech at a rally of jute mill workers in Narayanganj. A countrywide strike was observed on 7 June to demand the release of Bangabandhu and other political prisoners. Police opened fire during the strike and killed a number of workers in Dhaka, Narayanganjand Tongi.

1968
The Pakistan government instituted the notorious Agartala Conspiracy Case against Bangabandhu and 34 Bengali military and CSP officers. Sheikh Mujib was named accused number one in the case that charged the arrested persons with conspiring to bring about the secession of East Pakistan from the rest of Pakistan. The accused were kept detained inside Dhaka Cantonment. Demonstrations started throughout the province province demanding the release of Bangabandhu and the other co-accused in the Agartala Conspiracy Case. The trial of the accused began on 19 June inside Dhaka Cantonment amidst tight security.

1969
The Central Students Action Council was formed on 5 January to press for the acceptance of the 11-point demand of Bangabandhu. The council initiated a countrywide student agitationto force the government to withdraw the Agartala Conspiracy Case and release Bangabandhu. The agitation gradually developed into a mass movement. After months of protests, violation of Section 144 and curfews, firing by the police and the EPR and a number of casulties, the movement peaked into an unprecedented mass upsurge that forced Ayub Khan to convene a round-table conference of political leaders and annnounce Bangabandhu’s release on parole. Bangabandhu turned down the offer of release in parole. On 22 February, the central government bowed to the continued mass protests and freed Bangabandhu and the other co-accused. The conspiracy case was withdrawn. The Central Students Action Council arranged a reception in honour of Sheikh Mujibur Rahman on 23 February at the Race Course(Suhrawardy Uddyan). At this meeting of one million people, Mujib was publicly acclaimed as Bangabandhu(Friend of Bengal). In his speech on the occasion, Bangabandhu pledged his total support to the 11-point demand of the students.
On 10 March Bangabandhujoined the round- table conference called by Ayub Khan in Rawalpindi. At the conference, Bangabandhu placed the 6- point demand of his party and the 11-point of the students and said “To end the people’s anger there is no alternative to the acceptance of the 6-point and 11-point demand and the granting of regional autonomy.”
When the Pakistani polititians rejected his demand he left the conference on 13 March .The next day he returned to Dhaka . On 25 March Gen. Yahya Khan seized power and imposed martial law. On 25 October, Bangabandhu went to London on a three week organizational tour. On 5 December, Bangabandhu declared at a discussion meeting held to observe the death anniversary of Shaheed Suhrawardy that henceforth East Pakistan would be called Bangladesh. He added “There was a time when all efforts were made to erase the word ‘Bangla’ from this land and its map . The existance of the word ‘Bangla’ was found nowhere except in the term Bay of Bengal. I, on be half of Pakistan, announce today that this land will be called ‘Bangladesh’ instead of ‘East Pkistan ‘.”

1970
Bangabandhu was re-elected President of the Awami League on 6 January. The Awami League at a meeting of the working committee on 1 April decided to take part in the general elections scheduled for later that year. On 7 June, Bangabandhu addressed a public meeting at Race Course ground and urged the people to elect his party on the issue of the 6-point demand . On 17 October, Bangabandhu selected the boat as his party ‘s elections symbol and launched his campaign through an election rally at Dhaka’s Dholai Khal. On 28 October, he addressed the nation over radio and television and called upon the people to elect his party’s candadates to implement the 6-point demand. When a deadly cyclonic storm hit the coastal belt of Bangladesh, killing at least one million people, Bangabandhu suspended his election campaign and rushed to the aid of the helpless people in the affected areas. He strongly condemned the Pakistani rulers’ indifference to the cyclone victims and protested against it. He called on the international community to help the people affected by the cyclone. In the general elections held on 7 December, the Awami League gained an absolute majority. The Awami League secured 167 out of 169 National Assembly seats in the Provincial Assembly.
1971
On 3 January, Bangabandhu conducted the oath of the people’s elected representatives at a meeting at the Race Course ground. The Awami League members took the oath to frame a constitution on the basis of the 6-point demand and pledged to remain loyal to the people who had elected them. On 5 January, Zulfiquar Ali Bhutto, the leader of the majority party, the People’s Party, in the then West Pakistan, announced his readiness to form a coalition government at the centre with the Awami League. Bangabandhu was chosen as the leader of his party’s parliamentary party at a meeting of the National Assembly members elected from his party . On 27 January, Zulfiquar Ali Bhutto arrived in Dhaka for talks with Bangabandhu. The talks collapsed after three days of deliberation. In an announcement on 13 February, President Yahya Khan summoned the National Assembly to convene in Dhaka on 3 March. On 15 February, Bhutto announced that he would boycott the session and demanded that power be handed over to the majority parties in East Pakistan and West Pakistan. In a statement on 16 February, Bangabandhu bitterly criticised the demaned of Bhutto and said, “The demand of Bhutto sahib is totally illogical. Power has to be handed over to the only majority party, the Awami League. The people of East Bengal are now the masters of power.”

On 1 March, Yahya Khan abruptly postponed the National Assembly session, prompting a storm of protest throughout Bangladesh. Bangabandhu called an emergency meeting of the working committee of the Awami League, which called a countrywide hartal for 3 March. After the hartal was successfully observed, Bangabandhu on 3 March called on the President to immediately transfer power to his party.
On 7 March, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, addressed a mammoth publicrally at the Race Course ground, where he declared: “THE STRUGGLE NOW IS THE STRUGGLE FOR OUR EMANCIPATION, THE STRUGGLE NOW IS THE STRUGGLE FOR OUR INDEPENDENCE. JOI BANGLA .”

In this historic speech, Bangabandhu urged the nation to break the suckles of subjugation and declared, “SINCE WE HAVE GIVEN BLOOD, WE WILL GIVE MORE BLOOD. INSHALLAH, THE PEOPLE OF THIS COUNTRY WILL BE LIBERATED….. TURN EVERY HOUSE INTO A FORT. FACE(THE ENEMY) WITH WHATEVER YOU HAVE.”
He advised the people to prepare themselves for a guerilla war against the enemy. He asked the people to start a total non-cooperation movement against the government of Yahya Khan. There were ineffectual orders from Yahya Khan on the one hand, while the nation, on the other hand, received directives from Bangabandhu’s Road 32 residence. The entire nation carried out Bangabandhu’s instructions. Every organization, including government offices, banks, insurance companies, schools, colleges mills and factories obeyed Bangabandhu’s directives. The response of people of Bangladesh to Bangabandhu’s call was unparalleled in history. It was Bangabandhu who conducted the administration of an independent Bangladesh from March 7 to March 25.

On 16 March, Yahya Khan came to Dhaka for talks with Bangabandhu on the issue of transfer of power. Bhutto also came a few days later to Dhaka for talks. The Mujib-Yahya-Bhutto talks continued until 24 March. Yahya Khan left Dhaka in the evining of 25 March, in secrecy. On the night of 25 March, the Pakistan Army cracked down on the innocent unarmed Bangalis. They attacked Dhaka University, the Peelkhana Headquarters of the then East Pakistan Rifles and the Rajarbagh Police Headquarters.
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman read out a wireless message, moments after the crackdown began, declaring the independence of Bangladesh as 25 March gave away to 26 March . His declaration was transmitted over wireless to the country “THIS MAY BE MY LAST MESSAGE, FROM TODAYBANGLADESH IS INDEPENDENT. I CALL UPON THE PEOPLE OF BANGLADESH WHEREVER YOU MIGHT BE AND WITH WHATEVER YOU HAVE, TO RESIST THE ARMY OF OCCUPATION TO THE LAST. YOUR FIGHT MUST GO ON UNTIL THE LAST SOLDIER OF THE PAKISTAN OCCUPATION ARMY IS DRIVEN OUT THE SOIL OF BANGLADESH. FINAL VICTORY IS OURS.”
He called upon all sections of people, including Bengali military and civilian personnel, students, workersa nd peasants, to join the resistance against the occupation Pakistan army. This message of Bangabandhu was immediately disseminated throughout the country through radio equipment under specialarrangements. The same night jawans and officers in Chittagong, Comilla and Jessore cantonments put up resistance to the Pakistan army after receiving this message. Bangabandhu’s declaration was broadcast by Chittagong radio station. The Pakistan army arrested Bangabandhu from his Dhanmandi residence at 1:10 a.m. and whisked him away to Dhaka cantonment. On 26 March he was flown to Pakistan as a prisoner. The same day, General Yahya Khan, in a broadcast banned the Awami League and called Bangabandhu a traitor.

On 26 March M.A. Hunnan, an Awami League leader in Chittagong, read out Bangabandhu’s declaration of independence over Chittagong Radio. On 10 April, the Provisional Revolutionary Government of Bangladesh was formed with Bangabandhu as President.
The revolutionary government took the oath of office on 17 a pril at the Amrakanan of Baidayanathtala in Meherpur, which is now known as Mujibnagar. Bangabandhu was elected President, Syed Nazrul Islam Acting President and Tazuddin Ahmed Prime Minister. The liberation war ended on 16 December when the Pakistani occupation forces surrendered at the historic Race Course ground accepting defeat in the glorious war led by the revolutionary government in exile. Bangladesh was finally free.
Earlier, between Aaugust and September of 1971, the Pakistani janta held a secret trial of Bangabandhu inside Lyallpur jail in Pakistan. He was sentenced to death. The freedom loving people of the world demanded absolute security of Bangabandhu’s life. Once Bangladesh was liberated, the Bangladesh government demanded that Bangabandhu be released immediately and unconditionally. A number of countries, including India, and the Soviet Union and various international organizations urged the release of Bangabandhu. Pakistan had no right to hold Bangabandhu, who was the architect of Bangladesh had been recognised by many countries of the world.
1972
The Pakistan government freed Bangabandhu on 8 January 1972. Bangabandhu was seen off at Rawalpindi by Zulfiquar Ali Bhutto, by now Pakistani’s President. The same day Bangabandhu left for London en rout to Dhaka. In London, British Prime Minister Edward Heath met him. On his way back home from London Bangabandhu had a stop-over in New Delhi, where he was received by Indian President V.V. Giri and Prime Minister Indira Gandi.

A memorable reception was accorded to Bangabandhu when the Father of the Nation reached Dhaka on 10 January. From the airport he drove straight to the Race Course ground where he made a tearful address before the country. On 12 January, Bangabandhu became Bangladesh’s Prime Minister. On 6 February he left for a visit to India at the invitation of the Indian government. After twenty four years the Dhaka University authorities rescined his expulsion order and accorded him the Universities’s life membership.

On 1 March he went to the Soviet Union on an official visit. The allied Indian army left Dhaka on 17 March at the request of Bangabandhu. On 1 May he announced a raise in the salary of class three and four employees of the government. On 30 July Bangabandhu underwent a gall bladder operation in London. From there he went to Geneva. On 10 October the World Peace Council conferred the Jullio Curie award on him. On 4 November, Bangabandhu announced that the first general election in Bangladesh would be held on 7 March, 1973. On 15 December Bangabandhu’s government announced the provition of according state awards to the freedom fighters. On the first anniversary of liberation the Constitution of the Peoples Republic of Bangladesh was adopted. Among the important achievements of the Bangabandhu government: The re-organization of the administrative system, adoption of the constitution, rehabiliation of one crore people, restoration and development of communication system, expansion of education, supply of fre books to students upto class five and at low price to students up to class eight, effective ban on all anti-Islamic and anti-social activities like gambling, horse races, liquor, establishment of Islamic foundation, re-organization of Madrassa Board, establlishedment of 11,000 primary schools, nationalization of 40,000 primary schools, establishment of women’s rehabilitation centre for the welfare of distressed woman. Freedom Fighters Welfare Trust, waiving tax upto 25 bighas of land, distribution of agricultural inputs among farmers free of cost or at nominal price, nationalization of banks and insurance companies abandoned by the Pakistais and 580 industrial units, employment to thousands of workers and employees, construction of Ghorashal Fertilizer Factory, primary work of Ashugangj Complex and establishment of othe new industrial units and reopening of the closed industries. Thus Bangabandhu sucessfully built an infrastructure for the economy to lead the country towards progress and prosperity. Another landmark achievement of the Bangabandhu government was to gain recognition of almost all countries of the world and the United Nations membership in a short period of time.

1973
The Awami secured 293 out of the 300 Jatiya Sangsad(parliament) seats in the first general elections. On 3 September, the Awami League, CPB and NAP formed Oikya Front(United Front). On 6 September, Bangabandhu travelled to Algeria to attend the Non-aligned Movement Summit Conferrence.
1974
The Peoploe’s Republic of Bangladesh was accorded membership of United Nations. On 24 September, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman addressed the UN General Assembly in Bangla.

1975
On 25 January country switched over to the presidential system of governance and Bangabandhu took over as President of the republic. On 24 February, Bangladesh Krishak Awami League, comprising all the poliotical parties of the country, was launched. On 25 February, Bangabandhu called upon all parties and leaders to join this national party. He felt the need for making Bangladesh a self-reliant nation by reducing dependence on forign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-reliance by reducing dependence on foreign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-relaince. He launched the Second revolution to make independence meaningful and ensure food, clothing, shelter, medicare, education and jobs to the people. The objectives of the revolution were: elimination of corruption, boosting production in mills, factories and fields, population control and established of national unity.
Bangabandhu received an unprecedented response to his call to achieve economic freedom by uniting the entire nation. The economy started picking up rapidly within a short time. Production oncreased. Smugling stoped. The prices of essentiala came down to within parchasing capacity of the common man. Imbued with new hope, the people unitedly marched forward to extend the benefits of independence to every doorstep. But that condition did not last long.

In the pre-dawn hours of August 15 the noblest and the greatest of Bangalees in a thousand years, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the architect of Bangladesh and the Father of the Nation, was assassinated by a handful of ambitious and treacherous military officers. On that day, Bangabandhu’s wife, a noble woman, Begum Fajilatunnesa; his eldest son, freedom fighter Sheikh Kamal; second son Lt. Sheikh Jamal; youngest son Sheikh Russel; two daughters-in-law, Sultana Kamal and Rosy Jamal; Bangabandhu’s brother Sheikh Nasser; brothe-in-law and Agriculture Minister Abdur Rab Serniabat and his daughter Baby Serniabat; Bangabandhu’s nephew, youth leader and journalist Sheikh Fajlul Huq Moni and his pregnant wife Arju Moni; Bangabandhu’s security officer Brig. Jamil and a 14-year-old boy Rintoo were killed. In all, the killers slaughters 16 members and relatives of Bangadhu’s family.
Martial law was imposed in the country after the killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Democracy was done away with and basic rights were snached away. Thus began the politics of killing, coups and conspiracy. The people’s rights to food and vote were taken away. There is interntional provision to hold trial of killers to protect human rights in the world. But unfortunately in Bangladesh, a martial law ordinance was decreed(Indemnity Ordinance) exempting the self-confessed killers of Bangabandhufrom any trial. Having captured power illigally through a military coup, Gen. Ziaur Rahman debased the Constitution by incorporating the notorious Indemnity Ordinance in the Fifth Amendment to the Constitution. He rewarded the killers with jobs in Bangladesh diplomatic mission abroad. The Indemnity Ordinance was repealed by Parliament only after the Awami League led by Bangabandhu’s daughter Sheikh Hasina returned to power in 1996. August 15, 1975 is the blackest day in our national life. The nation observes this day as National Mourning Day.

15 August 1975

On 25 January country switched over to the presidential system of governance and Bangabandhu took over as President of the republic. On 24 February, Bangladesh Krishak Awami League, comprising all the poliotical parties of the country, was launched. On 25 February, Bangabandhu called upon all parties and leaders to join this national party. He felt the need for making Bangladesh a self-reliant nation by reducing dependence on forign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-reliance by reducing dependence on foreign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-relaince. He launched the Second revolution to make independence meaningful and ensure food, clothing, shelter, medicare, education and jobs to the people. The objectives of the revolution were: elimination of corruption, boosting production in mills, factories and fields, population control and established of national unity.

Bangabandhu received an unprecedented response to his call to achieve economic freedom by uniting the entire nation. The economy started picking up rapidly within a short time. Production oncreased. Smugling stoped. The prices of essentiala came down to within parchasing capacity of the common man. Imbued with new hope, the people unitedly marched forward to extend the benefits of independence to every doorstep. But that condition did not last long.

In the pre-dawn hours of August 15 the noblest and the greatest of Bangalees in a thousand years, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the architect of Bangladesh and the Father of the Nation, was assassinated by a handful of ambitious and treacherous military officers. On that day, Bangabandhu’s wife, a noble woman, Begum Fajilatunnesa; his eldest son, freedom fighter Sheikh Kamal; second son Lt. Sheikh Jamal; youngest son Sheikh Russel; two daughters-in-law, Sultana Kamal and Rosy Jamal; Bangabandhu’s brother Sheikh Nasser; brothe-in-law and Agriculture Minister Abdur Rab Serniabat and his daughter Baby Serniabat; Bangabandhu’s nephew, youth leader and journalist Sheikh Fajlul Huq Moni and his pregnant wife Arju Moni; Bangabandhu’s security officer Brig. Jamil and a 14-year-old boy Rintoo were killed. In all, the killers slaughters 16 members and relatives of Bangadhu’s family.

Martial law was imposed in the country after the killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Democracy was done away with and basic rights were snached away. Thus began the politics of killing, coups and conspiracy. The people’s rights to food and vote were taken away. There is interntional provision to hold trial of killers to protect human rights in the world. But unfortunately in Bangladesh, a martial law ordinance was decreed(Indemnity Ordinance) exempting the self-confessed killers of Bangabandhufrom any trial. Having captured power illigally through a military coup, Gen. Ziaur Rahman debased the Constitution by incorporating the notorious Indemnity Ordinance in the Fifth Amendment to the Constitution. He rewarded the killers with jobs in Bangladesh diplomatic mission abroad. The Indemnity Ordinance was repealed by Parliament only after the Awami League led by Bangabandhu’s daughter Sheikh Hasina returned to power in 1996. August 15, 1975 is the blackest day in our national life. The nation observes this day as National Mourning Day.

15th August is the National Mourning Day. At the fateful night of August 15 in 1975, the cruelest assassination of history took place.

The founding architect of Bangladesh, Father of the Nation, the Glorious Leader of Liberation War, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was assassinated along with all the members of his family then in Dhaka and other leaders. Anti-Liberation and reactionary international forces with the help of their local henchmen staged this most brutal murder of all times. The anti-liberation reactionary and counter-revolutionary forces usurped the state-power through the assassination of Bangabandhu on August 15, 1975.

The killers brutally murdered not only Bangabandhu, but also his wife Bangamata Fazilatunnesa Mujib, sons Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and Sheikh Russell, daughters-in-Law Sultana Kamal and Parvin Jamal. Seventeen more dear and near ones of Bangabandhu, including his brother Sheikh Abu Naser, brother-in-law Abdur Rab Serniabat, nephew Sheikh Fazlul Haq Moni, Moni’s wife Arju Moni, Shahid Serniabat, Baby Serniabat, Arif Serniabat, Sukanto Abdullah Babu, security officerColonel Jamil Uddin Ahmed and Abdul Noim Khan Rinto were also killed during the world’s most heinous terrorism. Bangabandhu’s daughters, incumbent Prime Minister Sheikh Hasina and Sheikh Rehana, survived the carnage as they were in Germany at that time.

The hyenas did not even spare the life of Bangabandhu’s nine- year-old minor son Sheikh Russel who was awarded a swarm of bullets on his soft chest when he cried out in fear of the horror and requested the killers to take him to his mother.

After 15th August 1975, there came another cataclysmic event that struck Awami League very seriously and led to a temporary vacuum in the leadership: four national leaders, Syed Nazrul Islam, Tajuddin Ahmed, M. Mansur Ali and A.H.M. Kamaruzzaman were killed in Dhaka Central Jail by the same conspirators who had killed Bangabandhu.

From that day, the Bangalees have been holding the shock in their hearts as a source of strength to take revenge of this barbaric assassination by fulfilling the dream of Bangabandhu who wanted to turn Bangladesh into Sonar Bangla, a peaceful abode of teeming millions in this part of the world. The nation this year is observing the day in a different atmosphere as the five death row convicts of the murder trial of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman were hanged in the early hours of January 28 putting an end to the darkest chapter of the nation’s history.

========================================================Begum Fazilatunnesa (Birth: Tungipara, Gopalganj., Aug 8, 1930) – Begum Fazilatunnesa was the wife of Sheikh Mujibur Rahman, mother of Prime Minister Sheikh Hasina. Hasina says her mother was actively involved in forwarding the cause of Bangladesh’s independence and bent on making her husband’s dream come true.

Sheikh Kamal (Birth: Gopalganj, Aug 5, 1949) – Sheikh Kamal was the eldest son of Sheikh Mujibur Rahman. He was a freedom fighter. He was the founder of Abahani Krira Chakra. He also played significant roles in the 1966 movement for self-determination, and the 1969 mass uprising.

Sultana Kamal Khuku (Birth: Dhaka, 1951) – Sultana Kamal Khuku was the wife of Sheikh Kama. She had a BSS (Hons) from Dhaka University. She was an established athlete. She won several national prizes in long jumps with records.

Sheikh Jamal (Birth: Gopalganj, Apr 28, 1954) – Sheikh Jamal was the second son of Sheikh Mujibur Rahman. While being under house arrest with his mother in July, 1971, he fled to free zone and participated in liberation war.

Parveen Jamal Rosy (Birth: Sylhet, 1956) – Parveen Jamal Rosy was the wife of Sheikh Jamal and daughter of Bangabandhu’s younger sister Khadeza Hossain. She was studying at Badrunnesa Ahmed College. Her father was Syed Hossain serving as the establishment ministry secretary under Bangabandhu government.

Sheikh Russel (Birth: Oct 18, 1964) – Sheikh Russel was the youngest son of Sheikh Mujibur Rahman. He was a 10 year-old student at Dhaka University Laboratory High School.

Sheikh Abu Naser (Birth: Tungipara, Gopalganj, Sept 1928) – Sheikh Abu Naser was the younger brother of Sheikh Mujibur Rahman. He was a renowned businessman in Khulna.

Abdur Rab Serniabat,( Birth: Barisal, Chaitra, 1327) – Abdur Rab Serniabat was the husband of Sheikh Mujibur Rahman’s third sister Amena Begum. Bangabandhu appointed him as agriculture minister in 1973. He had a significant role in reforms in agriculture.

Sheikh Fazlul Haque Moni (Birth: Tungipara, Gopalganj, Dec 4, 1939) – Sheikh Fazlul Haque Moni was the eldest son of Sheikh Mujibur Rahman’s elder sister. He was the founding chairman of Awami Juba League.

Begum Arzu Moni (Birth: Barisal, Mar 15, 1947, Barisal) – Begum Arzu Moni was the wife of Sheikh Fazlul Haque Moni. She sat MSS exams in political science in Dhaka University in 1975.

Baby Serniabat (Birth: Barisal, May 20, 1960) – Baby Serniabat was the youngest daughter of Abdur Rab Serniabat. She was a class-nine student of Laboratory High School in Dhaka University.

Shahid Serniabat (Birth: Barisal, Mar 26, 1940) – Shahid Serniabat was a nephew of Abdur Rab Serniabat. He was the correspondent to Dainik Bangla in Barisal.

Abdul Nayeem Khan Rintu (Birth: Barisal, Dec 1, 1957) – Abdul Nayeem Khan Rintu was a cousin of Amir Hossain Amu. He sat SSC exam under Barisal Zilla School in 1975.

Arif Serniabat (Birth: Mar 27, 1964) – Arif Serniabat was the youngest son of Abdur Rab Serniabat. He was a class-four student of Laboratory High School in Dhaka University.

Sukanto Abdullah Babu (Birth: Gauranadi, Barisal, June 22, 1971) – Sukanto Abdullah Babu was a grand son of Abdur Rab Serniabat.

Col. Jamaluddin Ahmed (Birth: Gopalganj, Feb 1, 1933) – Col. Jamaluddin Ahmed was the chief security officer of Sheikh Mujibur Rahman.


Leave a comment

15 August, The Mourning Month

Bangabondhu, Bangladesh and our independence have very closed relation. Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman had one of the great nationalizes leader in the world. Bangabondhu (http://www.humanrightstoday.info/?p=714) was the pioneer and architect of independent Bangladesh and its sovereignty. His political prudence, indomitable courage, eloquence and powerful leadership motivated the countrymen to join in the war of liberation.Photo

Bangabondhu proclaimed independence on March 26 in 1971 and the people dived into nine months long bloody battle and achieved the long desired sweetest freedom, He also gave restless effort to represent an esteemed Bangalee nation on the world stage. His golden-etched name will remain in the history of Bangalees and Bangladesh forever. But our nation has been waiting from 34 years for justice his brutal murders.

August 15 in 1975 is a black-chapter in the history of Bangalee nation. Bangabondhu and his family members were ruthlessly murdered by anti liberation force and with the help of army member in this day. And the nation incurred an irretrievable loss. The nation is deeply shocked and full with grief for this shameful incident. Now, Prime Minister Sheikh Hasina, the daughter of Bangabondhu is the main target by killer’s group especially Islamic militant group.

The country today observes National Mourning Day on the 34th death anniversary of Father of the Nation Bangabondhu, with a vow to implement the longstanding High Court verdict in the case in connection with his murder. The day is a public holiday. The government chalked out nationwide programmes to observe the day at the state level. Prime Minister Sheikh Hasina (she is a daughter of Bangabondhu), will visit her father’s grave at Tungipara under Gopalgonj district today. Along with ruling Awami League (AL), different political parties, and student and socio-cultural organizations also planned programmes to mourn the killings of Bangabondhu and most of his family members on this day in 1975. Three separate attacks on this day 34 years ago left 24 people killed. Bangabandhu’s two daughters — Sheikh Hasina and Sheikh Rehana — could escape the bloodbath as they were abroad at the time. The victims also including wife of Bangabondhu Begum Fazilatunnesa Mujib, sons Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and nine-year-old Sheikh Russell, daughters-in-law Sultana Kamal and Parveen Jamal, brother Sheikh Naser, nephew Sheikh Fazlul Huq Moni and his wife Begum Arju Moni, brother-in-law Abdur Rab Serniabat, 13-year-old Baby Serniabat, Serniabat’s son Arif and four-year-old grandson Babu, three guests, Bangabondhu’s four domestic helps, and his security chief Col Jamil Uddin Ahmed.

Bangabondhu united the Bangalees to throw off the shackles of Pakistani oppression and steered them towards independence. His stirring speech on March 7, 1971, before a crowd of lakhs ready to stake everything for freedom, left an indelible imprint on the nation’s memory. For 21 long years, his killers had been immune from prosecution due to the Indemnity Ordinance, which was finally repealed in 1996, paving the way for trials of the killers. A murder case was filed on October 2, 1996. In November 1998, a trial court awarded death penalty to 15 former army officers for killing Bangabondhu and his family members. The High Court (HC) upheld the death sentences of 12. Five of the condemned — dismissed army personnel Lt Col Syed Farooq-ur Rahman, Lt Col Sultan Shahriar Rashid Khan, Lt Col Muhiuddin Ahmed, Maj AKM Mahiuddin Ahmed, and Maj Bazlul Huda — are behind bars while six are hiding abroad. Another condemned Aziz Pasha died. The five condemned convicts filed separate appeals with the Appellate Division of Supreme Court in the last week of October 2007 against their death sentences pronounced by the HC.Law Minister Shafique Ahmed recently told journalists that hearings of the appeals will start soon as there is no shortage of judges in the Supreme Court now. The condemned six still at large are Shariful Haque Dalim, AKM Mahiuddin, Rashed Chowdhury, Nur Chowdhury, Abdul Mazed, and Moslemuddin.

In the daily Star published a special report on 15 August of 1975. The report says. Islamic radicalism, menacing the nation for years now, was something India and the United States learnt to dread soon after the assassination of Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman. Documents lately declassified by the US Office of the Historian show the apprehension had its roots in the perception that Bangabondhu’s killers–all military officers–were “pro-US, anti-Soviet Union, Islamic, and less pro-Indian than the past leadership”.

The August 15 bloodbath in 1975 left Mujib and most of his family butchered and his party in total disarray. It led to the assumption that Pakistan would regain its sway on the nation it sought to subdue only a few years back. In the context of the cold war dynamics, India and the US were also concerned that China, which recognized Bangladesh only after August 1975, might help radical communist elements thrive in the delta sliding into militocracy. All these worries were reflected in a conversation between the then US secretary of state Henry Kissinger and Indian external minister YB Chavan.

The US Office of the Historian, which is responsible for preparation and publication of the official historical documentary record of American foreign policy, has transcript of the conversation that took place at the US Department of State on October 6, 1975. There, the discussion related to the developments in Bangladesh goes like this:

YB Chavan: The new president [Khandaker Mushtaque Ahmed] has sent us assurances that he was standing by the same policy but we are concerned, in particular, whether the new government will take an extreme Islamic posture. This would create problems for the minority in Bangladesh. If the Hindus again feel insecure, there might be a new wave of refugees. Kissinger: Is there a large minority group in Bangladesh? Chavan: About 15%. It is a major factor. So far the new government (after Mujib killing) has given assurances it would follow the same policy as Mujib, but we are naturally worried about the influence of Pakistan on Bangladesh. Kissinger: What is your impression? Chavan: They have just announced diplomatic relations. This is a good thing. Even under Mujib we recommended this. We never wanted an exclusive relationship with Bangladesh. Our worry is only this: That they might try to give a different connotation to the situation by giving an Islamic twist to things. Also the Chinese recognized [Bangladesh] only after the coup. Frankly, we are worried. There are radical communist elements in Bangladesh which the Chinese might try to help. Here we hope the US and India will have a common approach.

After a while, Kissinger asked his Indian counterpart, “What is the tendency of the [Bangladesh] military? Is it anti-Indian?” Chavan replied, “Frankly, there is some anti-Indian tendency, I am sorry to say.” At this point, Kewal Singh, the then secretary of Indian external affairs ministry, chipped in, “Some people hostile to Mujib were brought back. We don’t want to give the impression we are concerned but pro-Islamic and pro-radical groups have some strength.”

Chavan and Kissinger met the following day as well and talked about Bangladesh. Almost immediately they got down to serious talking about political ramifications of the August 15 coup d’état. Yet again, the Indian minister said, “We are worried about Bangladesh. Radical movements are already there. If Pakistan and China converse their efforts, this could pose a problem. This would be a new factor in South Asia which needs assessment.” The secretary of state said, “Previously, the Chinese were opposed to Bangladesh. They were not among Mujib’s admirers.” As he asked if India had any advance indication of the coup, his opposite number replied, “None.”

Kissinger then observed, “People are always complaining that we don’t know about things in advance…They should realize that any coup that succeeds must have fooled someone. Mujib just couldn’t have imagined that anyone would organize a coup against him. As I understand it, your relations with Bangladesh are now good. What you are concerned about is a future possibility.”

TN Kaul, the then Indian ambassador to the US, added, “The danger is Pan Islamism.” At one point, Kissinger said, “The real worry would be if countries with resources like Saudi Arabia get radical leaders. Then there would be trouble.” Kaul said, “One reason why we banned the Jamaat Islami and RSS is that these parties were getting money from the outside.” The Kissinger-Chavan meeting gives an impression that none of the two countries had prior knowledge of the military takeover.

But the US state department’s documents suggest quite the contrary. They show that like India, the US had gathered that something sinister was brewing, and it had even informed Bangabondhu about it. Minutes of a staff meeting headed by Kissinger after August 15, show that the US was well aware of the plot. There, Kissinger was heard enquiring Alfred Atherton Jr., assistant secretary of state for Near Eastern and South Asian affairs in 1974-1978, about the assassination. Atherton said the US had lots of indications in March that some quarters were scheming to kill Mujib. Kissinger asked, “Didn’t we tell him [Mujib] about it?” The assistant secretary of state said, “We told him at the time.” As his boss pressed to know if Bangabondhu was told who it was going to be, Atherton answered, “I will have to check whether we gave him the names.” At that point, Hyland of Bureau of Intelligence and Research said, “We were a little imprecise on that.”

Referring to the US alerting Bangabondhu to the danger of an attack on him, Atherton said, “He [Mujib] brushed it off, scoffed at it, and said nobody would do a thing like that to him.” Kissinger remarked, “He was one of the world’s prize fools.” Talking about the coup leaders, Atherton said, “They are military officers, middle and senior officers, who are generally considered less pro-Indian than the past leadership; pro-US, anti-Soviet.” The secretary of state responded, “Absolutely inevitable.” And Atherton went on, “Islamic. They have changed the name to the Islamic Republic” Kissinger said, “That they would be pro-US was not inevitable. In fact, I would have thought at some turn of the wheel they were going to become pro-Chinese, and anti-Indian I firmly expected. I always knew India would rue the day that they made Bangladesh independent. I predicted that since ’71.”

Major Dalim, one of the on-the-run convicted killers of Bangabondhu, in a radio announcement soon after the killings declared the country would now be named “Islamic Republic of Bangladesh”. The declaration which eventually did not materialise was a complete contrast to the secular ideals that stirred Bangalees to fight for independence from “Islamic Republic of Pakistan” in 1971.

Though the republic’s name was spared a change, its constitution soon lost secular character. The original charter saw secularism dropped as one of its four fundamental principles. It also had ‘Bismillahir Rahmanir Rahim’ in the preamble.

Even more alarming was the scrapping of the ban on religion-based political parties. During the rule of Ziaur Rahman, five parties including Jamaat-e-Islami, which collaborated with the Pakistani occupation forces and committed genocide and numerous atrocities during the Liberation War, were allowed to be in politics again. The government of independent Bangladesh in its first decision banned these parties that always oppose the nation’s independence and thrive on communal disturbances. In the early 80s, the country’s second military ruler HM Ershad introduced Islam as state religion, dealing a death blow to secularism.

The rise of Islamist militancy, once a fear, is a reality now, 34 years after the August 15 carnage. During the BNP-Jamaat-led rule in 2001-2006, Islamist outfits spread tentacles across the country thanks to patronage from some influential leaders of the ruling alliance. Though the BNP government woke up to the dangers of militancy towards the end of its tenure, it was too little too late. Now the task lies with Awami League-led grand alliance that came to power on promises that include the one to root out militancy. And at the centre stage in the combat against militancy is Prime Minister Sheikh Hasina, who herself had been the target of several attacks.

Now the peoples of Bangladesh have don’t want to bother any late to execute the killers of Bangabondhu. In the same time we want to see immediately the constitution of 1972 which was made after our independence. We want to see to our loving country Bangladesh as an actual democratic country, there will have rule of law, good governance, enough food for our poor peoples, nutrition for all children’s, there have no discrimination. Source: the daily Star & BD

You can agree or disagree with his political philosophy, but even his enemies have no doubt about the patriotism of this man: Sheikh Mujibur Rahman, the founding father of Bangladesh. He spent most of his life fighting against the injustice bestowed upon Bangalees, first by the British, and then by the Pakistani Panjabi military/civil junta. After the mass uprising of 1969, he was given the title “Bangabandhu”, means “Friend of Bengal”. He is largely known as Bangabandhu among the millions of Bangalees.

History of Bangladesh is largely interconnected with the life of Bangabandhu. He was a young political activist during the British rule. He was active in every political event of then East Bengal/East Pakistan: the Language Movement of 1952, Jukta Front election of 1954, Student Movement of 1962, 6-Point Demand of 1966, Mass Uprising of 1969, and finally Bangladesh Liberation War of 1971 against the Pakistanis. He was imprisoned more than a decade during the 24-years of Pakistani rule.

What the Pakistanis could not do, some corrupt military officers were able to do so in our own soil. They killed Bangabandhu along with most of his extended family in August 15, 1975, just after 3 and 1/2 years of independence. Two of his daughters, Shiekh Hasina and Sheikh Rehana, survived. In November 4, 1975, they killed 4 national leaders, cornerstone of our Liberation War: Syed Nazrul Islam, Taz Uddin Ahmed, Captain Mansoor Ali, and Kamrujjaman.
Without a doubt, Bangabandhu is the greatest Bangalee of our known history. He gave us a nation, a new country, a new identity. Even today, he is more powerful as dead than anyone of us alive.
Credits:All of the pictures and information in this book is contained in the book JATIR JANAK Father of the Nation, publised by Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Memorial Trust, Road 32, Dhanmondhi R/A, Dhaka-1209. This book was published in August 1, 1997 and available in Muktizuddha Jadughar, Dhaka

The murderers of Bangabandhu should be bringing back.

“Bangabandhu” Sheikh Mujibur Rahman: A Political Profile

1920
Sheikh Mujibur Rahman was born in a respectable Muslim family on 17 March 1920, in Tungipara village under the then Gopalganj subdivision (at present district) of Faridpur district .He was the third child among the four daughters and two sons of Sheikh Luthfur Rahman and Sheikh Sahara Khatun. His parents called him Khoka out of affection. Bangabandhu spent his childhood in Tungipara.
1927
At the age of seven, Bangabandhu began his shooling at Gimadanga Primary school. At nine, he was admitted to class three at Gopalganj Public School. Subsequently, he was transferred to a local Missionary School.

1934
Bangabandhu was forced to go for a break of study when, at the age of fourteen, one of his eyes had to be operated on.

1937
Bangabandhu returned to school after break of four years caused by the severity of an eye operation.

1938
At eighteen Mujib married Begum Fazilatunnesa.They later became the parents of two daughters, Sheikh Hasina and Sheikh Rehana and three sons, Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and Sheikh Rassel. All the sons were to be killed along with their parents on 15 August, 1975.
1939
Bangabandhu’s political career was effectively inaugurated while he was a student of Gopalganj Missionary School. He led a group of students to demand that cracked roof of the school be repaired when ‘Sher-e-Bangla’ A.K. Fazlul Haque, Chief Minister of undivided Bengal, came to visit the school along with Huseyn Shaheed Suhrawardy.
1940
Sheikh Mujib joined the Nikhil Bharat Muslim Chathra Federation (All India Muslim Students Federation). He was elected councillor for a one year term.

1942
Sheikh mujibur Rahman passed the Entrance (Corrently Secondary School Certificate) examination. He then took admission as an intermidiate student in the Humanities faculty of Calcutta Islamia College, where he had lodgins at Baker Hostel. The same year Bangabandhu got actively involved with the movement for the creation of Pakistan.
1943
Sheikh Mujib’s busy and active political career took off in the literal sense with his election as a Councillor of the Muslim League.

1944
Bangabandhu took part in the conference of All Bengal Muslim Students League held in Kushtia, where he played an important role. He was also elected Secretary of Faridpur District Association, a Calcutta-based organisation of the residents of Faridpur.
1946
Sheikh Mujib was elected General Secretary of Islamia College Students Union.
1947
Bangbandhu obtained Bachelor of Arts degree from Islamia College under Calcutta Universiy. When communal riots broke out in the wake of the partition of India and the birth of Pakistan, Bangabandhu played a pioneering role in protecting Muslims and trying to contain the violence.

1949
Bangabandhu took admission in the Law department of Dhaka University. He founded Muslim Students League on 4 January. He rose in spontaneous protest on 23 February when Prime Minister Khwaja Najimuddin in his speech at the Legislative Assembly declared: “The people of East Pakistan will accept Urdhu as their state language.” Khwaja Najimuddin’s remarks touched off a storm of protest across the country. Sheikh Mujib immediately plunged into hectic activities to build a strong movement against the Muslim League’s premediated, heinous design to make Urdhu the only state language of Pakistan. He established contacts with students and political leaders. On 2 March, a meeting of the workers of different political parties was held to chart the course of the movement against the Muslim League on the language issue. The meeting held at Fazlul Haq Hall approved a resolution placed by Bangabandhu to form an All-party State League Action Council. The Action Council called for a general strike on 11 March to register its protest against the conspiracy of Muslim League against Bangla. On 11 March, Bangabandhu was arrested along with some colleagues while they were holding a demonstration in front of the Secretariat building. The student community of the country rose in protest folloing the arrest of Bangabandhu. In the face of strong student movement, Muslim League government was forced to release Bangabandhu and other students leaders on 15 March. Following his release, the All-party State Language Action Council held a public rally at Dhaka University Amtala on 16 March. Bangabandhu presided over the rally, which was soon set upon by the police. To protest the police action Bangabandhu announced a countrywide student strike for 17 March. Later, on 19 May, Bangabandhu led a movement in support of Dhaka University Class Four employees struggling to redress the injustice done to them by their employers. Mujib was arrested again on 11 September.
1948
Sheikh Mujib was released from jail on 21 January. Bangabandhu extended his support to a strike called by the Class Four employees of Dhaka University to press home their various demands. The university authorities illogically imposed a fine on him for leading the movement of the employees. He rejected the unjust order. Eventually, the Anti-Muslim League candidate Shamsul Huq won by-election in Tangailon 26 April . Mujib was arrested for staging a sit-in strike before the Vice-Chancellor’s residence. When the East Pakistan Awami Muslim League was formed on 23 June, Bangabandhu was elected its Joint Secretary despite his incarceration. He was released in late June. Immediately after his release, he began organising an agitation against the prevailing food crisis.In September he was detained for violating Section 144. Later, however, he was freed. He raised the demand for Chief Minister Nurul Amin’s resignation at a meeting of the Awami Muslim League in October. The Awami Muslim League brought out an anti-famine procession in Dhaka on the occasion of Pakistan’s Prime Minister Liaquat Ali Khan’s visit to the province. Once again Bangabandhu was arrested and jailed, this time for two years and five months for leading the demonstration.
1952
On 26 January, Khwaja Najimuddin declare that Urdhu would be the state language of Pakistan. Though still in jail, Bangabandhu managed to play a leading role in organizing a protest against this announcement. From prison he sent out a call to the State Language Action Council to observe 21 February as Demand Day for releasing political prisoners and making Bangla the state language. He began a hunger strike on 14 February. On 21 February the student community violated Section 144 and brought out procession in Dhaka to demand the recognition of Bangla as the state language. Police opened fire, killing in the process Salam, Barkat, Rafiq, Jabbar, and Shafiur, who thus became martyrs of the Language Movement. In a statement from jail, Bangabandhu condemned the police firing and registered his strong protest. He was on hunger strike for 13 consecutive days. He was moved from Dhaka Central Jail to Faridpur Jail to prevent him from making contact with the organizers of the movement. He was released from jail on 26 February.

1953
On 9 July, Mujib was elected General Secretary of East Pakistan Awami League at its council session. Efforts were made to forge unity among Moulana Bhashani, A.K.Fazlul Huq and Shaheed Suhrawardy with the objective of taking on the Muslim League at the general elections. To achieve this goal, a special council session of the party was called on 14 November, when a resolution to form the Juktha Front(United Front) was approved.
1954
The first general election were held on 10 March. The United Front won 223 seats out of a total of 237, including 143 captured by the Awami League. Bangabandhu swept the Gopalganj constituencey, defeating the powerful Muslim League leader Wahiduzzaman by a magin of 13,00 votes. On 15 May, Bangabandhu was given charge of the Ministry of Agriculture and Forests when the new provincial government was formed. On 29 May the Central Government arbitrarily dismissed the United Front Ministry. Bangabandhu was again arrested once he landed at Dhaka airport after a flight from Karachi on 30 May. He was freed on 23 December.
1955
Bangabandhu was elected a member of the legislative Assembly on June. The Awami League held a public meeting at Paltan Maidan on 17 June where it put forward a 21-point programme demanding autonomy for East Pakistan. On 23 June, the Working Council of the Awami League decided that its members would resign from the Legislative Assembly if autonomy was not granted to East Pakistan. On 25 August, Bangabandhu told Pakistan’s Assembly in Karachi: “SIR, YOU WILL SEE THAT THEY WANT TO PLACE THE WORD ‘EAST PAKISTAN’ INSTEAD OF ‘EAST BENGAL’. WE HAVE DEMANDED SO MANY TIMES THAT YOU SHOULD USE BENGAL INSTEAD OF PAKISTAN. THE WORD ‘BENGAL’ HAS A HISTORY, HAS A TRADITION OF ITS OWN. YOU CAN CHANGE ONLY AFTER THE PEOPLE HAVE BEEN CONSULTED. IF YOU WANT TO CHANGE IT THEN WE HAVE TO GO BACK IN BENGAL AND ASK THEM WHETHER THEY ACCEPT IT. SO FAR AS THE QUESTION OF ONE-UNIT IS CONCERNED IT CAN COME IN THE CONSTITUTION. WHY DO YOU WANT IT TO BE TAKEN UP JUST NOW ? WHAT ABOOUT THE STATE LANGUAGE, BENGALI? WE WILL BE PREPERED TO CONSIDER ONE-UNIT WITH ALL THESE THINGS. SO, I APPEAL TO MY FRIENDS ON THAT SIDE TO ALLOW THE PEOPLE TO GIVE THEIR VERDICT IN ANY WAY, IN THE FORM OF REFERENDUM OR IN THE FORM OF PLEBISCITE.” On 21 October, the party dropped the word Muslim from its name at a spacial council of the Bangladesh Awami League, making the party a truly modern and secular one. Bangabandhu was re-elected General Secretary of the Party.
1956
On 3 February, Awami League leaders, during a meeting with the Chief Minister, demanded that the subject of provincial autonomy be included in the draft constitution. On 14 July, the Awami League at a meeting adopted resolution opposing the representation of the military in the administration . The resolution was moved by Bangabandhu. On 4 September, an anti-famine procession was brought out under the leadership of Bangabandhu defying Section 144. At least 3 people were killed when police opened fire in hte procession in Chawkbazar area. On 16 September, Bangabandhu joined the coalition government, assuming the charge of Industries, Commerce, Labour, Anti-Corruption and Village Aid Ministry.
1957
On 30 May, Bangabandhu resigned from the cabinet in response to a resolution of the Party to strengthen the organization by working for it full-time. On 7 August, he went on an official tour of China and the Soviet Union.
1958
Pakistan’s President, Major General Iskandar Mirja, and the chief of Pakistan’s Army, General ayub Khan, imposed martial law on 7 October and banned politics. Bangabandhu was arrested on 11 October. Thereafter he was continiously harassed through one false case after another. Released from prison after 14 months, he was arrested again at the jail gate.
1958
Bangabandhu was released from jail after he won a writ petition in the High Court. Then he started underground political activities against the marital law regime and dictator Ayub Khan. During this period he set up an underground organization called “Swadhin Bangla Biplobi Porishad”, or Independent Bangla Revolutionary Council, comprising outstanding student leaders in order to work for the independence of Bangladesh.
1962
Once again Bangabandhu was arrested under the Public Security Act on 6 February. He was freed on 18 June, following the withdrawal of the four-year-long martial law on 2 June. On 25 June, Bangabandhu joined other national leaders to protest the measures introduced by Ayub Khan. On 5 July, he addressed a public rally at Paltan Maidan where he bitterly criticised Ayub Khan. He went to Lahore on 24 September and joined forces with Shaheed Suhrawardy to form the National Democratic Front, an alliance of the opposition parties. He spent the entire month of October travelling across the whole of Bengal along with Shaheed Suhrawardy to drum up public support for the front.
1963
Sheikh Mujib went to London for consultations with Suhrawardy, who was there for medical treatment. On 5 December, Suhrawardy died in Beirut.
1964
The Awami League was revitalized on 25 January at a meeting held at Bangabandhu’s residence. The meeting adopted a resolution to demand the introduction of parliamentary democracy on the basis of adult franchise in response to public sentiment. The meeting elected Maulana Abdur Rashid Tarkabagish as party President and Bangabandhu Sheikh Mujib as General Secretary. On 11 March, an All-party Action Council was formed. Bangabandhu led a committee to resist communal riots. Following the riots he took the initiative to start a vigorous anti-Ayub movement. Bangabandhu was arrested 14 days before the presidential election.
1965
The government charged Sheikh Mujib with sedition and making objectionable statements. He was sentenced to a one year jail term. He was later released on an order of the High Court.
1966
On 5 February, a national conference of the opposition parties was held in Lahore. Bangabandhu placed his historic 6-point demand before the select committee of the conference. The 6-point demand was a palpable charter of freedom of the Bengali nation. On the first day of March, Bangabandhu was elected President of the Awami League. Following his election, he launched a campaign to obtain enthusiastic support for the 6-point demand. He toured the entire country . During his tour he was arrested by the police and detained variously at Sylhet, Mymensing and Dhaka several times, During the first quarter of the year he was arrested eight times. On 8 May, he was arrested again after his speech at a rally of jute mill workers in Narayanganj. A countrywide strike was observed on 7 June to demand the release of Bangabandhu and other political prisoners. Police opened fire during the strike and killed a number of workers in Dhaka, Narayanganjand Tongi.
1968
The Pakistan government instituted the notorious Agartala Conspiracy Case against Bangabandhu and 34 Bengali military and CSP officers. Sheikh Mujib was named accused number one in the case that charged the arrested persons with conspiring to bring about the secession of East Pakistan from the rest of Pakistan. The accused were kept detained inside Dhaka Cantonment. Demonstrations started throughout the province province demanding the release of Bangabandhu and the other co-accused in the Agartala Conspiracy Case. The trial of the accused began on 19 June inside Dhaka Cantonment amidst tight security.
1969
The Central Students Action Council was formed on 5 January to press for the acceptance of the 11-point demand of Bangabandhu. The council initiated a countrywide student agitationto force the government to withdraw the Agartala Conspiracy Case and release Bangabandhu. The agitation gradually developed into a mass movement. After months of protests, violation of Section 144 and curfews, firing by the police and the EPR and a number of casulties, the movement peaked into an unprecedented mass upsurge that forced Ayub Khan to convene a round-table conference of political leaders and annnounce Bangabandhu’s release on parole. Bangabandhu turned down the offer of release in parole. On 22 February, the central government bowed to the continued mass protests and freed Bangabandhu and the other co-accused. The conspiracy case was withdrawn. The Central Students Action Council arranged a reception in honour of Sheikh Mujibur Rahman on 23 February at the Race Course(Suhrawardy Uddyan). At this meeting of one million people, Mujib was publicly acclaimed as Bangabandhu(Friend of Bengal). In his speech on the occasion, Bangabandhu pledged his total support to the 11-point demand of the students.
On 10 March Bangabandhujoined the round- table conference called by Ayub Khan in Rawalpindi. At the conference, Bangabandhu placed the 6- point demand of his party and the 11-point of the students and said “To end the people’s anger there is no alternative to the acceptance of the 6-point and 11-point demand and the granting of regional autonomy.”
When the Pakistani polititians rejected his demand he left the conference on 13 March .The next day he returned to Dhaka . On 25 March Gen. Yahya Khan seized power and imposed martial law. On 25 October, Bangabandhu went to London on a three week organizational tour. On 5 December, Bangabandhu declared at a discussion meeting held to observe the death anniversary of Shaheed Suhrawardy that henceforth East Pakistan would be called Bangladesh. He added “There was a time when all efforts were made to erase the word ‘Bangla’ from this land and its map . The existance of the word ‘Bangla’ was found nowhere except in the term Bay of Bengal. I, on be half of Pakistan, announce today that this land will be called ‘Bangladesh’ instead of ‘East Pkistan ‘.”
1970
Bangabandhu was re-elected President of the Awami League on 6 January. The Awami League at a meeting of the working committee on 1 April decided to take part in the general elections scheduled for later that year. On 7 June, Bangabandhu addressed a public meeting at Race Course ground and urged the people to elect his party on the issue of the 6-point demand . On 17 October, Bangabandhu selected the boat as his party ‘s elections symbol and launched his campaign through an election rally at Dhaka’s Dholai Khal. On 28 October, he addressed the nation over radio and television and called upon the people to elect his party’s candadates to implement the 6-point demand. When a deadly cyclonic storm hit the coastal belt of Bangladesh, killing at least one million people, Bangabandhu suspended his election campaign and rushed to the aid of the helpless people in the affected areas. He strongly condemned the Pakistani rulers’ indifference to the cyclone victims and protested against it. He called on the international community to help the people affected by the cyclone. In the general elections held on 7 December, the Awami League gained an absolute majority. The Awami League secured 167 out of 169 National Assembly seats in the Provincial Assembly.
1971
On 3 January, Bangabandhu conducted the oath of the people’s elected representatives at a meeting at the Race Course ground. The Awami League members took the oath to frame a constitution on the basis of the 6-point demand and pledged to remain loyal to the people who had elected them. On 5 January, Zulfiquar Ali Bhutto, the leader of the majority party, the People’s Party, in the then West Pakistan, announced his readiness to form a coalition government at the centre with the Awami League. Bangabandhu was chosen as the leader of his party’s parliamentary party at a meeting of the National Assembly members elected from his party . On 27 January, Zulfiquar Ali Bhutto arrived in Dhaka for talks with Bangabandhu. The talks collapsed after three days of deliberation. In an announcement on 13 February, President Yahya Khan summoned the National Assembly to convene in Dhaka on 3 March. On 15 February, Bhutto announced that he would boycott the session and demanded that power be handed over to the majority parties in East Pakistan and West Pakistan. In a statement on 16 February, Bangabandhu bitterly criticised the demaned of Bhutto and said, “The demand of Bhutto sahib is totally illogical. Power has to be handed over to the only majority party, the Awami League. The people of East Bengal are now the masters of power.”
On 1 March, Yahya Khan abruptly postponed the National Assembly session, prompting a storm of protest throughout Bangladesh. Bangabandhu called an emergency meeting of the working committee of the Awami League, which called a countrywide hartal for 3 March. After the hartal was successfully observed, Bangabandhu on 3 March called on the President to immediately transfer power to his party.
On 7 March, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, addressed a mammoth publicrally at the Race Course ground, where he declared: “THE STRUGGLE NOW IS THE STRUGGLE FOR OUR EMANCIPATION, THE STRUGGLE NOW IS THE STRUGGLE FOR OUR INDEPENDENCE. JOI BANGLA .”
In this historic speech, Bangabandhu urged the nation to break the suckles of subjugation and declared, “SINCE WE HAVE GIVEN BLOOD, WE WILL GIVE MORE BLOOD. INSHALLAH, THE PEOPLE OF THIS COUNTRY WILL BE LIBERATED….. TURN EVERY HOUSE INTO A FORT. FACE(THE ENEMY) WITH WHATEVER YOU HAVE.”
He advised the people to prepare themselves for a guerilla war against the enemy. He asked the people to start a total non-cooperation movement against the government of Yahya Khan. There were ineffectual orders from Yahya Khan on the one hand, while the nation, on the other hand, received directives from Bangabandhu’s Road 32 residence. The entire nation carried out Bangabandhu’s instructions. Every organization, including government offices, banks, insurance companies, schools, colleges mills and factories obeyed Bangabandhu’s directives. The response of people of Bangladesh to Bangabandhu’s call was unparalleled in history. It was Bangabandhu who conducted the administration of an independent Bangladesh from March 7 to March 25.
On 16 March, Yahya Khan came to Dhaka for talks with Bangabandhu on the issue of transfer of power. Bhutto also came a few days later to Dhaka for talks. The Mujib-Yahya-Bhutto talks continued until 24 March. Yahya Khan left Dhaka in the evining of 25 March, in secrecy. On the night of 25 March, the Pakistan Army cracked down on the innocent unarmed Bangalis. They attacked Dhaka University, the Peelkhana Headquarters of the then East Pakistan Rifles and the Rajarbagh Police Headquarters.
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman read out a wireless message, moments after the crackdown began, declaring the independence of Bangladesh as 25 March gave away to 26 March . His declaration was transmitted over wireless to the country “THIS MAY BE MY LAST MESSAGE, FROM TODAYBANGLADESH IS INDEPENDENT. I CALL UPON THE PEOPLE OF BANGLADESH WHEREVER YOU MIGHT BE AND WITH WHATEVER YOU HAVE, TO RESIST THE ARMY OF OCCUPATION TO THE LAST. YOUR FIGHT MUST GO ON UNTIL THE LAST SOLDIER OF THE PAKISTAN OCCUPATION ARMY IS DRIVEN OUT THE SOIL OF BANGLADESH. FINAL VICTORY IS OURS.”
He called upon all sections of people, including Bengali military and civilian personnel, students, workersa nd peasants, to join the resistance against the occupation Pakistan army. This message of Bangabandhu was immediately disseminated throughout the country through radio equipment under specialarrangements. The same night jawans and officers in Chittagong, Comilla and Jessore cantonments put up resistance to the Pakistan army after receiving this message. Bangabandhu’s declaration was broadcast by Chittagong radio station. The Pakistan army arrested Bangabandhu from his Dhanmandi residence at 1:10 a.m. and whisked him away to Dhaka cantonment. On 26 March he was flown to Pakistan as a prisoner. The same day, General Yahya Khan, in a broadcast banned the Awami League and called Bangabandhu a traitor.
On 26 March M.A. Hunnan, an Awami League leader in Chittagong, read out Bangabandhu’s declaration of independence over Chittagong Radio. On 10 April, the Provisional Revolutionary Government of Bangladesh was formed with Bangabandhu as President.
The revolutionary government took the oath of office on 17 a pril at the Amrakanan of Baidayanathtala in Meherpur, which is now known as Mujibnagar. Bangabandhu was elected President, Syed Nazrul Islam Acting President and Tazuddin Ahmed Prime Minister. The liberation war ended on 16 December when the Pakistani occupation forces surrendered at the historic Race Course ground accepting defeat in the glorious war led by the revolutionary government in exile. Bangladesh was finally free.
Earlier, between Aaugust and September of 1971, the Pakistani janta held a secret trial of Bangabandhu inside Lyallpur jail in Pakistan. He was sentenced to death. The freedom loving people of the world demanded absolute security of Bangabandhu’s life. Once Bangladesh was liberated, the Bangladesh government demanded that Bangabandhu be released immediately and unconditionally. A number of countries, including India, and the Soviet Union and various international organizations urged the release of Bangabandhu. Pakistan had no right to hold Bangabandhu, who was the architect of Bangladesh had been recognised by many countries of the world.
1972
The Pakistan government freed Bangabandhu on 8 January 1972. Bangabandhu was seen off at Rawalpindi by Zulfiquar Ali Bhutto, by now Pakistani’s President. The same day Bangabandhu left for London en rout to Dhaka. In London, British Prime Minister Edward Heath met him. On his way back home from London Bangabandhu had a stop-over in New Delhi, where he was received by Indian President V.V. Giri and Prime Minister Indira Gandi.
A memorable reception was accorded to Bangabandhu when the Father of the Nation reached Dhaka on 10 January. From the airport he drove straight to the Race Course ground where he made a tearful address before the country. On 12 January, Bangabandhu became Bangladesh’s Prime Minister. On 6 February he left for a visit to India at the invitation of the Indian government. After twenty four years the Dhaka University authorities rescined his expulsion order and accorded him the Universities’s life membership.
On 1 March he went to the Soviet Union on an official visit. The allied Indian army left Dhaka on 17 March at the request of Bangabandhu. On 1 May he announced a raise in the salary of class three and four employees of the government. On 30 July Bangabandhu underwent a gall bladder operation in London. From there he went to Geneva. On 10 October the World Peace Council conferred the Jullio Curie award on him. On 4 November, Bangabandhu announced that the first general election in Bangladesh would be held on 7 March, 1973. On 15 December Bangabandhu’s government announced the provition of according state awards to the freedom fighters. On the first anniversary of liberation the Constitution of the Peoples Republic of Bangladesh was adopted. Among the important achievements of the Bangabandhu government: The re-organization of the administrative system, adoption of the constitution, rehabiliation of one crore people, restoration and development of communication system, expansion of education, supply of fre books to students upto class five and at low price to students up to class eight, effective ban on all anti-Islamic and anti-social activities like gambling, horse races, liquor, establishment of Islamic foundation, re-organization of Madrassa Board, establlishedment of 11,000 primary schools, nationalization of 40,000 primary schools, establishment of women’s rehabilitation centre for the welfare of distressed woman. Freedom Fighters Welfare Trust, waiving tax upto 25 bighas of land, distribution of agricultural inputs among farmers free of cost or at nominal price, nationalization of banks and insurance companies abandoned by the Pakistais and 580 industrial units, employment to thousands of workers and employees, construction of Ghorashal Fertilizer Factory, primary work of Ashugangj Complex and establishment of othe new industrial units and reopening of the closed industries. Thus Bangabandhu sucessfully built an infrastructure for the economy to lead the country towards progress and prosperity. Another landmark achievement of the Bangabandhu government was to gain recognition of almost all countries of the world and the United Nations membership in a short period of time.
1973
The Awami secured 293 out of the 300 Jatiya Sangsad(parliament) seats in the first general elections. On 3 September, the Awami League, CPB and NAP formed Oikya Front(United Front). On 6 September, Bangabandhu travelled to Algeria to attend the Non-aligned Movement Summit Conferrence.
1974
The Peoploe’s Republic of Bangladesh was accorded membership of United Nations. On 24 September, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman addressed the UN General Assembly in Bangla.
1975
On 25 January country switched over to the presidential system of governance and Bangabandhu took over as President of the republic. On 24 February, Bangladesh Krishak Awami League, comprising all the poliotical parties of the country, was launched. On 25 February, Bangabandhu called upon all parties and leaders to join this national party. He felt the need for making Bangladesh a self-reliant nation by reducing dependence on forign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-reliance by reducing dependence on foreign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-relaince. He launched the Second revolution to make independence meaningful and ensure food, clothing, shelter, medicare, education and jobs to the people. The objectives of the revolution were: elimination of corruption, boosting production in mills, factories and fields, population control and established of national unity.
Bangabandhu received an unprecedented response to his call to achieve economic freedom by uniting the entire nation. The economy started picking up rapidly within a short time. Production oncreased. Smugling stoped. The prices of essentiala came down to within parchasing capacity of the common man. Imbued with new hope, the people unitedly marched forward to extend the benefits of independence to every doorstep. But that condition did not last long.
In the pre-dawn hours of August 15 the noblest and the greatest of Bangalees in a thousand years, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the architect of Bangladesh and the Father of the Nation, was assassinated by a handful of ambitious and treacherous military officers. On that day, Bangabandhu’s wife, a noble woman, Begum Fajilatunnesa; his eldest son, freedom fighter Sheikh Kamal; second son Lt. Sheikh Jamal; youngest son Sheikh Russel; two daughters-in-law, Sultana Kamal and Rosy Jamal; Bangabandhu’s brother Sheikh Nasser; brothe-in-law and Agriculture Minister Abdur Rab Serniabat and his daughter Baby Serniabat; Bangabandhu’s nephew, youth leader and journalist Sheikh Fajlul Huq Moni and his pregnant wife Arju Moni; Bangabandhu’s security officer Brig. Jamil and a 14-year-old boy Rintoo were killed. In all, the killers slaughters 16 members and relatives of Bangadhu’s family.
Martial law was imposed in the country after the killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Democracy was done away with and basic rights were snached away. Thus began the politics of killing, coups and conspiracy. The people’s rights to food and vote were taken away. There is interntional provision to hold trial of killers to protect human rights in the world. But unfortunately in Bangladesh, a martial law ordinance was decreed(Indemnity Ordinance) exempting the self-confessed killers of Bangabandhufrom any trial. Having captured power illigally through a military coup, Gen. Ziaur Rahman debased the Constitution by incorporating the notorious Indemnity Ordinance in the Fifth Amendment to the Constitution. He rewarded the killers with jobs in Bangladesh diplomatic mission abroad. The Indemnity Ordinance was repealed by Parliament only after the Awami League led by Bangabandhu’s daughter Sheikh Hasina returned to power in 1996. August 15, 1975 is the blackest day in our national life. The nation observes this day as National Mourning Day.

15 August 1975

On 25 January country switched over to the presidential system of governance and Bangabandhu took over as President of the republic. On 24 February, Bangladesh Krishak Awami League, comprising all the poliotical parties of the country, was launched. On 25 February, Bangabandhu called upon all parties and leaders to join this national party. He felt the need for making Bangladesh a self-reliant nation by reducing dependence on forign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-reliance by reducing dependence on foreign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-relaince. He launched the Second revolution to make independence meaningful and ensure food, clothing, shelter, medicare, education and jobs to the people. The objectives of the revolution were: elimination of corruption, boosting production in mills, factories and fields, population control and established of national unity.

Bangabandhu received an unprecedented response to his call to achieve economic freedom by uniting the entire nation. The economy started picking up rapidly within a short time. Production oncreased. Smugling stoped. The prices of essentiala came down to within parchasing capacity of the common man. Imbued with new hope, the people unitedly marched forward to extend the benefits of independence to every doorstep. But that condition did not last long.

In the pre-dawn hours of August 15 the noblest and the greatest of Bangalees in a thousand years, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the architect of Bangladesh and the Father of the Nation, was assassinated by a handful of ambitious and treacherous military officers. On that day, Bangabandhu’s wife, a noble woman, Begum Fajilatunnesa; his eldest son, freedom fighter Sheikh Kamal; second son Lt. Sheikh Jamal; youngest son Sheikh Russel; two daughters-in-law, Sultana Kamal and Rosy Jamal; Bangabandhu’s brother Sheikh Nasser; brothe-in-law and Agriculture Minister Abdur Rab Serniabat and his daughter Baby Serniabat; Bangabandhu’s nephew, youth leader and journalist Sheikh Fajlul Huq Moni and his pregnant wife Arju Moni; Bangabandhu’s security officer Brig. Jamil and a 14-year-old boy Rintoo were killed. In all, the killers slaughters 16 members and relatives of Bangadhu’s family.

Martial law was imposed in the country after the killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Democracy was done away with and basic rights were snached away. Thus began the politics of killing, coups and conspiracy. The people’s rights to food and vote were taken away. There is interntional provision to hold trial of killers to protect human rights in the world. But unfortunately in Bangladesh, a martial law ordinance was decreed(Indemnity Ordinance) exempting the self-confessed killers of Bangabandhufrom any trial. Having captured power illigally through a military coup, Gen. Ziaur Rahman debased the Constitution by incorporating the notorious Indemnity Ordinance in the Fifth Amendment to the Constitution. He rewarded the killers with jobs in Bangladesh diplomatic mission abroad. The Indemnity Ordinance was repealed by Parliament only after the Awami League led by Bangabandhu’s daughter Sheikh Hasina returned to power in 1996. August 15, 1975 is the blackest day in our national life. The nation observes this day as National Mourning Day.

15th August is the National Mourning Day. At the fateful night of August 15 in 1975, the cruelest assassination of history took place.

The founding architect of Bangladesh, Father of the Nation, the Glorious Leader of Liberation War, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was assassinated along with all the members of his family then in Dhaka and other leaders. Anti-Liberation and reactionary international forces with the help of their local henchmen staged this most brutal murder of all times. The anti-liberation reactionary and counter-revolutionary forces usurped the state-power through the assassination of Bangabandhu on August 15, 1975.

The killers brutally murdered not only Bangabandhu, but also his wife Bangamata Fazilatunnesa Mujib, sons Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and Sheikh Russell, daughters-in-Law Sultana Kamal and Parvin Jamal. Seventeen more dear and near ones of Bangabandhu, including his brother Sheikh Abu Naser, brother-in-law Abdur Rab Serniabat, nephew Sheikh Fazlul Haq Moni, Moni’s wife Arju Moni, Shahid Serniabat, Baby Serniabat, Arif Serniabat, Sukanto Abdullah Babu, security officerColonel Jamil Uddin Ahmed and Abdul Noim Khan Rinto were also killed during the world’s most heinous terrorism. Bangabandhu’s daughters, incumbent Prime Minister Sheikh Hasina and Sheikh Rehana, survived the carnage as they were in Germany at that time.

The hyenas did not even spare the life of Bangabandhu’s nine- year-old minor son Sheikh Russel who was awarded a swarm of bullets on his soft chest when he cried out in fear of the horror and requested the killers to take him to his mother.

After 15th August 1975, there came another cataclysmic event that struck Awami League very seriously and led to a temporary vacuum in the leadership: four national leaders, Syed Nazrul Islam, Tajuddin Ahmed, M. Mansur Ali and A.H.M. Kamaruzzaman were killed in Dhaka Central Jail by the same conspirators who had killed Bangabandhu.

From that day, the Bangalees have been holding the shock in their hearts as a source of strength to take revenge of this barbaric assassination by fulfilling the dream of Bangabandhu who wanted to turn Bangladesh into Sonar Bangla, a peaceful abode of teeming millions in this part of the world. The nation this year is observing the day in a different atmosphere as the five death row convicts of the murder trial of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman were hanged in the early hours of January 28 putting an end to the darkest chapter of the nation’s history.

============================================

Begum Fazilatunnesa (Birth: Tungipara, Gopalganj., Aug 8, 1930) – Begum Fazilatunnesa was the wife of Sheikh Mujibur Rahman, mother of Prime Minister Sheikh Hasina. Hasina says her mother was actively involved in forwarding the cause of Bangladesh’s independence and bent on making her husband’s dream come true.

Sheikh Kamal (Birth: Gopalganj, Aug 5, 1949) – Sheikh Kamal was the eldest son of Sheikh Mujibur Rahman. He was a freedom fighter. He was the founder of Abahani Krira Chakra. He also played significant roles in the 1966 movement for self-determination, and the 1969 mass uprising.

Sultana Kamal Khuku (Birth: Dhaka, 1951) – Sultana Kamal Khuku was the wife of Sheikh Kama. She had a BSS (Hons) from Dhaka University. She was an established athlete. She won several national prizes in long jumps with records.

Sheikh Jamal (Birth: Gopalganj, Apr 28, 1954) – Sheikh Jamal was the second son of Sheikh Mujibur Rahman. While being under house arrest with his mother in July, 1971, he fled to free zone and participated in liberation war.

Parveen Jamal Rosy (Birth: Sylhet, 1956) – Parveen Jamal Rosy was the wife of Sheikh Jamal and daughter of Bangabandhu’s younger sister Khadeza Hossain. She was studying at Badrunnesa Ahmed College. Her father was Syed Hossain serving as the establishment ministry secretary under Bangabandhu government.

Sheikh Russel (Birth: Oct 18, 1964) – Sheikh Russel was the youngest son of Sheikh Mujibur Rahman. He was a 10 year-old student at Dhaka University Laboratory High School.

Sheikh Abu Naser (Birth: Tungipara, Gopalganj, Sept 1928) – Sheikh Abu Naser was the younger brother of Sheikh Mujibur Rahman. He was a renowned businessman in Khulna.

Abdur Rab Serniabat,( Birth: Barisal, Chaitra, 1327) – Abdur Rab Serniabat was the husband of Sheikh Mujibur Rahman’s third sister Amena Begum. Bangabandhu appointed him as agriculture minister in 1973. He had a significant role in reforms in agriculture.

Sheikh Fazlul Haque Moni (Birth: Tungipara, Gopalganj, Dec 4, 1939) – Sheikh Fazlul Haque Moni was the eldest son of Sheikh Mujibur Rahman’s elder sister. He was the founding chairman of Awami Juba League.

Begum Arzu Moni (Birth: Barisal, Mar 15, 1947, Barisal) – Begum Arzu Moni was the wife of Sheikh Fazlul Haque Moni. She sat MSS exams in political science in Dhaka University in 1975.

Baby Serniabat (Birth: Barisal, May 20, 1960) – Baby Serniabat was the youngest daughter of Abdur Rab Serniabat. She was a class-nine student of Laboratory High School in Dhaka University.

Shahid Serniabat (Birth: Barisal, Mar 26, 1940) – Shahid Serniabat was a nephew of Abdur Rab Serniabat. He was the correspondent to Dainik Bangla in Barisal.

Abdul Nayeem Khan Rintu (Birth: Barisal, Dec 1, 1957) – Abdul Nayeem Khan Rintu was a cousin of Amir Hossain Amu. He sat SSC exam under Barisal Zilla School in 1975.

Arif Serniabat (Birth: Mar 27, 1964) – Arif Serniabat was the youngest son of Abdur Rab Serniabat. He was a class-four student of Laboratory High School in Dhaka University.

Sukanto Abdullah Babu (Birth: Gauranadi, Barisal, June 22, 1971) – Sukanto Abdullah Babu was a grand son of Abdur Rab Serniabat.

Col. Jamaluddin Ahmed (Birth: Gopalganj, Feb 1, 1933) – Col. Jamaluddin Ahmed was the chief security officer of Sheikh Mujibur Rahman.


Leave a comment

“LIVE STYLE OF MY FATHER”

“LIVE STYLE OF MY FATHER”

by Sheikh Hasina

sheikh hasina, Honorable Prime Minister, People's Republic of Bangladesh

BANGABANDHU SHEIKH MUJIBUR RAHMAN DEDICATED his life to establishing a democratic, peaceful and exploitation-free society called “Sonar Bangla” – Golden Bengal. He sacrificed his life to liberate the Bangalee nation, which had been groaning under the colonial and imperialist yoke for nearly 1,000 years. He is the founding father of the Bangalee nation, generator of Bangalee nationalism and creator of the sovereign state of Bangladesh.

My father spent nearly half his life behind bars and yet with extraordinary courage and conviction he withstood numerous trials and tribulations during the long period of his political struggle. During his imprisonment, he stood face to face with death on at least two occasions, but never for a moment did he waver. As a daughter of Sheikh Mujibur Rahman, I heard many tales about him from my grandfather and grandmother. He was born on Mar. 17, 1920 in Tungipara, in what was then the British Raj. During the naming ceremony my great-grandfather predicted that Sheikh Mujibur Rahman would be a world-famous name.

Honorable Prime Minister Sheikh Hasina

My father grew up rural – amid rivers, trees, birdsong. He flourished in the free atmosphere inspired by his grandparents. He swam in the river, played in the fields, bathed in the rains, caught fish and watched out for birds’ nests. He was lanky, yet played football. He liked to eat plain rice, fish, vegetables, milk, bananas and sweets. His care and concern for classmates, friends and others was well-known. He gave away his tiffin to the hungry, clothes to the naked, books to the needy and other personal belongings to the poor. One day, my grandfather told me, he gave his clothes to a poor boy and came home in his shawl. At the age of 7, he began his schooling, though an eye ailment forced a four-year break from his studies. He married at the age of 11 when my mother was 3. He demonstrated leadership from the beginning. Once in 1939, he led

classmates to demand repair of the school’s roof – just when the premier of then undivided Bengal happened to be in town. Despite a deep involvement in politics, in 1946 he obtained a BA.

Bangabandhu was blessed from boyhood with leadership, indomitable courage and great political acumen. He played an active role in controlling communal riots during the India-Pakistan partition. He risked his life for the cause of truth and justice. He rose in protest in 1948 against the declaration of Urdu as the state language of Pakistan and was arrested the following year.

He pioneered the movement to establish Bangla as the state language. I

n 1966, he launched a six-point program for the emancipation of Bangalees. In 1969, my father was acclaimed Bangabandhu, Friend of Bengal. His greatest strength (and weakness) was his “love for the people.” He is an essential part of the emotional existence of all Bangalees.

The appearance of Bangladesh on the world map in 1971 was the culmination of a long-suppressed national urge. On Mar. 7, 1971, my father addressed a mammoth public meeting in Dhaka and declared: “The struggle now is the struggle for our emancipation; the struggle now is the struggle for Independence.” He sent a wireless message, moments after a crackdown by the Pakistani army, declaring the Independence of Bangladesh in the early hours of Mar. 26. The world knows he courted arrest – and yet Bangabandhu emerged as the unquestioned leader of a newborn

country. Once in power, my father pursued a non-aligned, independent foreign policy based on peaceful coexistence. Its basic tenet: “Friendship to all, malice to none.” He advocated world peace and declared his support for all freedom struggles. He supported the concept of a “Zone of Peace” in the Indian Ocean. In 1974, he was awarded the Julio Curie Prize for his devotion to the cause of peace.

But at a time when Bangladesh was emerging as an advocate for oppressed nations, his foes assassinated him on Aug. 15, 1975. My mother and three brothers were also killed. Even my younger brother Sheikh Russel, who was then nine, was not spared. The only survivors were my younger sister Sheikh Rehana and myself; we were on a trip to Germany.

Consequently, the political ideals for which Bangladesh sacrificed three million of her finest sons and daughters were trampled, and Bangladesh became a puppet in the hands of imperialism and autocracy. By assassinating Sheikh Mujibur Rahman, the conspirators wanted to stop the country’s march to freedom, democracy, peace and development. The process of law and justice were not permitted to take their course; human rights were violated. It is, therefore, the solemn responsibility of freedom- and peace-loving people to help ensure the trial of the plotters and killers of this great leader, my father.

Sheikh Hasina, daughter of the late Sheikh Mujibur Rahman, is the prime minister of Bangladesh.


1 Comment

ওদের রুখে দাঁড়ান এখন

ওদের রুখে দাঁড়ান এখনই – এই মুহূর্তে নারী নীতিমালার বিরোধী মৌলবাদীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে নারী সমাজ। একই আমিনীকে গ্রেফতার দাবি
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের জন্য ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান এবং ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির ফজলুল হক আমিনীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। আমিনী শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সমাবেশে বাংলাদেশে ২০ হাজার মাদ্রাসা রয়েছে উলেস্নখ করে বলেন, তার ডাকের সঙ্গে সঙ্গে তারা সাড়া দেবে এবং এক ঘণ্টার নোটিসে দেশ অচল করে দিতে পারে। আমিনীর এই হুমকির জবাবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি শনিবার বাসসকে বলেন, আমিনীরা ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্ম এবং মাদ্রাসাকে ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, আমিনী ধর্মের কথা বলে কোমলমতি মাদ্রাসার শিশুদের বিপথে চালু করছেন। এতে পুরো মাদ্রাসা শিৰা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। খবর বাসস’র।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০ হাজার মাদ্রাসা আমিনীর অধীনস্থ কোন প্রতিষ্ঠান নয়। এগুলো জনগণ এবং রাষ্ট্রের। মাদ্রাসা শিৰার জন্য বর্তমান মহাজোট সরকার যেসব পদৰেপ নিয়েছে তাতে তিনি আশা করেন, শিক্ষার্থীরাই ধর্মের অপব্যবহারকে প্রতিহত করবে এবং আমিনীর ডাকে সাড়া দেবে না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, আমিনী এমন একটা দল করেন যা সাংগঠনিকভাবে অবৈধ।
সংবিধানের ৩৮ নম্বর ধারায় কোন ব্যক্তির ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল করার অধিকার নেই উলেস্নখ করে তিনি বলেন, আমিনীর দলের অফিস এখনও কেন তাকে তালাবদ্ধ করা হচ্ছে না এবং সংবিধান লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য এখনও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না সেটাই জনগণের প্রশ্ন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মাদ্রাসার ছাত্ররাও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ছিল। সেই সময়ও স্বাধীনতা বিরোধীরা তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।
তিনি বলেন, একাত্তরে তাদের সেই ষড়যন্ত্র যেমন ব্যর্থ হয়েছিল এখনও তা হবে। তবে এ ব্যাপারে একাত্তরের মতো দলমত নির্বিশেষে সমসত্ম দেশবাসীকে আবারও রাজপথে নামতে হবে বলে তিনি উলেস্নখ করেন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম আমিনীর এই বক্তব্যকে দুঃসাহস বললেও কম বলা হবে উলেস্নখ করে তার গ্রেফতারের দাবি জানান। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমিনীরা এ ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০ হাজার মাদ্রাসার মালিক জনগণ, সামপ্রদায়িক ধর্ম ব্যবসায়ী আমিনীরা নয়। আমিনীর নামের আগে মাওলানা শব্দটি বাদ দেয়া উচিত উলেস্নখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা এভাবে রাষ্ট্রের বিরম্নদ্ধে হুমকি-ধমকি দেয় এবং অগণতান্ত্রিক এবং সামপ্রদায়িক কথা বলে তাদের জেলে রাখা উচিত। তিনি আমিনীর এই হুমকি-ধমকিকে ফাঁকা আওয়াজ বলে উলেস্নখ করেন। রাজাকার নিধনের সঙ্গে সঙ্গে দেশ থেকে ধর্মব্যবসায়ী ও জঙ্গীবাদকে উৎখাত করার প্রত্যয় ঘোষণা করেন তাঁরা। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী নেতৃত্বরা এই ঘোষণা দেন। সাংসদ নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, পান্না কায়ছার, এ্যাডভোকেট তারানা হালিম, মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, সাংসদ আমেনা বেগম, মেহের আফরাজ চুমকি, সাগুপ্তা ইয়াসমীন এমিলি, জোবেদা খাতুন, মহিলা লীগের ফারম্নল আক্তার প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার শত শত নারী মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। নারীনীতির বিরোধিতাকারীদের ধিক্কার জানিয়ে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মকে নিজের করে নিয়েছে। তারা ধর্মকে ব্যবসা হিসেবে নিয়ে নারীদের বিরম্নদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ফতোয়া দিয়ে তাদের ঘরে বন্দী করে নির্যাতন করতে চায়। নারীনীতির বিরম্নদ্ধে হরতালের ডাক দেয়া ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে উদ্দেশ করে সাজেদা চৌধুরী বলেন, মৌলবাদীর ডাকা হরতালকে দেশের মানুষ প্রতিহত করবে। কারণ তিনি যে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দেশে জঙ্গী সৃষ্টি করছেন তা দেশের মানুষ জানে। সাজেদা চৌধুরী বলেন, এই সরকার সব সময় নারী উন্নয়নে কাজ করে। যে জন্য সরকারে থেকেও আজকে আমাদের পথে দাঁড়াতে হয়েছে। আমিনীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমিনী যেভাবে ধর্মের দোহাই দেন সেভাবে মনে হয় তিনি ধর্মকে দখল করে নিয়েছেন। অন্য বক্তারা বলেন, আমিনীর ঢাকা হরতালকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নারীরা প্রতিহত করবে। একই সঙ্গে ফতোয়াবাজদের রম্নখে দেবে নারীরা। বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তাঁরা বলেন, একজন নারী হয়ে তিনি কিভাবে নারী আইনের বিরম্নদ্ধে হরতাল দিয়েছেন দেশের নারী সমাজের কাছে তা বোধগম্য নয়। এ সময় বক্তারা খালেদা জিয়াকে দেশের ও নারীদের শত্রম্ন আখ্যা দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে যে সকল স্বাধীনতাবিরোধীরা নারীদের নির্বিচারে নির্যাতন করেছে তিনি তাদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। সেই চিহ্নিত ধর্ষণকারীদের সঙ্গে এক টেবিলে বসেন। এটা নারী জাতির জন্য কলঙ্কজনক। নারী নেতৃবৃন্দ বলেন, হরতাল আহ্বানকারীরা হরতাল সফল হওয়ার যে স্বপ্ন দেখছেন তা কখনও সফল হবে না। বরং মানুষ হরতালে থুথু নিক্ষেপ করবে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীদের মদদ দিয়ে মাঠে নামাচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও ও বিভিন্ন ইসলামী নামের সংগঠন। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালিয়ে তৎপরতা চালাচ্ছে তারা। শনিবার রাজধানীতে গ্রেফতার হওয়া ১৭ শিবির ও জঙ্গীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।
শনিবার ঢাকার কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গ্রেফতার হয় ১৭ শিবির-জঙ্গী। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে অর্ধশতাধিক শিবির ও জঙ্গী যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে সেস্নাগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বেধে যায়। শিবির ও জঙ্গীরা ভাংচুর, লুটপাট ও পুলিশকে লৰ্য করে ইটপাটকেল নিৰেপ করার সময় ১৭ শিবির ও জঙ্গীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচাল ছাড়াও জঙ্গীদের সংগঠিত করে রাজধানী ঢাকা-ঢাকার বাইরে বড় ধরনের নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর নীল-নকশার কথা জানতে পেরেছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।
এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতারের পর তাদের মুক্তির দাবিতে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামানো খোদ ঢাকা থেকেই অনত্মত ৪০ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে শক্তিশালী বোমা। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, বিভিন্নস্থানে যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গীদের নিয়ে জামায়াত ক্যাডাররা ব্যাপক বোমাবাজি, গ্রেনেড হামলা ও স্পর্শকাতর স্থানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজধানীর আরামবাগের জামায়াত-শিবিরের মেসের পাশ থেকে র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪টি শক্তিশালী হাত বোমা উদ্ধার করেছে। মতিঝিল থানায় এই ব্যাপারে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। কুষ্টিয়ায় দুই জামায়াত নেতাকে শক্তিশালী হাতবোমাসহ গ্রেফতার করা হয়।
জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীরা এর আগে গত বছর পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় জঙ্গী মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল দিয়ে চোরাগুপ্তা হামলা চালায় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ ১১ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ১১ জামায়াত_শিবির ও জঙ্গী সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা গুরম্নত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পায়।
গত বছর গ্রেফতার করা হয় ২৫ জামায়াত_শিবির ও জঙ্গীকে। জামায়াতের পলাতক সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুলস্নাহ মোহাম্মদ তাহের নির্দেশ ও উস্কানি দিয়ে মাঠে নামায় তাদের। যুদ্ধাপরাধীর বিচারপ্রক্রিয়া বানচাল ও আটক শীর্ষ জামায়াত নেতাদের মুক্তির জন্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। জামায়াত_শিবিরের গ্রেফতারকৃত ২৫ কর্মী-ক্যাডারকে জিজ্ঞাসাবাদ, অনুসন্ধান ও তদনত্মে এই ধরনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। জামায়াতের সাবেক এমপি ডা. আবদুলস্নাহ তাহের জাতীয় প্রেসক্লাবে গত ৪ আগস্ট গোলটেবিল বৈঠকে বলেছিলেন, তাদের রিজার্ভ ফোর্স রেডি আছে। যে কোন সময়ে তারা মাঠে নামবে। তারপর জামায়াত_শিবিরের ২৫ ক্যাডার একত্রিত হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নেয়ার সময়ে গ্রেফতার হয়। পুলিশ ও গোয়েন্দারা পলাতক জামায়ায় নেতার বক্তব্যের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের মাঠে নামার সম্পৃক্ততার সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছে।
এর আগে রাজধানীর শাহআলী থানাধীন উত্তর বিশালের বাড়ি থেকে জঙ্গী ও জামায়াত_শিবির ক্যাডারদের আসত্মানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য ও জিহাদী বই। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার রতনপুর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুলস্নাহ জায়েদ বিন ছাবিদকে গ্রেফতার করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, জামায়াত_শিবির সংগঠিত হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। অস্ত্র ও গোলাবারম্নদ মজুদের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
গোয়েন্দা ও পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, জামায়াতের সাবেক এমপি ডা. তাহের ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতিকে গ্রেফতারের জন্য মগবাজার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়। তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। আত্মগোপনে থেকে তারা যুদ্ধাপরাধী, শিবির ও জঙ্গীদের সংগঠিত করে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর উস্কানি ও নির্দেশ দিচ্ছে। জামায়াত_শিবিরের রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা এখন নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর কৌশল গ্রহণ করেছে বলে বিভিন্ন সময়ে জামায়াত_শিবির ও জঙ্গী সদস্যরা গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে গুরম্নত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। শনিবার রাজধানী ঢাকার কাকরাইল এলাকায় যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার সময় গ্রেফতারকৃত ১৭ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ১৭ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর তথ্য পাওয়া গেছে।

শতাধিক যান ভাংচুর ॥ রিক্সাওয়ালাদের আকস্মিক তাণ্ডব !!
০ কয়েক এলাকায় রিক্সা চলাচল বন্ধ ও অবৈধ রিক্সা আটকের প্রতিবাদ
০ পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ
০ যানজট দুর্ভোগ দোকানপাট বন্ধ
০ ব্যাটারিচালিত রিক্সাচালকদের মারধর
০ আহত ১০, আটক ১০

রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে অবৈধ রিক্সা উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এবং বিভিন্ন সড়কে রিক্সা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে ঢাকায় রিঙ্াচালকরা শতাধিক যান ভাংচুর করেছে। এ সময় রিক্সাচালকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রৰাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অনত্মত ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা প্রকৃত পৰে রিক্সাাচালক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Leave a comment

Prime Minister Sheikh Hasina yesterday sought cooperation from the women communit

Prime Minister Sheikh Hasina ye

sterday sought cooperation from the women community to implement the newly formulated National Women Development Policy. A certain quarter is misleading the common people by spreading false campaign against the policy, she said while addressing a public meeting at the BA College ground in the afternoon. Hasina said that Awami Legaue (AL) had never gone against the holy Quran and Sunnah and will never do so in the future. “Let me assure you, AL will never go against the holy Quran and Sunnah,” she said.

The prime minister said those who

always wanted to keep the women at the backyard are now talking against the women development policy. “Please help me to implement the women policy for the overall development of women,” she told the meeting. Hasina mentioned that the present government is in power to improve the overall condition of the count

ry. “You’ve voted us to power to bring about a change. We won’t stop our activities before developing the whole country and its people,” she said.

Responding to opposition leader Khaleda Zia’s allegation about the constitution, the PM said the country is being run under the constitution. Major Zia grabbed power illegally violating the Constitution and formed the BNP, she said. “It is regretful that you (Khaleda) are now talking about the constitution. There is nothing to worry about the constitution. The country is running according to the constitution.” Hasina said, “Khaleda Zia is now out of her mind as she can’t make money illegally as in the past.” Abou

t food price hike, she said the present government has taken all necessary steps to ease the public sufferings caused by the price-hike of food. “We’ll ensure that none suffers due to the food price hike.” She said the government has been selling rice and other essentials through OMS across the country to provide essential food items at subsidised prices. The premier said that the previous BNP-led 4-party alliance government had “failed to produce even a single MW of electricity” during its five-year rule.

“But, we’ve already added more than 2,000MW electricity to the national grid,” she said adding that after 2012, sufferings of the people would be alleviated. Referring to Khaleda’s remarks, Hasina said nowadays the opposition leader has become obsessed to say that the government has failed. “Compare your rule with ours; you’ll see who failed to serve the country.” She also alleged that the last time the BNP-Jamaat government had grabbed huge amount of money in the name of providing electricity. The government has already provided maximum facilities to farmers for the development of the agriculture sector, she said.

“We are here to serve you; no one will be able to detract us from that mission. All of us are merely your servants. You voted us to serve you. And we’ll be doing it,” Hasina told the gathering. Sirajganj district AL President Mostafizur Rahman presided over the meeting while Fisheries and Livestock Minister Abdul Latif Biswas, Communications Minister Syed Abul Hossain, PM’s advisers HT Imam and Towfiq-e-Elahi Chowdhury, among others, addressed it.



Leave a comment

দুই লক্ষ মায়েদের সম্ভ্রম নিয়েছে ওরা।

The ‘black night’ of March 25 returns again tonight (Thursday) evoking painful memories of a dreadful night of massacre and mayhem, the beginning of genocide of millions of unarmed sleeping Bangalees by the Pakistani occupation forces in 1971.

On this fateful night in 1971, the Pakistani military rulers launched “Operation Searchlight” killing some 7,000 people irrespective of their class, creed, sex and age in a single night to thwart the independence movement of the freedom-loving Bangalees from the 24-year-old subjugation and exploitation. Most of the halls of Dhaka University including Jagannath Hall were attacked and teachers-students-employees were dragged out of their quarters and dormitories and massacred in hundreds turning the entire campus into a killing ground.

Several structures including the Central Shaheed Minar, the monument of the historic language movement of 1952, and a good number of buildings located at Shakhari Bazar, Tanti Bazar, FrenchRoad and English Road were razed to the ground as the brutal forces used tanks and fired heavy artillery during the crackdown to silence the voice of Bangalees.

 

rape victims of 1971

It was to be only the beginning of the killings that continued for long nine months. On March 26, the nation waged an armed struggle against the Pakistani occupation forces following the declaration ofindependence by father of the nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman.

The Pakistani forces arrested the undisputed leader of independence Bangabandhu from his residence at Dhanmondi Road-32 as he through a wireless message called upon the people to resist the Pakistani occupation forces with what they have possessed. Later, Awami League leader MA Hannan and Major Ziaur Rahman (later president of Bangladesh) read out the proclamation of independence on behalf of Bangabandhu, which was broadcast from Kalurghat Radio Station in port city of Chittagong.

Responding to the call and defying all horrors and atrocities, the Bangalee nation, particularly the young generation from across the country, rose in rebellion and took part in the war of independence of their motherland from the clutches of Pakistani military junta while nearly one crore people took refuge in neighbouring India. After fighting a nine-month-long bloody war, the brave Bangalees ultimately freed the country from the occupation of Pakistani forces with the cooperation of the allied forces of India on December 16 in 1971.

Marking the “Black Night”, Bangabandhu Sangskritik Jote organised a candle-light vigil at the Shikha Chiratan (eternal flame) at Suhrawardy Udyan in the evening paying deep tributes to the martyrs of the Liberation War and demanding start of the trial of the war criminals immediately. Jote vice-president and film actor Faruque and joint secretary Arun Sarker Rana led the programme in which culturalworkers including actors and actresses of the film and stage took part.

black-night25march

Operation Searchlight

It all started with Operation Searchlight, a planned military pacification carried out by the Pakistan Army started on 25 March, 1971 to curb the Bengali nationalist movement by taking control of the major cities on March 26, and then eliminating all opposition, political or military, within one month. Before the beginning of the operation, all foreign journalists were systematically deported from Bangladesh. The main phase of Operation Searchlight ended with the fall of the last major town in Bengali hands in mid May.

#যদি তুমি কাউকে আমাদের স্বধীনতা যুদ্ধের কথা বলতে চাও,তাহলে বলো ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে পাকিস্তানী সেনা আর তাদের এ দেশীয় দোসরের(রাজাকার,আল-বদর.আল-শামস গং), দুই লক্ষ মায়েদের সম্ভ্রম নিয়েছে ওরা।গ্রামের পর গ্রাম,শহরের পর শহর পুড়িয়েছে তারা…সমতলে পড়ে থাকতো লাশ আর নদীতে

25th-march-night-of-BD-libaration

কেবল লাশই ভাসতে দেখা যেতো আর বাতাসে কেবলই লাশের গন্ধ।
#এমন কোন পরিবার ছিল না যারা এ অবন’নীয় কষ্ট থেকে রেহাই পেয়েছে।
#অবশেষে পাকিস্তানী সেনা আর তাদের দোসরেরা পরাজিত হয়েছিল – – জন্ম হয়েছিল বহু আকাঙ্খিত বাংলা নামের দেশের।
#তুমি বোলতে ভুলো না আমাদের মহান স্বধীনতা যুদ্ধের অহংকার জাতির গব’ মুক্তি সেনাদের কথা,তুমি অবশ্যই বোলো বাঙালীর মু্ক্তি সংগ্রামের মহানায়কের কথা – তার নাম তুমি অন্য ভাবে বলবে।তুমি বোলো কিন্তু সেই সব মানুষদের কথা যারা বাঙালীর হাজার বছরের স্বাধীনতার আকাঙ্খাকে পূবা’পর বাস্তবে রুপদানের জন্য যে সব কাজ করেছে তাদের কথা।
# তুমি কিন্তু অবশ্যই বলবে তাদের কথা যারা আমার ত্রিশ লক্ষ প্রাণ,দুই লক্ষ মায়ের সম্ভ্রম হনন করেছে আর পরাজয়ের মূহুতে’ হত্যা করেছে জাতির বিবেক, অহংকার আর গবে’র বুদ্ধিজিবীদের – অবশ্যই তুমি তাদের বিচারের কথা বলবে,এটা বলতে ভুলো না।

The demands for a fair and expeditious trial of the war crimes rang loud and clear, as the nation yesterday celebrated the Independence Day paying tribute to the heroic freedom fighters of 1971.The country observed the 40th anniversary of its independence yesterday. The celebration began with 31 gun salutes before dawn at the National Parade Square in the capital. President Zillur Rahman and Prime Minister Sheikh Hasina placed wreaths at the National Memorial at Savar in the early morning. They stood in solemn silence for a few minutes commemorating the liberation war martyrs. The premier at 9:00am attended the Independence Day parade at the Bangabandhu National Stadium. Bhutanese King Jigme Khesar Namgyel Wangchuck, who is on a Bangladesh visit, was also present. People from all walks of life including families and relatives of the martyrs, victims of war crimes, freedom fighters, socio-political and cultural organisations, human rights bodies and students crowded different memorials across the country with floral wreaths to pay homage to the martyrs. On March 25, 1971, the Pakistani occupation forces in the middle of the night unleashed one of the worst genocides in the history in then East Pakistan to suppress the uprising of Bangalees. On that night before his arrest, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman issued a proclamation of independence. Awami League leader MA Hannan the following day read out

Bangabandhu sheikh mujib

Bangabandhu’s message on air from Chittagong. On March 27, Maj Gen Ziaur Rahman read out the message again.

genocide bangalee


Hearing the declaration of independence from an army officer, the people regained their courage. After a nine-month-long bloody war and sacrifices of three million lives, Bangladesh achieved its independence. Yesterday was a public holiday. The national flag was hoisted on all government, semi-government and other important establishments. Many buildings, vehicles, thoroughfares and road islands in Dhaka were decorated with national flags of different sizes along with banners inscribed with patriotic slogans. The National Memorial reverberated with chanting of slogans and patriotic songs. People from different organisations also placed floral wreaths at Shikha Chirantan at Suhrawardy Udyan in the city. Processions were held in different parts of the city all day. People reiterated their demand for trial of war criminals. They pledged to realise martyrs’ dream of a democratic, prosperous and corruption-free nation.

Cultural programmes were held across the country while the historic 7th March speech by Bangabandhu and patriotic songs of the time of liberation war were played through loudspeakers on many streets.


Leave a comment

Khaleda wants to protect war criminals

Khaleda Zia was threatening anti-government agitation to save the war criminals and Islamist militants.
Honorable Prime Minister Sheikh Hasina has said the opposition leader Khaleda Zia was threatening anti-government agitation to save the war criminals and Islamist militants.

She also said the BNP chief is throwing program’s to protect ill-gotten assets and the corrupt.
BNP is the unparalleled champion when it comes to backing corruption, terrorism and militancy, Hasina said at a program on Monday in the capital’s Osmani Memorial Auditorium organized by Awami League to observe the historical ‘Six-Point Day’.”When we have started procedures of war crimes trial and launching drives against the militants, she (Khaleda) has also started declaring movement programs,” the prime minister said.
She criticized Khaleda’s husband and former president General Ziaur Rhaman for siding with the collaborators of the Pakistan army.
“The war crimes trial process had started, 10,000 criminals were being tried, (former Jamaat-e-Islmai chief) Ghulam Azam was stripped of his Bangladesh citizenship. Ziaur Rahman, however, stopped everything after assuming power.
“He had freed those who were behind bars and reinstated them into politics by creating a new political party,” said Hasina, alluding to BNP’s formation.
Zia had betrayed three million martyrs, she said.
The ruling party chief also slated Zia for killing hundreds of army officials, starting with the very people who had helped him to hold onto power.
Awami League advisory council member Suranjit Sengupta, also present on the occasion, urged the opposition chief to join the budget session of the parliament.
Not on the street, they need to join parliament if they want to talk on the budget.

Prime Minister Sheikh Hasina has accused the BNP-led opposition of plotting to protect the 1971 war criminals. “BNP has been trying its best to scuttle the trial of war criminals to save them. But our government is committed to holding the trial at any cost,” the premier said. They are campaigning at home and abroad to save the war criminals, she said. The premier was speaking to a delegation of human rights activists, journalists and academicians from home and abroad at her office yesterday. The delegates on Sunday participated in the International Conference on Peace, Justice and Secular Humanism in the capital. The MSSK Trust, Forum for Secular Bangladesh and Trial of War Criminals of 1971 and South Asian People’s Union against Fundamentalism and

খল নায়ক থেকে জিয়াকে যারা নায়ক বানাতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে বলবো এরপরও কি আপনারা জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলবেন ? সীমা লঙ্ঘনকারীকে ঈশ্বরও ক্ষমা করবে না। মার্কিন প্রশাসন, কংগ্রেস ও বিভিন্ন বিদেশী পত্রিকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রচারঃ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে হোয়াইট হাউসে প্রেরিত তথ্য; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের পূর্বাংশে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ১৯৭০ থেকে ১৯৭১ সালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার মার্কিন অপ্রকাশিত দলিলের কভার পেজ। সেই দলিলে উল্লেখিত ২৬-২৭ মার্চ তারিখের ঘটনাবলি; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। মার্কিন সিনেটের ২৮ জুলাই, ১৯৭১ সালের কংগ্রেশনাল রেকর্ড; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ২৭ মার্চ, ১৯৭১ নিউ ইয়র্ক টাইমস; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ২৭ মার্চ, ১৯৭১ ওয়াশিংটন পোস্ট; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ২৭ মার্চ, ১৯৭১ টাইম; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ৫এপ্রিল, ১৯৭১ নিউজ উইক, যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন।

Communalism jointly organised the conference. The international personalities assured the prime minister of all-out support for trying the war criminals. They told Sheikh Hasina that if the violators of human rights in 1971 are not brought to justice, similar incidents might happen again in the country. The premier said her government started the process of war crimes trial as it wants to establish the rule of law in the country. The previous governments had destroyed many proofs of war crimes. But the evidence available now is enough to hold the trial maintaining international standards. Her government draws the strength to hold the trial from the people, especially the youths, she said.

The delegates include William Sloan and Eleitha Haynes from Canada; Nurun Nabi, USA; Charis Blackburn and BB Chowdhury from UK; Cecilia Wikstrom, Sweden; Peterus Joseph Noannes Maria Custers, the Netherlands, Mazim Dubaev, Russia, Parvin Najafgholi Ardalan, Iran; Zafar Malik, Naeema Zafar, and Ahmad Salim from Pakistan; former speaker Daman Dhungana, and journalist Yuba Nath Lamsal and poet Bhuban Dhungana from Nepal. Former speaker and minister PA Sangma, Jayanta Kumar Roy, journalist Manas Ghosh, BB Dutta, and Bidyut Debnath from India, and Shahriar Kabir, Muntasir Mamun, Mahfuza Khanam and Ferdousi Priyobhasini were also present.

 

 

 

 

 

This slideshow requires JavaScript.


Leave a comment

৪০তম মহান স্বাধীনতার এই মাসে জানাই মুজিবীয় সুভেচ্ছা

দূরের এবং কাছের, দেশে এবং দেশের বাইরের সকল বাংলা ভাষাভাষী ভাই বোনদের ৪০তম মহান স্বাধীনতার এই মাসে জানাই মুজিবীয় সুভেচ্ছা এবং  সকল শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা । মহান স্বাধীনতার মহা নায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে এ দিবসটি উদযাপনে সকলের কাছেই একটা বিরাট শুন্যতা ভীর করছে। আমরা জানি তাঁকে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। যে একবার যায় সে আর ফিরে না, এইতো বিধির অমোঘ নিয়ম। বাঙ্গালী জাতি যে সোনার মানুষটিকে হারিয়েছে এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট গুটিকয়েক বন্দুকধারী বিপথগামী কুজন্মা কুলাঙ্গার এই বিশ্বকাপানো বিশ্বনেতাকে রাতের অন্ধকারে কাপুরুষের মত স্বপরিবারে হত্যার মাধ্যমে স্বাধীনতার লাল আর সবুজের পতাকায় আবার চন্দ্রবিন্দু (চাঁদ তারা) বসানোর হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছিলো।

বঙ্গবন্ধুর অকাল প্রয়াণে ৩০ লক্ষ বাঙ্গালীর তাজা রক্ত আর লক্ষ লক্ষ মা-বোনের মহা সম্পদ সম্ভ্রম  ইজ্জতের মুল্যে কেনা মহান স্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন হয়েছিলো। আল্লাহর  অশেষ মেহেরবানী বঙ্গবন্ধুকণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মেধা এবং চোউকশ বুদ্ধিমত্তা তথা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়শিক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বলিষ্ঠ ভূমিকা এবং স্বাধীনতাপ্রিয় কোটি কোটি মানুষের ত্যাগ তিতিক্ষা,   দেশমাতৃকার টানে উদ্গত অগাধ ভালোবাসা, সর্বপরি জাতীয় ঔক্য সকল বাঁধা বিপত্তিকে কাটিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সর্বকালের সকল রেকর্ড ভঙ্গ  করে বিপুল ভোটে বিজয়ের মাধ্যমে দিতীয়বার মন্ত্রীপরিষদ গঠণ করেছেন ।

জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নিবাচনী ইশ্তেহারে স্বাধীনতা বিরোধীদের যথাযথ বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রতি প্রদান করেছিলেন । আমরা এখনো আশাবাদী এবং ইনশাল্লাহ তিনি সফল হবেনই।গোটা জাতি এখনো রাজাকার আল বদর এবং আল শামসদের বিচারের আশায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকে বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দ্রব্যমুল্যস্ফীতির কথা বাদ দিলেও রাজাকারের বিচারের বিষয়টি কোনোভাবেই বাদ দেয়া যায়না। গ্যাস বিদ্যুৎ পানিসহ জাতীয় উন্নয়ন সরকারের আগামী অদূর ভবিষ্যতে পুনঃরায় ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে

কিন্তু রাজাকারের যথযথ শাস্তিরবিধান একমাত্র আওয়ামী লীগই করতে পারেচাই ক্ষমতায় দ্বিতীয়বার আসুক আর নাই আসুক। এবং এই বিচার যদি কোনো কারনে বিলম্বিত বা নস্যাৎ হয় তাহলে আমরা ৩০ লক্ষ সহিদের রক্তের সাথে বেঈমানী করার সামিল হবো।

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু হত্যামামলা ১৯৯৬ -২০০১ সময়ের মধ্যেই শেষ করা যেতো। কিন্তু সেখানে বিশেষ বুদ্ধিজীবীদের গদ গদ উপদেশ মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীকে আগামী দিনের ইস্যু হাতে রাখার কবজ বা তাবীয হিসাবে কাজ করবে বলে উৎসাহিত করা হয় এবং মাননীয়নেত্রী বাধ্য হন বঙ্গবন্ধু হত্যামামলা ধীরস্থীর গতিতে চলার নীতি গ্রহণ করতে।

আমি এ লেখাটি লিখতাম না, জানি, যদিও আমার কোনো কোনো ভাই একটু রাগ করবেন। সম্প্রতি আমার কাছে ক্যানাডা থেকে আমার এক “মা” অথবা যদি বলি আমার এক “বোন” আমার কাছে এক হ্রদয় বিদারক ম্যাছেজ পাঠিয়ে জানতে চেয়েছে তাঁর জন্মগত পরিচয় কী? ?

ঐ ম্যাছেজটি আমার http://warcriminalsinbangladesh.wordpress.com  ৩৯ বছরের “বাংলাদেশ” নামের কন্যা সন্তান আজ বড় হয়ে তাঁর পিতৃ পরিচয় জানতে চাইছে। আমাকে জিজ্ঞেস করছে, তুমি মুক্তিযোদ্ধা ৭১ এ যুদ্ধ করেছো? তাহলেতো তুমিই বলতে পারো আমার বাবা কে? আমার মা কোথায় এখন? আমি জে মাদার তেরেসার আশ্রমে জনমে ছিলাম, সেটি কোথায়? এবং শেষের প্রশ্ন “ আমি ক্যানাডায় কেন?

আমি মূখ্র মোউড় কোনো জবাব দিতে পারিনি, শুধু ফেসবুকে সাবেক মন্ত্রী রাজ্জাকভাই, গোপালগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল আলম ভাই এবং মায়াভাইকে লিখলাম ভাই আমরা কি এদের খুঁজে বের করতে পারি? রাগে ক্ষোভে এবং প্রচন্ড ক্ষীপ্রতার সাথে লিখলাম, তাহলে ঐ নরঘাতক নরপিশাচ শুয়োর গোলাম আযম, নিজামী, সাঈদী আর সাকা চোউধুরীকে জিজ্ঞেস করেন?

মোকতেল হোসেন মুক্তি,  মুক্তিযোদ্ধা

https://thefounderofbangladesh.wordpress.com

http://jathirpitha.wordpress.com

http://skmujiburrahman.blogspot.com

https://thefounderofbangladesh.wordpress.com

http://razakarnizami.blogspot.com

http://warcriminalnizami.blogspot.com/

http://warcriminalssakachoudhury.blogpsot.com

http://warcriminalsinbangladesh.blogspot.com

http://ziaandrazakars.blogspot.com

http://khaledaziaandrazakars.wordpress.com


Leave a comment

Vote for Sundarban : Sheikh Hasina, Honorable Prime Minister

A fasicinating beauty of Sundorbon The beautiful sundorbon forest is the located in the khulna region of Bangladesh. It is famous for it’s natural beauty, Royal bengal, deer, mangrove forest and claimity.Now it is running towards the apex position of world wonder’s among the several world beauty place,area,natural and arificial creature.Sundarban has the world largest mangrove forest and natural habitat of Royal Bangal Tiger. Most populer tourist place in Bangladesh. Natural beauty, wildlife, river cruise are attractions for the tourist. Hi every body, I like to say you with cheerfulness that Mangrove Sundorbon is selected one of 7wonder place in world. It is situated in country of Bangladesh at Bagerhat area and fortunately, I live in that district. So I am very happy for it. Sundorbon is the biggest Mangrove forest in the whole world. The Royal Bengel Tiger lives in this Jangle. And many other animals, birds and trees are available in there. Nobody can enter in this jangle without gun. This is very very danger place for human. A lot of wild animals move there. world largest mangrove forest “Sundorbon” | New7Wonders. world largest mangrove forest “Sundorbon” all friends you are invited to visit sundorbon in bangladesh. The beautiful sundorbon forest is the located in the khulna region of Bangladesh. It is famous for it’s natural beauty, Royal bengal, deer, mangrove forest. The government of Bangladesh has recently provided an updated Ramsar Information Sheet on its Sundarbans Ramsar site, first designated for the Ramsar List in May 1992, enlarging its area from 596,000 to 601,700 hectares. Now to be called “Sundarbans Reserved Forest”, this Ramsar and World Heritage site is one of the most important mangrove forests in the world and has been significantly threatened from a number of directions for many years. The nearby Sundarbans mangrove forest across the border in India is not yet a Ramsar site but it is hoped that it will be soon. Ramsar’s Liazzat Rabbiosi has distilled from the new RIS a brief summary of the site’s main ecological and cultural features, and that’s available, with photographs, right here. The Sundarbans Reserved Forest (‘the Beautiful Forest’) is located between 21°27′ and 22°30’N, 89°02′ and 90°00’E at the confluence of the Ganges, Brahmaputra and Meghna rivers, which together with the innumerable small channels and creeks flowing into the Bay of Bengal dissect the whole area creating the largest contiguous mangrove forest in the world. The site is a hotspot of rich flora and fauna, home to a number of unique and globally or nationally endangered species of plants like rare Sundri (Heritiera fomes), Gewa (Excoecaria agallocha), Passur (Xylocarpus mekongensis), animals like endangered Royal Bengal . Tiger (Panthera tigris tigris), vulnerable Pallas Fishing Eagle (Haliaeetus leucoryphus) and Masked Finfoot (Heliopais personata), and critically endangered River Terrapin (Batagur baska), all listed in the IUCN Red Book, rare species of shark (Glephys gangeticus) and very rich avifauna with 315 species of which 84 are migratory. At this transitional zone between freshwater supplied by rivers and saline water pushed by high tides from open sea, many fish species such as Penaeus monodon, Macrobrachium rosenbergii, Lates calcarif, Metapeneaus monoceros and Pangaisus pangaisus depend for spawning and juvenile feeding on the Sundarbans aquatic habitat. The wetland is remarkable for protection from the tidal surge generated from the cyclonic depression in the Bay of Bengal. About one third of the total area is used as protected area for the conservation of biological diversity. In addition, the abundant fish and biomass resources (namely timber, fuelwood, pulpwood, leaves, shells, crabs, honey and fish) are harvested by local communities. There is a shipping route through the Sundarbans. The area’s religious and cultural importance is reflected in a religious festival once a year which attracts local Hindu devotees and in the venerable ruined Hindu temple of Sheikh at Shekher Tek. The reduction in fresh water flow due to water diversion, the construction of dykes combined with the pollution of the industries and the ports of Khulna and Mongla have tremendously affected the plant and fish population of Sundarbans. The site is notable for the long history of scientific management with protected areas established along the southern periphery of this mangrove wetland. There are eight field stations that provide data for a number of ongoing studies and researches. Recently an information and education center was established at Khulna and a new Integrated Sundarbans management plan is under preparation under the Sundarbans Biodiversity Conservation Project funded by Asian Development Bank. world largest mangrove forest “Sundorbon” all friends you are invited to visit sundorbon in bangladesh. The beautiful sundorbon forest is the located in the khulna region of Bangladesh. It is famous for it’s natural beauty, Royal bengal, deer, mangrove forest. Sundorbon: Largest Mangrove Forest in The World. Sundorbon is the largest mangrove forest in the world. It lies across areas of Bangladesh and West Bengal, India. Its a cluster of islands with an approximate area of 6000 sq. km. forming the largest block of littoral forests.It is estimated that there are now 400+ Bengal tigers and about 30,000+ spotted deer in the forest!UNESCO has decleared the Sundorbon a world heritage site that it offers splendid opportunities for tourism. About Sundorbon Forest It’s beauty lies in its unique natural surrounding. The Sundorbon is intersected by a complex network of tidal waterways, mudflats and small islands of salt-tolerant mangrove forests, and presents an excellent example of ongoing ecological processes. Thousands of meandering streams, creeks, rivers and estuaries have enhanced its charm. Sundarbans meaning beautiful forest is the natural habital of the world famous Royal Bengal Tiger, spotted deer, crocodiles, jungle fowl, wild boar, lizards, theses monkey and numerous species of birds. Migratory flock of Siberian ducks flying over thousands of sail boats loaded with timber, golpatta (round-leaf), fuel wood, honey, shell and fish further add to the serene natural beauty of the Sundarbans. It is estimated that there are now 400+ Bengal tigers and about 30,000+ spotted deer in the forest!AREANearly 2400 sq. miles or 6000 sq. km.FOREST LIMITSNorth-Bagerhat, Khulna and Sathkira districts : South-Bay of Bengal; East-Baleswar (or Haringhata) river, Perojpur, Barisal district and West-Raimangal and Hariabhanga rivers which partially form Bangladesh boundary with West Bengal in India. MAIN ATTRACTIONS Wildlife photography including photography of the famous Royal Bengal Tiger, wildlife viewing, boating inside the forest will call recordings, nature study, meeting fishermen, wood-cutters and honey-collectors, peace and tranquility in the wilderness, seeing the world’s largest mangrove forest and the riverine beauty. Sundorbon selected as one of the new seven wonders of the world!


1 Comment

১৯৭৫ থেকে ২০১১ সকল হত্যাকান্ডের বিচার চাই।

Bangabondhu, Bangladesh and our independence have very closed relation. Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman had one of the great nationalizes leader in the world. Bangabondhu (http://www.humanrightstoday.info/?p=714) was the pioneer and architect of independent Bangladesh and its sovereignty. His political prudence, indomitable courage, eloquence and powerful leadership motivated the countrymen to join in the war of liberation.

Ebarer shongram amader shadhinathar shongram

Bangabondhu proclaimed independence on March 26 in 1971 and the people dived into nine months long bloody battle and achieved the long desired sweetest freedom, He also gave restless effort to represent an esteemed Bangalee nation on the world stage. His golden-etched name will remain in the history of Bangalees and Bangladesh forever. But our nation has been waiting from 34 years for justice his brutal murders.
August 15 in 1975 is a black-chapter in the history of Bangalee nation. Bangabondhu and his family members were ruthlessly murdered by anti liberation force and with the help of army member in this day. And the nation incurred an irretrievable loss. The nation is deeply shocked and full with grief for this shameful incident. Now, Prime Minister Sheikh Hasina, the daughter of Bangabondhu is the main target by killer’s group especially Islamic militant group.

sheikh russell

The country today observes National Mourning Day on the 34th death anniversary of Father of the Nation Bangabondhu, with a vow to implement the longstanding High Court verdict in the case in connection with his murder. The day is a public holiday. The government chalked out nationwide programmes to observe the day at the state level. Prime Minister Sheikh Hasina (she is a daughter of Bangabondhu), will visit her father’s grave at Tungipara under Gopalgonj district today. Along with ruling Awami League (AL), different political parties, and student and socio-cultural organizations also planned programmes to mourn the killings of Bangabondhu and most of his family members on this day in 1975. Three separate attacks on this day 34 years ago left 24 people killed. Bangabandhu’s two daughters — Sheikh Hasina and Sheikh Rehana — could escape the bloodbath as they were abroad at the time. The victims also including wife of Bangabondhu Begum Fazilatunnesa Mujib, sons Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and nine-year-old Sheikh Russell, daughters-in-law Sultana Kamal and Parveen Jamal, brother Sheikh Naser, nephew Sheikh Fazlul Huq Moni and his wife Begum Arju Moni, brother-in-law Abdur Rab Serniabat, 13-year-old Baby Serniabat, Serniabat’s son Arif and four-year-old grandson Babu, three guests, Bangabondhu’s four domestic helps, and his security chief Col Jamil Uddin Ahmed.

 

ahsan ullah master এম পি

Bangabondhu united the Bangalees to throw off the shackles of Pakistani oppression and steered them towards independence. His stirring speech on March 7, 1971, before a crowd of lakhs ready to stake everything for freedom, left an indelible imprint on the nation’s memory. For 21 long years, his killers had been immune from prosecution due to the Indemnity Ordinance, which was finally repealed in 1996, paving the way for trials of the killers. A murder case was filed on October 2, 1996. In November 1998, a trial court awarded death penalty to 15 former army officers for killing Bangabondhu and his family members. The High Court (HC) upheld the death sentences of 12. Five of the condemned — dismissed army personnel Lt Col Syed Farooq-ur Rahman, Lt Col Sultan Shahriar Rashid Khan, Lt Col Muhiuddin Ahmed, Maj AKM Mahiuddin Ahmed, and Maj Bazlul Huda — are behind bars while six are hiding abroad. Another condemned Aziz Pasha died. The five condemned convicts filed separate appeals with the Appellate Division of Supreme Court in the last week of October 2007 against their death sentences pronounced by the HC.Law Minister Shafique Ahmed recently told journalists that hearings of the appeals will start soon as there is no shortage of judges in the Supreme Court now. The condemned six still at large are Shariful Haque Dalim, AKM Mahiuddin, Rashed Chowdhury, Nur Chowdhury, Abdul Mazed, and Moslemuddin.

Ivy Rahman

In the daily Star published a special report on 15 August of 1975. The report says. Islamic radicalism, menacing the nation for years now, was something India and the United States learnt to dread soon after the assassination of Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman. Documents lately declassified by the US Office of the Historian show the apprehension had its roots in the perception that Bangabondhu’s killers–all military officers–were “pro-US, anti-Soviet Union, Islamic, and less pro-Indian than the past leadership”.
The August 15 bloodbath in 1975 left Mujib and most of his family butchered and his party in total disarray. It led to the assumption that Pakistan would regain its sway on the nation it sought to subdue only a few years back. In the context of the cold war dynamics, India and the US were also concerned that China, which recognized Bangladesh only after August 1975, might help radical communist elements thrive in the delta sliding into militocracy. All these worries were reflected in a conversation between the then US secretary of state Henry Kissinger and Indian external minister YB Chavan.
The US Office of the Historian, which is responsible for preparation and publication of the official historical documentary record of American foreign policy, has transcript of the conversation that took place at the US Department of State on October 6, 1975. There, the discussion related to the developments in Bangladesh goes like this:
YB Chavan: The new president [Khandaker Mushtaque Ahmed] has sent us assurances that he was standing by the same policy but we are concerned, in particular, whether the new government will take an extreme Islamic posture. This would create problems for the minority in Bangladesh. If the Hindus again feel insecure, there might be a new wave of refugees. Kissinger: Is there a large minority group in Bangladesh? Chavan: About 15%. It is a major factor. So far the new government (after Mujib killing) has given assurances it would follow the same policy as Mujib, but we are naturally worried about the influence of Pakistan on Bangladesh. Kissinger: What is your impression? Chavan: They have just announced diplomatic relations. This is a good thing. Even under Mujib we recommended this. We never wanted an exclusive relationship with Bangladesh. Our worry is only this: That they might try to give a different connotation to the situation by giving an Islamic twist to things. Also the Chinese recognized [Bangladesh] only after the coup. Frankly, we are worried. There are radical communist elements in Bangladesh which the Chinese might try to help. Here we hope the US and India will have a common approach.

After a while, Kissinger asked his Indian counterpart, “What is the tendency of the [Bangladesh] military? Is it anti-Indian?” Chavan replied, “Frankly, there is some anti-Indian tendency, I am sorry to say.” At this point, Kewal Singh, the then secretary of Indian external affairs ministry, chipped in, “Some people hostile to Mujib were brought back. We don’t want to give the impression we are concerned but pro-Islamic and pro-radical groups have some strength.”

 

bastard war criminal Henry Kissinger & others

Chavan and Kissinger met the following day as well and talked about Bangladesh. Almost immediately they got down to serious talking about political ramifications of the August 15 coup d’état. Yet again, the Indian minister said, “We are worried about Bangladesh. Radical movements are already there. If Pakistan and China converse their efforts, this could pose a problem. This would be a new factor in South Asia which needs assessment.” The secretary of state said, “Previously, the Chinese were opposed to Bangladesh. They were not among Mujib’s admirers.” As he asked if India had any advance indication of the coup, his opposite number replied, “None.”

 

Kissinger then observed, “People are always complaining that we don’t know about things in advance…They should realize that any coup that succeeds must have fooled someone. Mujib just couldn’t have imagined that anyone would organize a coup against him. As I understand it, your relations with Bangladesh are now good. What you are concerned about is a future possibility.”

TN Kaul, the then Indian ambassador to the US, added, “The danger is Pan Islamism.” At one point, Kissinger said, “The real worry would be if countries with resources like Saudi Arabia get radical leaders. Then there would be trouble.” Kaul said, “One reason why we banned the Jamaat Islami and RSS is that these parties were getting money from the outside.” The Kissinger-Chavan meeting gives an impression that none of the two countries had prior knowledge of the military takeover.

But the US state department’s documents suggest quite the contrary. They show that like India, the US had gathered that something sinister was brewing, and it had even informed Bangabondhu about it. Minutes of a staff meeting headed by Kissinger after August 15, show that the US was well aware of the plot. There, Kissinger was heard enquiring Alfred Atherton Jr., assistant secretary of state for Near Eastern and South Asian affairs in 1974-1978, about the assassination. Atherton said the US had lots of indications in March that some quarters were scheming to kill Mujib. Kissinger asked, “Didn’t we tell him [Mujib] about it?” The assistant secretary of state said, “We told him at the time.” As his boss pressed to know if Bangabondhu was told who it was going to be, Atherton answered, “I will have to check whether we gave him the names.” At that point, Hyland of Bureau of Intelligence and Research said, “We were a little imprecise on that.”
Referring to the US alerting Bangabondhu to the danger of an attack on him, Atherton said, “He [Mujib] brushed it off, scoffed at it, and said nobody would do a thing like that to him.” Kissinger remarked, “He was one of the world’s prize fools.” Talking about the coup leaders, Atherton said, “They are military officers, middle and senior officers, who are generally considered less pro-Indian than the past leadership; pro-US, anti-Soviet.” The secretary of state responded, “Absolutely inevitable.” And Atherton went on, “Islamic. They have changed the name to the Islamic Republic” Kissinger said, “That they would be pro-US was not inevitable. In fact, I would have thought at some turn of the wheel they were going to become pro-Chinese, and anti-Indian I firmly expected. I always knew India would rue the day that they made Bangladesh independent. I predicted that since ’71.”
Major Dalim, one of the on-the-run convicted killers of Bangabondhu, in a radio announcement soon after the killings declared the country would now be named “Islamic Republic of Bangladesh”. The declaration which eventually did not materialise was a complete contrast to the secular ideals that stirred Bangalees to fight for independence from “Islamic Republic of Pakistan” in 1971.
Though the republic’s name was spared a change, its constitution soon lost secular character. The original charter saw secularism dropped as one of its four fundamental principles. It also had ‘Bismillahir Rahmanir Rahim’ in the preamble.
Even more alarming was the scrapping of the ban on religion-based political parties. During the rule of Ziaur Rahman, five parties including Jamaat-e-Islami, which collaborated with the Pakistani occupation forces and committed genocide and numerous atrocities during the Liberation War, were allowed to be in politics again. The government of independent Bangladesh in its first decision banned these parties that always oppose the nation’s independence and thrive on communal disturbances. In the early 80s, the country’s second military ruler HM Ershad introduced Islam as state religion, dealing a death blow to secularism.

The rise of Islamist militancy, once a fear, is a reality now, 34 years after the August 15 carnage. During the BNP-Jamaat-led rule in 2001-2006, Islamist outfits spread tentacles across the country thanks to patronage from some influential leaders of the ruling alliance. Though the BNP government woke up to the dangers of militancy towards the end of its tenure, it was too little too late. Now the task lies with Awami League-led grand alliance that came to power on promises that include the one to root out militancy. And at the centre stage in the combat against militancy is Prime Minister Sheikh Hasina, who herself had been the target of several attacks.

Now the peoples of Bangladesh have don’t want to bother any late to execute the killers of Bangabondhu. In the same time we want to see immediately the constitution of 1972 which was made after our independence. We want to see to our loving country Bangladesh as an actual democratic country, there will have rule of law, good governance, enough food for our poor peoples, nutrition for all children’s, there have no discrimination. Source: the daily Star & BD
You can agree or disagree with his political philosophy, but even his enemies have no doubt about the patriotism of this man: Sheikh Mujibur Rahman, the founding father of Bangladesh. He spent most of his life fighting against the injustice bestowed upon Bangalees, first by the British, and then by the Pakistani Panjabi military/civil junta. After the mass uprising of 1969, he was given the title “Bangabandhu”, means “Friend of Bengal”. He is largely known as Bangabandhu among the millions of Bangalees.
History of Bangladesh is largely interconnected with the life of Bangabandhu. He was a young political activist during the British rule. He was active in every political event of then East Bengal/East Pakistan: the Language Movement of 1952, Jukta Front election of 1954, Student Movement of 1962, 6-Point Demand of 1966, Mass Uprising of 1969, and finally Bangladesh Liberation War of 1971 against the Pakistanis. He was imprisoned more than a decade during the 24-years of Pakistani rule.
What the Pakistanis could not do, some corrupt military officers were able to do so in our own soil. They killed Bangabandhu along with most of his extended family in August 15, 1975, just after 3 and 1/2 years of independence. Two of his daughters, Shiekh Hasina and Sheikh Rehana, survived. In November 4, 1975, they killed 4 national leaders, cornerstone of our Liberation War: Syed Nazrul Islam, Taz Uddin Ahmed, Captain Mansoor Ali, and Kamrujjaman.
Without a doubt, Bangabandhu is the greatest Bangalee of our known history. He gave us a nation, a new country, a new identity. Even today, he is more powerful as dead than anyone of us alive.
Credits:All of the pictures and information in this book is contained in the book JATIR JANAK Father of the Nation, publised by Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Memorial Trust, Road 32, Dhanmondhi R/A, Dhaka-1209. This book was published in August 1, 1997 and available in Muktizuddha Jadughar, Dhaka

The murderers of Bangabandhu should be bringing back.
“Bangabandhu” Sheikh Mujibur Rahman: A Political Profile

1920
Sheikh Mujibur Rahman was born in a respectable Muslim family on 17 March 1920, in Tungipara village under the then Gopalganj subdivision (at present district) of Faridpur district .He was the third child among the four daughters and two sons of Sheikh Luthfur Rahman and Sheikh Sahara Khatun. His parents called him Khoka out of affection. Bangabandhu spent his childhood in Tungipara.

1927
At the age of seven, Bangabandhu began his shooling at Gimadanga Primary school. At nine, he was admitted to class three at Gopalganj Public School. Subsequently, he was transferred to a local Missionary School.

1934
Bangabandhu was forced to go for a break of study when, at the age of fourteen, one of his eyes had to be operated on.

1937
Bangabandhu returned to school after break of four years caused by the severity of an eye operation.

1938
At eighteen Mujib married Begum Fazilatunnesa.They later became the parents of two daughters, Sheikh Hasina and Sheikh Rehana and three sons, Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and Sheikh Rassel. All the sons were to be killed along with their parents on 15 August, 1975.

1939
Bangabandhu’s political career was effectively inaugurated while he was a student of Gopalganj Missionary School. He led a group of students to demand that cracked roof of the school be repaired when ‘Sher-e-Bangla’ A.K. Fazlul Haque, Chief Minister of undivided Bengal, came to visit the school along with Huseyn Shaheed Suhrawardy.
1940
Sheikh Mujib joined the Nikhil Bharat Muslim Chathra Federation (All India Muslim Students Federation). He was elected councillor for a one year term.

1942
Sheikh mujibur Rahman passed the Entrance (Corrently Secondary School Certificate) examination. He then took admission as an intermidiate student in the Humanities faculty of Calcutta Islamia College, where he had lodgins at Baker Hostel. The same year Bangabandhu got actively involved with the movement for the creation of Pakistan.
1943
Sheikh Mujib’s busy and active political career took off in the literal sense with his election as a Councillor of the Muslim League.

1944
Bangabandhu took part in the conference of All Bengal Muslim Students League held in Kushtia, where he played an important role. He was also elected Secretary of Faridpur District Association, a Calcutta-based organisation of the residents of Faridpur.
1946
Sheikh Mujib was elected General Secretary of Islamia College Students Union.
1947
Bangbandhu obtained Bachelor of Arts degree from Islamia College under Calcutta Universiy. When communal riots broke out in the wake of the partition of India and the birth of Pakistan, Bangabandhu played a pioneering role in protecting Muslims and trying to contain the violence.

1949
Bangabandhu took admission in the Law department of Dhaka University. He founded Muslim Students League on 4 January. He rose in spontaneous protest on 23 February when Prime Minister Khwaja Najimuddin in his speech at the Legislative Assembly declared: “The people of East Pakistan will accept Urdhu as their state language.” Khwaja Najimuddin’s remarks touched off a storm of protest across the country. Sheikh Mujib immediately plunged into hectic activities to build a strong movement against the Muslim League’s premediated, heinous design to make Urdhu the only state language of Pakistan. He established contacts with students and political leaders. On 2 March, a meeting of the workers of different political parties was held to chart the course of the movement against the Muslim League on the language issue. The meeting held at Fazlul Haq Hall approved a resolution placed by Bangabandhu to form an All-party State League Action Council. The Action Council called for a general strike on 11 March to register its protest against the conspiracy of Muslim League against Bangla. On 11 March, Bangabandhu was arrested along with some colleagues while they were holding a demonstration in front of the Secretariat building. The student community of the country rose in protest folloing the arrest of Bangabandhu. In the face of strong student movement, Muslim League government was forced to release Bangabandhu and other students leaders on 15 March. Following his release, the All-party State Language Action Council held a public rally at Dhaka University Amtala on 16 March. Bangabandhu presided over the rally, which was soon set upon by the police. To protest the police action Bangabandhu announced a countrywide student strike for 17 March. Later, on 19 May, Bangabandhu led a movement in support of Dhaka University Class Four employees struggling to redress the injustice done to them by their employers. Mujib was arrested again on 11 September.
1948
Sheikh Mujib was released from jail on 21 January. Bangabandhu extended his support to a strike called by the Class Four employees of Dhaka University to press home their various demands. The university authorities illogically imposed a fine on him for leading the movement of the employees. He rejected the unjust order. Eventually, the Anti-Muslim League candidate Shamsul Huq won by-election in Tangailon 26 April . Mujib was arrested for staging a sit-in strike before the Vice-Chancellor’s residence. When the East Pakistan Awami Muslim League was formed on 23 June, Bangabandhu was elected its Joint Secretary despite his incarceration. He was released in late June. Immediately after his release, he began organising an agitation against the prevailing food crisis.In September he was detained for violating Section 144. Later, however, he was freed. He raised the demand for Chief Minister Nurul Amin’s resignation at a meeting of the Awami Muslim League in October. The Awami Muslim League brought out an anti-famine procession in Dhaka on the occasion of Pakistan’s Prime Minister Liaquat Ali Khan’s visit to the province. Once again Bangabandhu was arrested and jailed, this time for two years and five months for leading the demonstration.
1952
On 26 January, Khwaja Najimuddin declare that Urdhu would be the state language of Pakistan. Though still in jail, Bangabandhu managed to play a leading role in organizing a protest against this announcement. From prison he sent out a call to the State Language Action Council to observe 21 February as Demand Day for releasing political prisoners and making Bangla the state language. He began a hunger strike on 14 February. On 21 February the student community violated Section 144 and brought out procession in Dhaka to demand the recognition of Bangla as the state language. Police opened fire, killing in the process Salam, Barkat, Rafiq, Jabbar, and Shafiur, who thus became martyrs of the Language Movement. In a statement from jail, Bangabandhu condemned the police firing and registered his strong protest. He was on hunger strike for 13 consecutive days. He was moved from Dhaka Central Jail to Faridpur Jail to prevent him from making contact with the organizers of the movement. He was released from jail on 26 February.

1953
On 9 July, Mujib was elected General Secretary of East Pakistan Awami League at its council session. Efforts were made to forge unity among Moulana Bhashani, A.K.Fazlul Huq and Shaheed Suhrawardy with the objective of taking on the Muslim League at the general elections. To achieve this goal, a special council session of the party was called on 14 November, when a resolution to form the Juktha Front(United Front) was approved.
1954
The first general election were held on 10 March. The United Front won 223 seats out of a total of 237, including 143 captured by the Awami League. Bangabandhu swept the Gopalganj constituencey, defeating the powerful Muslim League leader Wahiduzzaman by a magin of 13,00 votes. On 15 May, Bangabandhu was given charge of the Ministry of Agriculture and Forests when the new provincial government was formed. On 29 May the Central Government arbitrarily dismissed the United Front Ministry. Bangabandhu was again arrested once he landed at Dhaka airport after a flight from Karachi on 30 May. He was freed on 23 December.

1955
Bangabandhu was elected a member of the legislative Assembly on June. The Awami League held a public meeting at Paltan Maidan on 17 June where it put forward a 21-point programme demanding autonomy for East Pakistan. On 23 June, the Working Council of the Awami League decided that its members would resign from the Legislative Assembly if autonomy was not granted to East Pakistan. On 25 August, Bangabandhu told Pakistan’s Assembly in Karachi: “SIR, YOU WILL SEE THAT THEY WANT TO PLACE THE WORD ‘EAST PAKISTAN’ INSTEAD OF ‘EAST BENGAL’. WE HAVE DEMANDED SO MANY TIMES THAT YOU SHOULD USE BENGAL INSTEAD OF PAKISTAN. THE WORD ‘BENGAL’ HAS A HISTORY, HAS A TRADITION OF ITS OWN. YOU CAN CHANGE ONLY AFTER THE PEOPLE HAVE BEEN CONSULTED. IF YOU WANT TO CHANGE IT THEN WE HAVE TO GO BACK IN BENGAL AND ASK THEM WHETHER THEY ACCEPT IT. SO FAR AS THE QUESTION OF ONE-UNIT IS CONCERNED IT CAN COME IN THE CONSTITUTION. WHY DO YOU WANT IT TO BE TAKEN UP JUST NOW ? WHAT ABOOUT THE STATE LANGUAGE, BENGALI? WE WILL BE PREPERED TO CONSIDER ONE-UNIT WITH ALL THESE THINGS. SO, I APPEAL TO MY FRIENDS ON THAT SIDE TO ALLOW THE PEOPLE TO GIVE THEIR VERDICT IN ANY WAY, IN THE FORM OF REFERENDUM OR IN THE FORM OF PLEBISCITE.” On 21 October, the party dropped the word Muslim from its name at a spacial council of the Bangladesh Awami League, making the party a truly modern and secular one. Bangabandhu was re-elected General Secretary of the Party.
1956
On 3 February, Awami League leaders, during a meeting with the Chief Minister, demanded that the subject of provincial autonomy be included in the draft constitution. On 14 July, the Awami League at a meeting adopted resolution opposing the representation of the military in the administration . The resolution was moved by Bangabandhu. On 4 September, an anti-famine procession was brought out under the leadership of Bangabandhu defying Section 144. At least 3 people were killed when police opened fire in hte procession in Chawkbazar area. On 16 September, Bangabandhu joined the coalition government, assuming the charge of Industries, Commerce, Labour, Anti-Corruption and Village Aid Ministry.
1957
On 30 May, Bangabandhu resigned from the cabinet in response to a resolution of the Party to strengthen the organization by working for it full-time. On 7 August, he went on an official tour of China and the Soviet Union.

1958
Pakistan’s President, Major General Iskandar Mirja, and the chief of Pakistan’s Army, General ayub Khan, imposed martial law on 7 October and banned politics. Bangabandhu was arrested on 11 October. Thereafter he was continiously harassed through one false case after another. Released from prison after 14 months, he was arrested again at the jail gate.

1958
Bangabandhu was released from jail after he won a writ petition in the High Court. Then he started underground political activities against the marital law regime and dictator Ayub Khan. During this period he set up an underground organization called “Swadhin Bangla Biplobi Porishad”, or Independent Bangla Revolutionary Council, comprising outstanding student leaders in order to work for the independence of Bangladesh.
1962
Once again Bangabandhu was arrested under the Public Security Act on 6 February. He was freed on 18 June, following the withdrawal of the four-year-long martial law on 2 June. On 25 June, Bangabandhu joined other national leaders to protest the measures introduced by Ayub Khan. On 5 July, he addressed a public rally at Paltan Maidan where he bitterly criticised Ayub Khan. He went to Lahore on 24 September and joined forces with Shaheed Suhrawardy to form the National Democratic Front, an alliance of the opposition parties. He spent the entire month of October travelling across the whole of Bengal along with Shaheed Suhrawardy to drum up public support for the front.

1963
Sheikh Mujib went to London for consultations with Suhrawardy, who was there for medical treatment. On 5 December, Suhrawardy died in Beirut.

1964
The Awami League was revitalized on 25 January at a meeting held at Bangabandhu’s residence. The meeting adopted a resolution to demand the introduction of parliamentary democracy on the basis of adult franchise in response to public sentiment. The meeting elected Maulana Abdur Rashid Tarkabagish as party President and Bangabandhu Sheikh Mujib as General Secretary. On 11 March, an All-party Action Council was formed. Bangabandhu led a committee to resist communal riots. Following the riots he took the initiative to start a vigorous anti-Ayub movement. Bangabandhu was arrested 14 days before the presidential election.
1965
The government charged Sheikh Mujib with sedition and making objectionable statements. He was sentenced to a one year jail term. He was later released on an order of the High Court.

1966
On 5 February, a national conference of the opposition parties was held in Lahore. Bangabandhu placed his historic 6-point demand before the select committee of the conference. The 6-point demand was a palpable charter of freedom of the Bengali nation. On the first day of March, Bangabandhu was elected President of the Awami League. Following his election, he launched a campaign to obtain enthusiastic support for the 6-point demand. He toured the entire country . During his tour he was arrested by the police and detained variously at Sylhet, Mymensing and Dhaka several times, During the first quarter of the year he was arrested eight times. On 8 May, he was arrested again after his speech at a rally of jute mill workers in Narayanganj. A countrywide strike was observed on 7 June to demand the release of Bangabandhu and other political prisoners. Police opened fire during the strike and killed a number of workers in Dhaka, Narayanganjand Tongi.

1968
The Pakistan government instituted the notorious Agartala Conspiracy Case against Bangabandhu and 34 Bengali military and CSP officers. Sheikh Mujib was named accused number one in the case that charged the arrested persons with conspiring to bring about the secession of East Pakistan from the rest of Pakistan. The accused were kept detained inside Dhaka Cantonment. Demonstrations started throughout the province province demanding the release of Bangabandhu and the other co-accused in the Agartala Conspiracy Case. The trial of the accused began on 19 June inside Dhaka Cantonment amidst tight security.

1969
The Central Students Action Council was formed on 5 January to press for the acceptance of the 11-point demand of Bangabandhu. The council initiated a countrywide student agitationto force the government to withdraw the Agartala Conspiracy Case and release Bangabandhu. The agitation gradually developed into a mass movement. After months of protests, violation of Section 144 and curfews, firing by the police and the EPR and a number of casulties, the movement peaked into an unprecedented mass upsurge that forced Ayub Khan to convene a round-table conference of political leaders and annnounce Bangabandhu’s release on parole. Bangabandhu turned down the offer of release in parole. On 22 February, the central government bowed to the continued mass protests and freed Bangabandhu and the other co-accused. The conspiracy case was withdrawn. The Central Students Action Council arranged a reception in honour of Sheikh Mujibur Rahman on 23 February at the Race Course(Suhrawardy Uddyan). At this meeting of one million people, Mujib was publicly acclaimed as Bangabandhu(Friend of Bengal). In his speech on the occasion, Bangabandhu pledged his total support to the 11-point demand of the students.
On 10 March Bangabandhujoined the round- table conference called by Ayub Khan in Rawalpindi. At the conference, Bangabandhu placed the 6- point demand of his party and the 11-point of the students and said “To end the people’s anger there is no alternative to the acceptance of the 6-point and 11-point demand and the granting of regional autonomy.”
When the Pakistani polititians rejected his demand he left the conference on 13 March .The next day he returned to Dhaka . On 25 March Gen. Yahya Khan seized power and imposed martial law. On 25 October, Bangabandhu went to London on a three week organizational tour. On 5 December, Bangabandhu declared at a discussion meeting held to observe the death anniversary of Shaheed Suhrawardy that henceforth East Pakistan would be called Bangladesh. He added “There was a time when all efforts were made to erase the word ‘Bangla’ from this land and its map . The existance of the word ‘Bangla’ was found nowhere except in the term Bay of Bengal. I, on be half of Pakistan, announce today that this land will be called ‘Bangladesh’ instead of ‘East Pkistan ‘.”

1970
Bangabandhu was re-elected President of the Awami League on 6 January. The Awami League at a meeting of the working committee on 1 April decided to take part in the general elections scheduled for later that year. On 7 June, Bangabandhu addressed a public meeting at Race Course ground and urged the people to elect his party on the issue of the 6-point demand . On 17 October, Bangabandhu selected the boat as his party ‘s elections symbol and launched his campaign through an election rally at Dhaka’s Dholai Khal. On 28 October, he addressed the nation over radio and television and called upon the people to elect his party’s candadates to implement the 6-point demand. When a deadly cyclonic storm hit the coastal belt of Bangladesh, killing at least one million people, Bangabandhu suspended his election campaign and rushed to the aid of the helpless people in the affected areas. He strongly condemned the Pakistani rulers’ indifference to the cyclone victims and protested against it. He called on the international community to help the people affected by the cyclone. In the general elections held on 7 December, the Awami League gained an absolute majority. The Awami League secured 167 out of 169 National Assembly seats in the Provincial Assembly.

1971
On 3 January, Bangabandhu conducted the oath of the people’s elected representatives at a meeting at the Race Course ground. The Awami League members took the oath to frame a constitution on the basis of the 6-point demand and pledged to remain loyal to the people who had elected them. On 5 January, Zulfiquar Ali Bhutto, the leader of the majority party, the People’s Party, in the then West Pakistan, announced his readiness to form a coalition government at the centre with the Awami League. Bangabandhu was chosen as the leader of his party’s parliamentary party at a meeting of the National Assembly members elected from his party . On 27 January, Zulfiquar Ali Bhutto arrived in Dhaka for talks with Bangabandhu. The talks collapsed after three days of deliberation. In an announcement on 13 February, President Yahya Khan summoned the National Assembly to convene in Dhaka on 3 March. On 15 February, Bhutto announced that he would boycott the session and demanded that power be handed over to the majority parties in East Pakistan and West Pakistan. In a statement on 16 February, Bangabandhu bitterly criticised the demaned of Bhutto and said, “The demand of Bhutto sahib is totally illogical. Power has to be handed over to the only majority party, the Awami League. The people of East Bengal are now the masters of power.”

On 1 March, Yahya Khan abruptly postponed the National Assembly session, prompting a storm of protest throughout Bangladesh. Bangabandhu called an emergency meeting of the working committee of the Awami League, which called a countrywide hartal for 3 March. After the hartal was successfully observed, Bangabandhu on 3 March called on the President to immediately transfer power to his party.
On 7 March, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, addressed a mammoth publicrally at the Race Course ground, where he declared: “THE STRUGGLE NOW IS THE STRUGGLE FOR OUR EMANCIPATION, THE STRUGGLE NOW IS THE STRUGGLE FOR OUR INDEPENDENCE. JOI BANGLA .”

In this historic speech, Bangabandhu urged the nation to break the suckles of subjugation and declared, “SINCE WE HAVE GIVEN BLOOD, WE WILL GIVE MORE BLOOD. INSHALLAH, THE PEOPLE OF THIS COUNTRY WILL BE LIBERATED….. TURN EVERY HOUSE INTO A FORT. FACE(THE ENEMY) WITH WHATEVER YOU HAVE.”
He advised the people to prepare themselves for a guerilla war against the enemy. He asked the people to start a total non-cooperation movement against the government of Yahya Khan. There were ineffectual orders from Yahya Khan on the one hand, while the nation, on the other hand, received directives from Bangabandhu’s Road 32 residence. The entire nation carried out Bangabandhu’s instructions. Every organization, including government offices, banks, insurance companies, schools, colleges mills and factories obeyed Bangabandhu’s directives. The response of people of Bangladesh to Bangabandhu’s call was unparalleled in history. It was Bangabandhu who conducted the administration of an independent Bangladesh from March 7 to March 25.

On 16 March, Yahya Khan came to Dhaka for talks with Bangabandhu on the issue of transfer of power. Bhutto also came a few days later to Dhaka for talks. The Mujib-Yahya-Bhutto talks continued until 24 March. Yahya Khan left Dhaka in the evining of 25 March, in secrecy. On the night of 25 March, the Pakistan Army cracked down on the innocent unarmed Bangalis. They attacked Dhaka University, the Peelkhana Headquarters of the then East Pakistan Rifles and the Rajarbagh Police Headquarters.
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman read out a wireless message, moments after the crackdown began, declaring the independence of Bangladesh as 25 March gave away to 26 March . His declaration was transmitted over wireless to the country “THIS MAY BE MY LAST MESSAGE, FROM TODAYBANGLADESH IS INDEPENDENT. I CALL UPON THE PEOPLE OF BANGLADESH WHEREVER YOU MIGHT BE AND WITH WHATEVER YOU HAVE, TO RESIST THE ARMY OF OCCUPATION TO THE LAST. YOUR FIGHT MUST GO ON UNTIL THE LAST SOLDIER OF THE PAKISTAN OCCUPATION ARMY IS DRIVEN OUT THE SOIL OF BANGLADESH. FINAL VICTORY IS OURS.”

He called upon all sections of people, including Bengali military and civilian personnel, students, workersa nd peasants, to join the resistance against the occupation Pakistan army. This message of Bangabandhu was immediately disseminated throughout the country through radio equipment under specialarrangements. The same night jawans and officers in Chittagong, Comilla and Jessore cantonments put up resistance to the Pakistan army after receiving this message. Bangabandhu’s declaration was broadcast by Chittagong radio station. The Pakistan army arrested Bangabandhu from his Dhanmandi residence at 1:10 a.m. and whisked him away to Dhaka cantonment. On 26 March he was flown to Pakistan as a prisoner. The same day, General Yahya Khan, in a broadcast banned the Awami League and called Bangabandhu a traitor.

On 26 March M.A. Hunnan, an Awami League leader in Chittagong, read out Bangabandhu’s declaration of independence over Chittagong Radio. On 10 April, the Provisional Revolutionary Government of Bangladesh was formed with Bangabandhu as President.
The revolutionary government took the oath of office on 17 a pril at the Amrakanan of Baidayanathtala in Meherpur, which is now known as Mujibnagar. Bangabandhu was elected President, Syed Nazrul Islam Acting President and Tazuddin Ahmed Prime Minister. The liberation war ended on 16 December when the Pakistani occupation forces surrendered at the historic Race Course ground accepting defeat in the glorious war led by the revolutionary government in exile. Bangladesh was finally free.
Earlier, between Aaugust and September of 1971, the Pakistani janta held a secret trial of Bangabandhu inside Lyallpur jail in Pakistan. He was sentenced to death. The freedom loving people of the world demanded absolute security of Bangabandhu’s life. Once Bangladesh was liberated, the Bangladesh government demanded that Bangabandhu be released immediately and unconditionally. A number of countries, including India, and the Soviet Union and various international organizations urged the release of Bangabandhu. Pakistan had no right to hold Bangabandhu, who was the architect of Bangladesh had been recognised by many countries of the world.
1972
The Pakistan government freed Bangabandhu on 8 January 1972. Bangabandhu was seen off at Rawalpindi by Zulfiquar Ali Bhutto, by now Pakistani’s President. The same day Bangabandhu left for London en rout to Dhaka. In London, British Prime Minister Edward Heath met him. On his way back home from London Bangabandhu had a stop-over in New Delhi, where he was received by Indian President V.V. Giri and Prime Minister Indira Gandi.

A memorable reception was accorded to Bangabandhu when the Father of the Nation reached Dhaka on 10 January. From the airport he drove straight to the Race Course ground where he made a tearful address before the country. On 12 January, Bangabandhu became Bangladesh’s Prime Minister. On 6 February he left for a visit to India at the invitation of the Indian government. After twenty four years the Dhaka University authorities rescined his expulsion order and accorded him the Universities’s life membership.

On 1 March he went to the Soviet Union on an official visit. The allied Indian army left Dhaka on 17 March at the request of Bangabandhu. On 1 May he announced a raise in the salary of class three and four employees of the government. On 30 July Bangabandhu underwent a gall bladder operation in London. From there he went to Geneva. On 10 October the World Peace Council conferred the Jullio Curie award on him. On 4 November, Bangabandhu announced that the first general election in Bangladesh would be held on 7 March, 1973. On 15 December Bangabandhu’s government announced the provition of according state awards to the freedom fighters. On the first anniversary of liberation the Constitution of the Peoples Republic of Bangladesh was adopted. Among the important achievements of the Bangabandhu government: The re-organization of the administrative system, adoption of the constitution, rehabiliation of one crore people, restoration and development of communication system, expansion of education, supply of fre books to students upto class five and at low price to students up to class eight, effective ban on all anti-Islamic and anti-social activities like gambling, horse races, liquor, establishment of Islamic foundation, re-organization of Madrassa Board, establlishedment of 11,000 primary schools, nationalization of 40,000 primary schools, establishment of women’s rehabilitation centre for the welfare of distressed woman. Freedom Fighters Welfare Trust, waiving tax upto 25 bighas of land, distribution of agricultural inputs among farmers free of cost or at nominal price, nationalization of banks and insurance companies abandoned by the Pakistais and 580 industrial units, employment to thousands of workers and employees, construction of Ghorashal Fertilizer Factory, primary work of Ashugangj Complex and establishment of othe new industrial units and reopening of the closed industries. Thus Bangabandhu sucessfully built an infrastructure for the economy to lead the country towards progress and prosperity. Another landmark achievement of the Bangabandhu government was to gain recognition of almost all countries of the world and the United Nations membership in a short period of time.

1973
The Awami secured 293 out of the 300 Jatiya Sangsad(parliament) seats in the first general elections. On 3 September, the Awami League, CPB and NAP formed Oikya Front(United Front). On 6 September, Bangabandhu travelled to Algeria to attend the Non-aligned Movement Summit Conferrence.

1974
The Peoploe’s Republic of Bangladesh was accorded membership of United Nations. On 24 September, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman addressed the UN General Assembly in Bangla.

1975

1975-2011

On 25 January country switched over to the presidential system of governance and Bangabandhu took over as President of the republic. On 24 February, Bangladesh Krishak Awami League, comprising all the poliotical parties of the country, was launched. On 25 February, Bangabandhu called upon all parties and leaders to join this national party. He felt the need for making Bangladesh a self-reliant nation by reducing dependence on forign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-reliance by reducing dependence on foreign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-relaince. He launched the Second revolution to make independence meaningful and ensure food, clothing, shelter, medicare, education and jobs to the people. The objectives of the revolution were: elimination of corruption, boosting production in mills, factories and fields, population control and established of national unity.
Bangabandhu received an unprecedented response to his call to achieve economic freedom by uniting the entire nation. The economy started picking up rapidly within a short time. Production oncreased. Smugling stoped. The prices of essentiala came down to within parchasing capacity of the common man. Imbued with new hope, the people unitedly marched forward to extend the benefits of independence to every doorstep. But that condition did not last long.

In the pre-dawn hours of August 15 the noblest and the greatest of Bangalees in a thousand years, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the architect of Bangladesh and the Father of the Nation, was assassinated by a handful of ambitious and treacherous military officers. On that day, Bangabandhu’s wife, a noble woman, Begum Fajilatunnesa; his eldest son, freedom fighter Sheikh Kamal; second son Lt. Sheikh Jamal; youngest son Sheikh Russel; two daughters-in-law, Sultana Kamal and Rosy Jamal; Bangabandhu’s brother Sheikh Nasser; brothe-in-law and Agriculture Minister Abdur Rab Serniabat and his daughter Baby Serniabat; Bangabandhu’s nephew, youth leader and journalist Sheikh Fajlul Huq Moni and his pregnant wife Arju Moni; Bangabandhu’s security officer Brig. Jamil and a 14-year-old boy Rintoo were killed. In all, the killers slaughters 16 members and relatives of Bangadhu’s family.
Martial law was imposed in the country after the killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Democracy was done away with and basic rights were snached away. Thus began the politics of killing, coups and conspiracy. The people’s rights to food and vote were taken away. There is interntional provision to hold trial of killers to protect human rights in the world. But unfortunately in Bangladesh, a martial law ordinance was decreed(Indemnity Ordinance) exempting the self-confessed killers of Bangabandhufrom any trial. Having captured power illigally through a military coup, Gen. Ziaur Rahman debased the Constitution by incorporating the notorious Indemnity Ordinance in the Fifth Amendment to the Constitution. He rewarded the killers with jobs in Bangladesh diplomatic mission abroad. The Indemnity Ordinance was repealed by Parliament only after the Awami League led by Bangabandhu’s daughter Sheikh Hasina returned to power in 1996. August 15, 1975 is the blackest day in our national life. The nation observes this day as National Mourning Day.

Plot hatched in Hawa Bhaban meetings

Mufti Hannan confesses afresh about Aug 21 grenade attacks

Staff Correspondent

Mufti Hannan in a confessional statement disclosed the involvement of Hawa Bhaban and some former BNP ministers and intelligence officials in the August 21, 2004, grenade attack on an Awami League rally.

Harkat-ul Jihad (Huji) leader Mufti Mohammad Abdul Hannan made the fresh confessional statement before a Dhaka court yesterday about the attack that left Ivy Rahman, wife of President Zillur Rahman, dead along with 23 others and Prime Minister Sheikh Hasina wounded. At least 300 others were also injured.

On October 27, 2009, The Daily Star published an investigative report on the attack. The report disclosed the chilling conspiracy that was hatched in Hawa Bhaban.

Hannan, prime accused in the case, on November 1, 2007, made a confessional statement but Criminal Investigation Department moved for a new confessional statement following revaluations of more information through investigation.

First Additional Chief Metropolitan Magistrate AHM Habibur Rahman Bhuiyan recorded yesterday’s statement for over five hours from 4:00pm.

Sources in the CID said in the first confessional statement Hannan admitted carrying out the attack but in the new statement he said the attack was planned in meetings held at the Hawa Bhaban.

Hawa Bhaban was widely regarded as the alternative powerhouse of the then BNP-led coalition government.

Hannan said the meetings were held in presence of some then BNP ministers and businessmen close to BNP and Jamaat-e-Islami top brass.

However, the CID sources declined to disclose names of the people Hannan mentioned.

Hannan said fugitive Maulana Tajuddin, brother of detained former BNP deputy minister Abdus Salam Pintu, had coordinated the attackers and the people of different agencies who aided them.

In the first confessional statement, Hannan said they had smuggled in the grenades from Afghanistan, where Hannan had joined the Mujahideens to fight against the Soviets in the 1980s.

Now he says that the grenades came from Pakistan via Chittagong.

In the first statement, Hannan said they planned the attack in a Badda house in the capital a few days ahead. He had said around 12 militants carried out the attack.

He had said they wanted to kill Sheikh Hasina because she had slapped a ban on religious edict when she was in power, the sources added.

CID Special Superintendent Abdul Kahar Akand, investigation officer of the case, declined to make any comment on the new statement of Hannan.

So far, 12 accused have given confessional statements admitting their involvement in the attack. They are Mufti Hannan, his brother Mohibullah alias Mafizur Rahman alias Ovi, Sharif Shahidul Islam alias Bipul, Maulana Abu Sayeed alias Abu Zafar, Abul Kalam Azad alias Bulbul, Arif Hossain, Rafiqul Islam Sabuj and Jahangir Alam, Islamic Democratic Party leader Sheikh Abdus Salam, Pakistan based LeT leader Abdul Majid alias Yusuf Butt, LeT leader Abdul Malek alias Golam Mohammad and Abdur Rouf.

The eight absconding accused are Pintu’s brothers Maulana Tajuddin and Maulana Liton, Anisul Mursalin and his brother Mahibul Muttakin, Iqbal, Maulana Abu Bakar alias Selim Howlader, Jahangir Alam Badar and Khalilur Rahman.

On June 11, 2008, the CID submitted a charge sheet accusing 22 people, including top Huji leader Mufti Abdul Hannan and BNP leader and former deputy minister Abdus Salam Pintu.

But the court asked police for further investigation into the attack to find out the sources of the grenades used in the attack, the suppliers of the grenades and also to unfold the mystery behind defusing the unexploded grenades soon after recovery.

During the rule of BNP-led coalition government, the then investigators allegedly staged a drama to mislead the investigation and protect the real culprits